স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্বাচনী সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দিতে ডাকা সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করেছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দল। আজ বুধবার সোয়া ২টায় ১১ দলের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় জানিয়েছেন, অনিবার্য কারণবশত সংবাদ সম্মেলনটি স্থগিত করা হয়েছে।
এর আগে আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় গণমাধ্যমে বার্তা পাঠিয়ে ১১ দল সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিল। বার্তায় বলা হয়েছিল, আজ বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা হলে (২য় তলা) এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে ১১ দলের অন্যতম শরিক ইসলামী আন্দোলন সংবাদ সম্মেলনে থাকবে কিনা, তা তখনও স্পষ্ট করেনি দলটি। দুপুরে ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব শেখ ফজলে বারী মাসউদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘সমঝোতায় থাকা না থাকা নিয়ে আজকালের মধ্যেই আমাদের আমির পীর সাহেব চরমোনাই একটি সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি স্পষ্ট করবেন।’
তবে তিনি এ-ও জানান, ইসলামী আন্দোলনের ১১ দলে থাকা বা না থাকা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আজ বুধবার দুপুরের পরে ইসলামী আন্দোলন নিজেদের মধ্যে একটি বৈঠক করবে। সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
বৈঠকের ব্যাপারে খোঁজ নিতে যোগাযোগ করা হলে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ জানান, জোহরের নামাজের পরে তাদের বিশেষ বৈঠক শুরু হয়েছে। জামায়াতসহ ১১ দলে থাকা না থাকা নিয়ে তাঁরা বৈঠক থেকেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
এর আগে গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) স্ট্রিমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ১১ দলের সমঝোতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি জানিয়েছিলেন, শরিকদের কোনো কোনো দল শরিয়তকে অবজ্ঞা করছে, শরিকদের মধ্যে অনেকেই এমন কিছু কাজ করছে যা ইসলাম ও শরিয়াহ সম্মত না, বরং শরিয়তের সঙ্গে মারাত্মক সাংঘর্ষিক।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ ১১ দল সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে কোন দল কতটি আসনে নির্বাচন করবে এ নিয়ে এখনো সমঝোতায় পৌঁছতে পারেনি দলগুলো। আসন নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের টানাপোড়েন চলছে। এ কারণে নির্বাচনের আর মাত্র এক মাসেরও কম সময় বাকি থাকলেও ১১ দল একক প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি।
সাক্ষাৎকারে সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম ১১ দলের সমঝোতা টিকবে কিনা তা নিয়ে নিজের সংশয় প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘‘আমাদের মুহতারাম আমির, চরমোনাই পীর সাহেব সর্বপ্রথম ইসলামপন্থীদের ভোট এক বাক্সে নিয়ে আসার চিন্তা করেছেন— ‘যে জীবনভরা আমরা ফ্যাসিস্টদের কবলে ছিলাম, ইসলাম কোনোদিন ক্ষমতায় যায় নাই, দেখি ইসলামকে ক্ষমতায় নেওয়া যায় কিনা।’ এইটার চেষ্টা তিনিই করেছেন এবং প্রথম পলিসিটা তাঁর মাথা থেকেই আসছে।’’
এই চেষ্টা কোন পর্যায়ে আছে জানতে চাইলে সেসময় ইসলামী আন্দোলনের এই সিনিয়র নায়েবে আমির স্ট্রিমকে বলেছিলেন, ‘এই চেষ্টা অব্যাহত আছে, জানি না কতক্ষণ টিকে। আমরা ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে চাই। কিন্তু কাউকে, কোনো দলকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য না। এই পলিসিটাকে যদি কোনো দল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সিঁড়ি মনে করে সেটা তো ভুল করবে। মারাত্মক ভুল করবে, যে ভুলের আর সমাধান হবে কিনা আমি জানি না।’
আসন সমঝোতার অন্যতম শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন নিয়ে বিভক্তি থেকেই এই সংশয় প্রকাশ করছেন কিনা জানতে চাইলে সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘আসলে আসন নিয়ে না। আমরা একটা পলিসি অ্যাডাপ্ট করেছি যে ইসলামকে ক্ষমতায় বসাতে চাই, ইসলাম ও শরিয়াহ অনুযায়ী চলতে চাই। সেখানে দেখা যায়, আমাদের শরিকদের মধ্যে অনেকেই এমন কিছু কাজ করতেছে, যেগুলো ইসলাম ও শরিয়াহ সম্মত না এবং শরিয়তের সঙ্গে মারাত্মক সাংঘর্ষিক। শরিয়তকে অবজ্ঞা করে তো আসলে ইসলাম হয় না।’
তিনি বলেন, ‘এখন নারীর অধিকার রক্ষা করতে গিয়া যদি শরিয়ত-কোরআনের বিরুদ্ধে কথা বলে যে আসেন আমরা বৈষম্য দূর করি, তাহলে সমস্যা।’

নির্বাচনী সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দিতে ডাকা সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করেছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দল। আজ বুধবার সোয়া ২টায় ১১ দলের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় জানিয়েছেন, অনিবার্য কারণবশত সংবাদ সম্মেলনটি স্থগিত করা হয়েছে।
