পেট্রোল পাম্প শ্রমিকদের মজুরি সর্বশেষ নির্ধারণ করা হয় ১৯৮৭ সালে। এরপর থেকে মাসে সাকুল্যে ৭৯২ টাকার অবিশ্বাস্য মজুরিতে কাজ করছেন তারা।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

পেট্রোল পাম্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছে সরকার। সম্প্রতি নিম্নতম মজুরি বোর্ড যে খসড়া চূড়ান্ত করেছে, তাতে প্রায় ২০০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
পেট্রোল পাম্প শ্রমিকদের মজুরি সর্বশেষ নির্ধারণ করা হয় ১৯৮৭ সালে। এরপর থেকে মাসে সাকুল্যে ৭৯২ টাকার অবিশ্বাস্য মজুরিতে কাজ করছেন তারা।
সুপারিশ অনুযায়ী, পেট্রোল পাম্পের হেলপার-ক্লিনারের ন্যূনতম মজুরি প্রস্তাব করা হয়েছে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা। এই বৃদ্ধি আগের বেতনের তুলনায় ১৯৮৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
গত ১০ মার্চ এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করে ‘পেট্রোল পাম্প’ শিল্পে নিযুক্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যূনতম মজুরির এই খসড়া সুপারিশ প্রকাশ করা হয়েছে। এখন এটি চূড়ান্ত হয়ে গেজেট জারির অপেক্ষায়।
এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে কল দিয়েও নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ এবং সচিব রাইসা আফরোজের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর পেট্রোল পাম্প শ্রমিকদের মজুরি কমিটি পুনর্গঠন করে নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যানকে মজুরি পুননির্ধারণের নির্দেশ দেয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। খসড়া প্রস্তাবে দেখা গেছে, পেট্রোল পাম্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের পদবিন্যাস অনুযায়ী ৫টি গ্রেডে ভাগ করা হয়েছে। বিভাগীয় ও জেলা শহর এবং অন্যান্য এলাকার জন্য আলাদা মজুরি কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে।
৫ নম্বর গ্রেডে রয়েছেন নৈশপ্রহরী, ক্লিনার, সার্ভিসম্যান, পিয়ন ও হেলপার। বিভাগীয় ও জেলা শহরে তাদের মূল মজুরি ধরা হয়েছে ৯ হাজার টাকা। এর সঙ্গে ৫০ শতাংশ বাড়িভাড়া (৪ হাজার ৫০০ টাকা), ১ হাজার ২০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা, ১ হাজার টাকা যাতায়াত ভাতা এবং ৮০০ টাকা ঝুঁকি ভাতা যুক্ত করে সর্বমোট মজুরি ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা। অন্যান্য এলাকার জন্য এই মজুরি ১৬ হাজার ৫০ টাকা।
১ নম্বর গ্রেডে রয়েছেন ম্যানেজার, সুপারভাইজার, চিফ অ্যাকাউন্টেন্ট ও ট্যাংক লরি ড্রাইভাররা। তাদের মূল মজুরি ১৭ হাজার টাকা। সব ভাতা মিলিয়ে বিভাগীয় ও জেলা শহরে তাদের সর্বমোট মজুরি দাঁড়াবে ২৮ হাজার ৫০০ টাকায়। অন্যান্য এলাকার জন্য তা হবে ২৭ হাজার ৬৫০ টাকা।
এর পাশাপাশি ২, ৩ এবং ৪ নম্বর গ্রেডের জন্য যথাক্রমে ২৪ হাজার, ২১ হাজার ও ১৮ হাজার টাকা (বিভাগীয় শহরের জন্য) ন্যূনতম মজুরি প্রস্তাব করা হয়েছে।
এক বছর চাকরি পূর্ণ হওয়ার পর থেকে শ্রমিক-কর্মচারীরা মূল বেতনের ওপর ৫ শতাংশ হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট (বেতন বৃদ্ধি) পাবেন বলে খসড়া গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে। নারী ও পুরুষ এবং প্রতিবন্ধীদের মজুরির ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য করা যাবে না বলেও এতে স্পষ্ট শর্ত দেওয়া হয়েছে।
ব্যক্তিমালিকানাধীন শিল্পের শ্রমিকদের মজুরি প্রতি ৫ বছর (বর্তমানে তিন বছর) অন্তর হালনাগাদ করার নিয়ম থাকলেও পেট্রোল পাম্প খাতের মজুরি সবশেষ ১৯৮৭ সালে ঠিক করা হয়েছিল। তখন পেট্রোল পাম্প শ্রমিকদের মূল বেতন ৫৬০ টাকা এবং বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতাসহ মোট ৭৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

পেট্রোল পাম্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছে সরকার। সম্প্রতি নিম্নতম মজুরি বোর্ড যে খসড়া চূড়ান্ত করেছে, তাতে প্রায় ২০০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
পেট্রোল পাম্প শ্রমিকদের মজুরি সর্বশেষ নির্ধারণ করা হয় ১৯৮৭ সালে। এরপর থেকে মাসে সাকুল্যে ৭৯২ টাকার অবিশ্বাস্য মজুরিতে কাজ করছেন তারা।
সুপারিশ অনুযায়ী, পেট্রোল পাম্পের হেলপার-ক্লিনারের ন্যূনতম মজুরি প্রস্তাব করা হয়েছে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা। এই বৃদ্ধি আগের বেতনের তুলনায় ১৯৮৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
গত ১০ মার্চ এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করে ‘পেট্রোল পাম্প’ শিল্পে নিযুক্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যূনতম মজুরির এই খসড়া সুপারিশ প্রকাশ করা হয়েছে। এখন এটি চূড়ান্ত হয়ে গেজেট জারির অপেক্ষায়।
এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে কল দিয়েও নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ এবং সচিব রাইসা আফরোজের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর পেট্রোল পাম্প শ্রমিকদের মজুরি কমিটি পুনর্গঠন করে নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যানকে মজুরি পুননির্ধারণের নির্দেশ দেয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। খসড়া প্রস্তাবে দেখা গেছে, পেট্রোল পাম্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের পদবিন্যাস অনুযায়ী ৫টি গ্রেডে ভাগ করা হয়েছে। বিভাগীয় ও জেলা শহর এবং অন্যান্য এলাকার জন্য আলাদা মজুরি কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে।
৫ নম্বর গ্রেডে রয়েছেন নৈশপ্রহরী, ক্লিনার, সার্ভিসম্যান, পিয়ন ও হেলপার। বিভাগীয় ও জেলা শহরে তাদের মূল মজুরি ধরা হয়েছে ৯ হাজার টাকা। এর সঙ্গে ৫০ শতাংশ বাড়িভাড়া (৪ হাজার ৫০০ টাকা), ১ হাজার ২০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা, ১ হাজার টাকা যাতায়াত ভাতা এবং ৮০০ টাকা ঝুঁকি ভাতা যুক্ত করে সর্বমোট মজুরি ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা। অন্যান্য এলাকার জন্য এই মজুরি ১৬ হাজার ৫০ টাকা।
১ নম্বর গ্রেডে রয়েছেন ম্যানেজার, সুপারভাইজার, চিফ অ্যাকাউন্টেন্ট ও ট্যাংক লরি ড্রাইভাররা। তাদের মূল মজুরি ১৭ হাজার টাকা। সব ভাতা মিলিয়ে বিভাগীয় ও জেলা শহরে তাদের সর্বমোট মজুরি দাঁড়াবে ২৮ হাজার ৫০০ টাকায়। অন্যান্য এলাকার জন্য তা হবে ২৭ হাজার ৬৫০ টাকা।
এর পাশাপাশি ২, ৩ এবং ৪ নম্বর গ্রেডের জন্য যথাক্রমে ২৪ হাজার, ২১ হাজার ও ১৮ হাজার টাকা (বিভাগীয় শহরের জন্য) ন্যূনতম মজুরি প্রস্তাব করা হয়েছে।
এক বছর চাকরি পূর্ণ হওয়ার পর থেকে শ্রমিক-কর্মচারীরা মূল বেতনের ওপর ৫ শতাংশ হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট (বেতন বৃদ্ধি) পাবেন বলে খসড়া গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে। নারী ও পুরুষ এবং প্রতিবন্ধীদের মজুরির ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য করা যাবে না বলেও এতে স্পষ্ট শর্ত দেওয়া হয়েছে।
ব্যক্তিমালিকানাধীন শিল্পের শ্রমিকদের মজুরি প্রতি ৫ বছর (বর্তমানে তিন বছর) অন্তর হালনাগাদ করার নিয়ম থাকলেও পেট্রোল পাম্প খাতের মজুরি সবশেষ ১৯৮৭ সালে ঠিক করা হয়েছিল। তখন পেট্রোল পাম্প শ্রমিকদের মূল বেতন ৫৬০ টাকা এবং বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতাসহ মোট ৭৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের নিয়ে হাডুডু খেলার আয়োজন করা হয়েছে।
৮ মিনিট আগে
হামের টিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী ‘সায়েন্স’– এর প্রতিবেদনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার সিলেট সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। শনিবার (২ মে) দিনব্যাপী সফরে মাজার জিয়ারত, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
সরকার দেশের জ্বালানি তেল সংকটের স্থায়ী সমাধান করেছে। এখন পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যায় না বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
৪ ঘণ্টা আগে