স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে ৪৩৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পিকে হালদার) ৩৫ জনের বিরুদ্ধে একযোগে ১২টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাগুলো করা হয়। সংস্থাটির উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান ও উপসহকারী পরিচালক মো. ইমরান আকন বাদী হয়ে এসব মামলা করেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুদকের জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ১২টি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাট করা হয়েছে। আত্মসাৎ করা অর্থের বর্তমান সুদসহ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫৩১ কোটি টাকার বেশি।
মামলার এজাহারে প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের যে বিবরণ দেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা যায় অস্তিত্বহীন কোম্পানির নামে ধাপে ধাপে টাকা বের করে নেওয়া হয়েছে। জালিয়াতির মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি অর্থ বের করা হয়েছে জি অ্যান্ড জি এন্টারপ্রাইজ এবং আরিয়ান কেমিক্যালস লিমিটেড নামে দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যমে। এর মধ্যে জি অ্যান্ড জি এন্টারপ্রাইজের নামে ৫৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা এবং আরিয়ান কেমিক্যালসের নামে ৫৩ কোটি ৭ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে নিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এরপরই রয়েছে বিআর ইন্টারন্যাশনাল ও কনিকা এন্টারপ্রাইজ। বিআর ইন্টারন্যাশনালের নামে ৫২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং কনিকা এন্টারপ্রাইজের নামে ৪৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা লোপাট করা হয়েছে।
ঋণ জালিয়াতির এই তালিকায় আরও রয়েছে নিউটেক এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ও দ্রিনান এ্যাপারেলস লিমিটেড। নিউটেক এন্টারপ্রাইজের অনুকূলে প্রায় ৪৩ কোটি টাকা এবং দ্রিনান এ্যাপারেলসের নামে ৪০ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ছাড় করানো হয়েছে। এ ছাড়া উইনটেল করপোরেশন লিমিটেডের নামে ৪০ কোটি ২০ লাখ টাকা, আনান কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নামে ৩৬ কোটি ৫ লাখ টাকা এবং এমএসটি ফার্মা অ্যান্ড হেলথ কেয়ার লিমিটেডের নামে ২৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। অপেক্ষাকৃত কম অংকের ঋণের মধ্যে মেসার্স সানসাইন সার্ভিসেসের নামে ২১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, মীম ট্রেডিং কর্পোরেশনের নামে ৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা এবং আমান টেক্স ইউনিট-২ লিমিটেডের নামে ৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বের করে নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ১২টি প্রতিষ্ঠানের নামে মূল ঋণের পরিমাণ ৪৩৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ছাড়ালেও সুদে-আসলে তা এখন পাহাড়সমান।
দুদকের অনুসন্ধানে জালিয়াতির অভিনব কৌশলের চিত্র উঠে এসেছে। দেখা গেছে, যেসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছে, সরেজমিনে সেসব ঠিকানায় তাদের কোনো অস্তিত্ব বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম পাওয়া যায়নি। ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল একেবারেই নতুন এবং তাদের ব্যবসার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না। মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, প্রতিটি ঋণ হিসাবের বিপরীতে মাত্র ১-২টি কিস্তি পরিশোধ করা হয়েছে, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটি কিস্তিও শোধ করা হয়নি। তবুও ব্যাংকিং নিয়ম লঙ্ঘন করে কোনো আপত্তি ছাড়াই বোর্ড সভায় এসব খেলাপি ঋণকে রিশডিউল বা পুনঃতফসিল করা হয়েছে। মূলত অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ সৃষ্টি করে সেই টাকা স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করা হয়েছে।
মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও আলোচিত অর্থ পাচারকারী প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পিকে হালদার)। তার প্রধান সহযোগী হিসেবে এফএএস ফাইন্যান্সের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ছিদ্দিকুর রহমান ও তার স্ত্রী মাহফুজা রহমান বেবী, সাবেক এমডি মো. রাসেল শাহরিয়ার ও মো. মফিজ উদ্দিন চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া পর্ষদের দায়বদ্ধতা চিহ্নিত করে সাবেক পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. নুরুল হক গাজী, মো. আবুল শাহজাহান, অঞ্জন কুমার রায়, কাজী মাহজাবিন মমতাজ, সোমা ঘোষ, মো. মোস্তাইন বিল্লাহ, অরুন কুমার কুন্ডু, উদ্ধব মল্লিক, মো. আতাহারুল ইসলাম, প্রদীপ কুমার নন্দী, বীরেন্দ্র কুমার সোম, মো. মোস্তফা, মোস্তফা আমিনুর রশীদ এবং আব্দুল মোতালিব আহমেদকে আসামির তালিকায় রাখা হয়েছে।
জালিয়াতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী হিসেবে আসামি হয়েছেন আনান কেমিক্যালের এমডি ও এফএএস ফাইন্যান্সের পরিচালক উজ্জল কুমার নন্দী, আরিয়ান কেমিক্যালের এমডি মো. ওমর শরীফ, নিউটেক এন্টারপ্রাইজের এমডি বাসু দেব ব্যানার্জী, সানসাইন সার্ভিসেসের এমডি তাসিন বিন তানজীর, মিম ট্রেডিংয়ের এমডি মো. ওমর ফারুক এবং আমান টেক্সের এমডি মো. রফিকুল ইসলাম। এছাড়া বিআর ইন্টারন্যাশনালের উৎপল মজুমদার, উইনটেল কর্পোরেশনের সুকুমার সাহা, কনিকা এন্টারপ্রাইজের রামপ্রসাদ রায়, জি এন্ড জি এন্টারপ্রাইজের গোপাল চন্দ্র গাঙ্গুলী, দ্রিনান এ্যাপারেলসের আবু রাজীব মারুফ এবং এমএসটি ফার্মার অমল চন্দ্র দাসকেও আসামি করা হয়েছে। পিকে হালদারের ভাই প্রিতীশ কুমার হালদারকেও (আনান কেমিক্যাল) মামলার আসামি করা হয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাগুলো করা হয়েছে।

ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে ৪৩৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পিকে হালদার) ৩৫ জনের বিরুদ্ধে একযোগে ১২টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাগুলো করা হয়। সংস্থাটির উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান ও উপসহকারী পরিচালক মো. ইমরান আকন বাদী হয়ে এসব মামলা করেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুদকের জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ১২টি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাট করা হয়েছে। আত্মসাৎ করা অর্থের বর্তমান সুদসহ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫৩১ কোটি টাকার বেশি।
মামলার এজাহারে প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের যে বিবরণ দেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা যায় অস্তিত্বহীন কোম্পানির নামে ধাপে ধাপে টাকা বের করে নেওয়া হয়েছে। জালিয়াতির মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি অর্থ বের করা হয়েছে জি অ্যান্ড জি এন্টারপ্রাইজ এবং আরিয়ান কেমিক্যালস লিমিটেড নামে দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যমে। এর মধ্যে জি অ্যান্ড জি এন্টারপ্রাইজের নামে ৫৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা এবং আরিয়ান কেমিক্যালসের নামে ৫৩ কোটি ৭ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে নিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এরপরই রয়েছে বিআর ইন্টারন্যাশনাল ও কনিকা এন্টারপ্রাইজ। বিআর ইন্টারন্যাশনালের নামে ৫২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং কনিকা এন্টারপ্রাইজের নামে ৪৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা লোপাট করা হয়েছে।
ঋণ জালিয়াতির এই তালিকায় আরও রয়েছে নিউটেক এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ও দ্রিনান এ্যাপারেলস লিমিটেড। নিউটেক এন্টারপ্রাইজের অনুকূলে প্রায় ৪৩ কোটি টাকা এবং দ্রিনান এ্যাপারেলসের নামে ৪০ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ছাড় করানো হয়েছে। এ ছাড়া উইনটেল করপোরেশন লিমিটেডের নামে ৪০ কোটি ২০ লাখ টাকা, আনান কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নামে ৩৬ কোটি ৫ লাখ টাকা এবং এমএসটি ফার্মা অ্যান্ড হেলথ কেয়ার লিমিটেডের নামে ২৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। অপেক্ষাকৃত কম অংকের ঋণের মধ্যে মেসার্স সানসাইন সার্ভিসেসের নামে ২১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, মীম ট্রেডিং কর্পোরেশনের নামে ৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা এবং আমান টেক্স ইউনিট-২ লিমিটেডের নামে ৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বের করে নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ১২টি প্রতিষ্ঠানের নামে মূল ঋণের পরিমাণ ৪৩৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ছাড়ালেও সুদে-আসলে তা এখন পাহাড়সমান।