এর আগে আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় গণমাধ্যমে বার্তা পাঠিয়ে ১১ দল সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিল। বার্তায় বলা হয়েছিল, আজ বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা হলে (২য় তলা) এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে ১১ দলের অন্যতম শরিক ইসলামী আন্দোলন সংবাদ সম্মেলনে থাকবে কিনা, তা তখনও স্পষ্ট করেনি দলটি। দুপুরে ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব শেখ ফজলে বারী মাসউদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘সমঝোতায় থাকা না থাকা নিয়ে আজকালের মধ্যেই আমাদের আমির পীর সাহেব চরমোনাই একটি সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি স্পষ্ট করবেন।’
তবে তিনি এ-ও জানান, ইসলামী আন্দোলনের ১১ দলে থাকা বা না থাকা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আজ বুধবার দুপুরের পরে ইসলামী আন্দোলন নিজেদের মধ্যে একটি বৈঠক করবে। সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
বৈঠকের ব্যাপারে খোঁজ নিতে যোগাযোগ করা হলে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ জানান, জোহরের নামাজের পরে তাদের বিশেষ বৈঠক শুরু হয়েছে। জামায়াতসহ ১১ দলে থাকা না থাকা নিয়ে তাঁরা বৈঠক থেকেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
এর আগে গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) স্ট্রিমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ১১ দলের সমঝোতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি জানিয়েছিলেন, শরিকদের কোনো কোনো দল শরিয়তকে অবজ্ঞা করছে, শরিকদের মধ্যে অনেকেই এমন কিছু কাজ করছে যা ইসলাম ও শরিয়াহ সম্মত না, বরং শরিয়তের সঙ্গে মারাত্মক সাংঘর্ষিক।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ ১১ দল সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে কোন দল কতটি আসনে নির্বাচন করবে এ নিয়ে এখনো সমঝোতায় পৌঁছতে পারেনি দলগুলো। আসন নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের টানাপোড়েন চলছে। এ কারণে নির্বাচনের আর মাত্র এক মাসেরও কম সময় বাকি থাকলেও ১১ দল একক প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি।
সাক্ষাৎকারে সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম ১১ দলের সমঝোতা টিকবে কিনা তা নিয়ে নিজের সংশয় প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘‘আমাদের মুহতারাম আমির, চরমোনাই পীর সাহেব সর্বপ্রথম ইসলামপন্থীদের ভোট এক বাক্সে নিয়ে আসার চিন্তা করেছেন— ‘যে জীবনভরা আমরা ফ্যাসিস্টদের কবলে ছিলাম, ইসলাম কোনোদিন ক্ষমতায় যায় নাই, দেখি ইসলামকে ক্ষমতায় নেওয়া যায় কিনা।’ এইটার চেষ্টা তিনিই করেছেন এবং প্রথম পলিসিটা তাঁর মাথা থেকেই আসছে।’’
এই চেষ্টা কোন পর্যায়ে আছে জানতে চাইলে সেসময় ইসলামী আন্দোলনের এই সিনিয়র নায়েবে আমির স্ট্রিমকে বলেছিলেন, ‘এই চেষ্টা অব্যাহত আছে, জানি না কতক্ষণ টিকে। আমরা ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে চাই। কিন্তু কাউকে, কোনো দলকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য না। এই পলিসিটাকে যদি কোনো দল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সিঁড়ি মনে করে সেটা তো ভুল করবে। মারাত্মক ভুল করবে, যে ভুলের আর সমাধান হবে কিনা আমি জানি না।’
আসন সমঝোতার অন্যতম শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন নিয়ে বিভক্তি থেকেই এই সংশয় প্রকাশ করছেন কিনা জানতে চাইলে সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘আসলে আসন নিয়ে না। আমরা একটা পলিসি অ্যাডাপ্ট করেছি যে ইসলামকে ক্ষমতায় বসাতে চাই, ইসলাম ও শরিয়াহ অনুযায়ী চলতে চাই। সেখানে দেখা যায়, আমাদের শরিকদের মধ্যে অনেকেই এমন কিছু কাজ করতেছে, যেগুলো ইসলাম ও শরিয়াহ সম্মত না এবং শরিয়তের সঙ্গে মারাত্মক সাংঘর্ষিক। শরিয়তকে অবজ্ঞা করে তো আসলে ইসলাম হয় না।’
তিনি বলেন, ‘এখন নারীর অধিকার রক্ষা করতে গিয়া যদি শরিয়ত-কোরআনের বিরুদ্ধে কথা বলে যে আসেন আমরা বৈষম্য দূর করি, তাহলে সমস্যা।’

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় পর্যন্ত নির্বাচনী সমঝোতার বিষয়ে আশাবাদী ইসলামী আন্দোলন। দলটির মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করা যাবে। এর মধ্যে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
সারা দেশের মতো বগুড়া জেলাজুড়ে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। তবে এবারের নির্বাচনে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে বগুড়া-৬ (সদর) আসন। এই আসনে প্রথমবারের মতো প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের শীর্ষ নেতাকে প্রার্থী হিসেবে পেয়ে সদর উপজেলার ৪ লাখ ৪৯ হাজার ১৫২ জন ভোটারের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কোনো নির্বাচনী অফিস বা রাজনৈতিক অফিসে কোনো গুলির ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে দলটি।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ঢাকা -১১ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের খুলনা-৫ আসনে দলীয় প্রার্থী চায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এমন দাবি করেছেন এনসিপি নেতা আরিফুর রহমান তুহিন।
২ ঘণ্টা আগে