স্ট্রিম সংবাদদাতা

চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন পাম্পে ডিজেলের সংকট দেখা দেওয়ায় চলতি বোরো মৌসুমে সেচ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে। পর্যাপ্ত পানি না পেলে বোরো ধানের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল না পাওয়ায় সেচ দিতে সমস্যায় পড়ছেন তাঁরা। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, সেচ যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পাশাপাশি কৃষকদের পানির অপচয় রোধে সচেতন করা হচ্ছে।
জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাব দেশের জ্বালানি খাতে পড়েছে। ইতিমধ্যে সারা দেশের মতো চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন তেল পাম্পেও ডিজেল বিক্রি সীমিত করা হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বোরো চাষিরা। লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক ক্ষেত্রে চাহিদামতো ডিজেল পাচ্ছেন না কৃষকেরা। ফলে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সেচ কার্যক্রমেও প্রভাব পড়ছে।
কৃষকেরা জানান, বোরো ধানের জন্য নিয়মিত সেচ প্রয়োজন। ধানের গোড়ায় প্রায় সবসময় পানি রাখতে হয় এবং একদিন পরপর সেচ দিতে হয়। কিন্তু পাম্পে গিয়ে পর্যাপ্ত ডিজেল না পাওয়ায় সেচ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। এতে ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষকদের হিসাবে, এক বিঘা জমিতে বোরো ধান উৎপাদনে খরচ হয় প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা। সেখানে প্রতি বিঘায় ধান উৎপাদন হয় গড়ে ২৩ থেকে ২৫ মণ।
সদর উপজেলার বেলগাছি গ্রামের বোরো চাষি হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘তেল পাম্পে গেলে এক লিটার থেকে সর্বোচ্চ দুই লিটার তেল দিচ্ছে। এর বেশি চাইলে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। তেল পাওয়া না গেলে বোরো ধানে পর্যাপ্ত সেচ দিতে পারছি না। এসময় বোরো ধানে খুব পানির প্রয়োজন পড়ে। এরকম সমস্যা হলে ধান চাষ করা সমস্যা হয় যাচ্ছে।’
আরেক চাষি হাছান আলী বলেন, ‘পাম্পে গেলাম ২ লিটার ডিজেল নেব বলে। কিন্তু দিল এক লিটার। তিন বিঘা বোরো ধানে সেচ দিতে গেলে ২ লিটার ডিজেলে কীভাবে কী করবো। এখন এসময় ধানে পর্যাপ্ত সেচ লাগে। তেলের অভাবে সেচ না দিলে ধানের ফলন ভালো হবে না।’
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার হাজরাহাটি গ্রামের কৃষক সাব্বির মুন্সি বলেন, ‘পাম্পে গেলে তেল দিচ্ছে কম। চাহিদা মতো তেল পাচ্ছি না। ধান ও ভুট্টায় এসময় পানি বেশি লাগে। তেল সংকটে অনেকটা সমস্যা হয়ে যাচ্ছে।’
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার স্ট্রিমকে বলেন, ‘চাষিদের আতঙ্কের কিছু নেই। ইতিমধ্যে জেলা পর্যায়ে কৃষকদের নিয়ে সভা করেছি। কৃষকদের বলা হচ্ছে পানির অপচয় কম হয় যেন। জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে বোরো মৌসুমে সেচ সুবিধায় ব্যাহত হচ্ছে। তবে চিন্তার কিছু নেই আগামী কয়েকদিনের মধ্যে স্বাভাবিক হয় যাবে। সূচি অনুযায়ী বোরো আবাদে সেচ দিতে হবে। আর ধানের ফলন যাতে ভালো থাকে এ ব্যাপারে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, এ বছর জেলায় বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৫ হাজার ২৩৬ হেক্টর জমিতে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যে ৩৫ হাজার ২৩৯ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ সম্পন্ন হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন পাম্পে ডিজেলের সংকট দেখা দেওয়ায় চলতি বোরো মৌসুমে সেচ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে। পর্যাপ্ত পানি না পেলে বোরো ধানের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল না পাওয়ায় সেচ দিতে সমস্যায় পড়ছেন তাঁরা। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, সেচ যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পাশাপাশি কৃষকদের পানির অপচয় রোধে সচেতন করা হচ্ছে।
জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাব দেশের জ্বালানি খাতে পড়েছে। ইতিমধ্যে সারা দেশের মতো চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন তেল পাম্পেও ডিজেল বিক্রি সীমিত করা হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বোরো চাষিরা। লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক ক্ষেত্রে চাহিদামতো ডিজেল পাচ্ছেন না কৃষকেরা। ফলে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সেচ কার্যক্রমেও প্রভাব পড়ছে।
কৃষকেরা জানান, বোরো ধানের জন্য নিয়মিত সেচ প্রয়োজন। ধানের গোড়ায় প্রায় সবসময় পানি রাখতে হয় এবং একদিন পরপর সেচ দিতে হয়। কিন্তু পাম্পে গিয়ে পর্যাপ্ত ডিজেল না পাওয়ায় সেচ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। এতে ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষকদের হিসাবে, এক বিঘা জমিতে বোরো ধান উৎপাদনে খরচ হয় প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা। সেখানে প্রতি বিঘায় ধান উৎপাদন হয় গড়ে ২৩ থেকে ২৫ মণ।
সদর উপজেলার বেলগাছি গ্রামের বোরো চাষি হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘তেল পাম্পে গেলে এক লিটার থেকে সর্বোচ্চ দুই লিটার তেল দিচ্ছে। এর বেশি চাইলে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। তেল পাওয়া না গেলে বোরো ধানে পর্যাপ্ত সেচ দিতে পারছি না। এসময় বোরো ধানে খুব পানির প্রয়োজন পড়ে। এরকম সমস্যা হলে ধান চাষ করা সমস্যা হয় যাচ্ছে।’
আরেক চাষি হাছান আলী বলেন, ‘পাম্পে গেলাম ২ লিটার ডিজেল নেব বলে। কিন্তু দিল এক লিটার। তিন বিঘা বোরো ধানে সেচ দিতে গেলে ২ লিটার ডিজেলে কীভাবে কী করবো। এখন এসময় ধানে পর্যাপ্ত সেচ লাগে। তেলের অভাবে সেচ না দিলে ধানের ফলন ভালো হবে না।’
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার হাজরাহাটি গ্রামের কৃষক সাব্বির মুন্সি বলেন, ‘পাম্পে গেলে তেল দিচ্ছে কম। চাহিদা মতো তেল পাচ্ছি না। ধান ও ভুট্টায় এসময় পানি বেশি লাগে। তেল সংকটে অনেকটা সমস্যা হয়ে যাচ্ছে।’
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার স্ট্রিমকে বলেন, ‘চাষিদের আতঙ্কের কিছু নেই। ইতিমধ্যে জেলা পর্যায়ে কৃষকদের নিয়ে সভা করেছি। কৃষকদের বলা হচ্ছে পানির অপচয় কম হয় যেন। জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে বোরো মৌসুমে সেচ সুবিধায় ব্যাহত হচ্ছে। তবে চিন্তার কিছু নেই আগামী কয়েকদিনের মধ্যে স্বাভাবিক হয় যাবে। সূচি অনুযায়ী বোরো আবাদে সেচ দিতে হবে। আর ধানের ফলন যাতে ভালো থাকে এ ব্যাপারে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, এ বছর জেলায় বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৫ হাজার ২৩৬ হেক্টর জমিতে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যে ৩৫ হাজার ২৩৯ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ সম্পন্ন হয়েছে।

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর পর্দা নামল। রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক নানা কারণে মেলা শুরু হতে বিলম্ব হওয়ায় মাসব্যাপী মেলার ঐতিহ্য ভেঙে এবার সময়কাল ছিল মাত্র ১৭ দিন। তবে মেলার দিন কমলেও নতুন বইয়ের সংখ্যা ছিল আশাব্যঞ্জক। বাংলা একাডেমির তথ্যকেন্দ্রে এবারের মেলায় মোট ২ হাজার ৭টি নতুন বই জমা পড়েছে।
৩১ মিনিট আগে
সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে কেউ দুর্নীতি করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রোববার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্ট জাজেস স্পোর্টস কমপ্লেক্সে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের এক ইফতার মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি।
৩৯ মিনিট আগে
রাজধানীর খিলক্ষেতে ডেসকোর কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে খাঁপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
দেশব্যাপী ‘খাল খনন কর্মসূচি ২০২৬’-এর উদ্বোধন করতে আগামীকাল সোমবার দিনাজপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জেলার কাহারোলের বলরামপুরে একটি খাল খননের মধ্য দিয়ে তিনি এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন।
২ ঘণ্টা আগে