দুদকের অনুসন্ধানে জালিয়াতির অভিনব কৌশলের চিত্র উঠে এসেছে। দেখা গেছে, যেসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছে, সরেজমিনে সেসব ঠিকানায় তাদের কোনো অস্তিত্ব বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম পাওয়া যায়নি। ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল একেবারেই নতুন এবং তাদের ব্যবসার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না। মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, প্রতিটি ঋণ হিসাবের বিপরীতে মাত্র ১-২টি কিস্তি পরিশোধ করা হয়েছে, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটি কিস্তিও শোধ করা হয়নি। তবুও ব্যাংকিং নিয়ম লঙ্ঘন করে কোনো আপত্তি ছাড়াই বোর্ড সভায় এসব খেলাপি ঋণকে রিশডিউল বা পুনঃতফসিল করা হয়েছে। মূলত অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ সৃষ্টি করে সেই টাকা স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করা হয়েছে।
মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও আলোচিত অর্থ পাচারকারী প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পিকে হালদার)। তার প্রধান সহযোগী হিসেবে এফএএস ফাইন্যান্সের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ছিদ্দিকুর রহমান ও তার স্ত্রী মাহফুজা রহমান বেবী, সাবেক এমডি মো. রাসেল শাহরিয়ার ও মো. মফিজ উদ্দিন চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া পর্ষদের দায়বদ্ধতা চিহ্নিত করে সাবেক পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. নুরুল হক গাজী, মো. আবুল শাহজাহান, অঞ্জন কুমার রায়, কাজী মাহজাবিন মমতাজ, সোমা ঘোষ, মো. মোস্তাইন বিল্লাহ, অরুন কুমার কুন্ডু, উদ্ধব মল্লিক, মো. আতাহারুল ইসলাম, প্রদীপ কুমার নন্দী, বীরেন্দ্র কুমার সোম, মো. মোস্তফা, মোস্তফা আমিনুর রশীদ এবং আব্দুল মোতালিব আহমেদকে আসামির তালিকায় রাখা হয়েছে।
জালিয়াতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী হিসেবে আসামি হয়েছেন আনান কেমিক্যালের এমডি ও এফএএস ফাইন্যান্সের পরিচালক উজ্জল কুমার নন্দী, আরিয়ান কেমিক্যালের এমডি মো. ওমর শরীফ, নিউটেক এন্টারপ্রাইজের এমডি বাসু দেব ব্যানার্জী, সানসাইন সার্ভিসেসের এমডি তাসিন বিন তানজীর, মিম ট্রেডিংয়ের এমডি মো. ওমর ফারুক এবং আমান টেক্সের এমডি মো. রফিকুল ইসলাম। এছাড়া বিআর ইন্টারন্যাশনালের উৎপল মজুমদার, উইনটেল কর্পোরেশনের সুকুমার সাহা, কনিকা এন্টারপ্রাইজের রামপ্রসাদ রায়, জি এন্ড জি এন্টারপ্রাইজের গোপাল চন্দ্র গাঙ্গুলী, দ্রিনান এ্যাপারেলসের আবু রাজীব মারুফ এবং এমএসটি ফার্মার অমল চন্দ্র দাসকেও আসামি করা হয়েছে। পিকে হালদারের ভাই প্রিতীশ কুমার হালদারকেও (আনান কেমিক্যাল) মামলার আসামি করা হয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাগুলো করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময় থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দেশের ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে মাজার বা সুফি সাধকদের দরবারে অন্তত ৬৪টি হামলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ধর্মীয় মতাদর্শগত বিরোধ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং জমি দখলের উদ্দেশ্যে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে এসব হামলা চালানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ সরকার সন্ত্রাসবাদ দমনের যুক্তি তুলে ধরে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে। এর অংশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতার নামে অবৈধ বন্দি হস্তান্তর ও যৌথ জিজ্ঞাসাবাদের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরোধের পর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে সাইন্সল্যাব মোড় থেকে সরে গেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এর আগে দুপুর থেকে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির দাবিতে তাঁরা অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন।
১ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরের জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমালেও বিশ্বব্যাংক আশা প্রকাশ করেছে, আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি আবার গতি পাবে। এতে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে