জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

সেন্টমার্টিনে এক জালে দেড়শ মণ লাল কোরাল, বিক্রি হলো ৩৫ লাখ টাকায়

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
কক্সবাজার

সাগরে ধরা পড়া লাল কোরাল। স্ট্রিম ছবি

সেন্টমার্টিন দ্বীপসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে বিপুল পরিমাণে সামুদ্রিক লাল কোরাল মাছ ধরা পড়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে মাছবোঝাই ট্রলারটি টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারি ঘাটে পৌঁছায়। ঘাটে এনে দেখা যায়, ধরা পড়া মাছের সংখ্যা ১ হাজারের বেশি। প্রতিটি মাছের ওজন আনুমানিক ৫ থেকে ৭ কেজি। সব মিলিয়ে ওজন প্রায় দেড়শ মণ (৬ হাজার কেজি)।

এক জালে এত বিপুল পরিমাণ মাছ ধরা পড়ায় জেলে ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় জেলেরা বলছেন, মৌসুমের শেষ দিকে এ ধরনের বড় ঝাঁক ধরা পড়া বিরল।

মাঝিমাল্লা সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ সদর কেরনতলী এলাকার মিজানের মালিকানাধীন একটি ট্রলার ও একটি নৌকা নিয়ে ২১ জন মাঝিমাল্লা গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সকালে মাছ ধরতে গভীর সমুদ্রে যান। পরদিন ২৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তারা বড় একটি মাছের ঝাঁক দেখতে পান। পরে চারদিক থেকে জাল ফেলে কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় বিপুল পরিমাণ লাল কোরাল মাছ ধরতে সক্ষম হন।

ধরা পড়া মাছের সংখ্যা ১ হাজারেরও বেশি
ধরা পড়া মাছের সংখ্যা ১ হাজারেরও বেশি

ফিশারি ঘাটে পৌঁছানোর পর স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী মো. রশিদ প্রতি মণ ২৬ হাজার টাকা দরে মাছগুলো কিনে নেন। এতে মোট বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় ৩৫ লাখ টাকার মতো। ব্যবসায়ী মো. রশিদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে মাছের ব্যবসা করলেও এক জালে এত লাল কোরাল মাছ ধরা পড়া সত্যিই বিরল ঘটনা। মাছগুলো বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে গাড়িযোগে ঢাকার যাত্রাবাড়ী, কারওয়ান বাজার ও আব্দুল্লাহপুরের কাঁচা মাছের আড়তে পাঠানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উমুল ফারা বেগম তাজকিরা বলেন, ‘লাল কোরাল সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ একটি সামুদ্রিক মাছ। এটি ভেটকির প্রজাতিভুক্ত Lates calcarifer; যা সর্বোচ্চ প্রায় ৯ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। এতে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন ডি এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।’

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত