স্ট্রিম প্রতিবেদক

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলা তদন্ত শেষ করতে আরও ছয় মাস পেয়েছে বিভিন্ন এজেন্সির অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো সময় পেল টাস্কফোর্স।
রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে রোববার (২৬ এপ্রিল) বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই সময় দেন।
এর আগে আজ তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল শুনানি করেন, সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আখতার হোসেন মো. আবদুল ওয়াহাব। বাদীপক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রিটকারীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
শুনানি শেষে অ্যাটর্নি জেনারেল ও শিশির মনির সাংবাদিকদের কাছে মামলার অগ্রগতি, তদন্তে বাধা এবং দীর্ঘ বিচারহীনতা নিয়ে নিজেদের বক্তব্যে হতাশা তুলে ধরেন।
শুনানি চলাকালে শিশির মনির ও মনজিল মোরসেদ তদন্ত কর্মকর্তাকে সশরীরে তলবের আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে জানান, তদন্ত কর্মকর্তা মামলার একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন এবং পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আরও ৬ মাস চেয়ে আবেদন করেছেন।
দীর্ঘ সময়েও তদন্ত শেষ না হওয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘১৩ বছরেও একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার চার্জশিট দিতে না পারা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।’ মামলাটি তদন্তের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, যখন থানায় মামলা হয়, প্রাথমিকভাবে থানা তদন্ত শুরু করে। থানা এই মামলাটি মাত্র চার দিন তদন্ত করতে পেরেছিল। এরপরে চলে যায় ডিবির কাছে। ডিবি মামলাটি দুই মাস দুদিন তদন্ত করে। ২০১২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলা র্যাবকে তদন্ত করতে দেন আদালত। র্যাব ১২ বছর ৬ মাস ১৫ দিন তদন্ত করেছে।
টাস্কফোর্সের তদন্ত কেন এগোচ্ছে না– প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ফৌজদারি অপরাধের তদন্তে একটি চেইন থাকে, ধারাবাহিকতা থাকে। সেটি রক্ষা করতে পারছেন না টাস্কফোর্সের সদস্যরা। কারণ, ওই সময় যারা প্রাথমিকভাবে তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন, তাদের কাছ থেকে যেসব তথ্য পেয়েছেন, তার কোনো নিয়মতান্ত্রিক হস্তান্তর টাস্কফোর্সের উপরে হচ্ছে না। তারা তথ্যের ক্ষেত্রে কোনো এক্সেস পাচ্ছেন না। এটাই মূল বাধা।
আলামত ও নথিপত্রের বিষয়ে তিনি বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা আমাকে বলেছেন– ‘ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে তার আলামত এবং তৎকালীন সময়ে এমনকি সিডি, যেগুলো মামলার তদন্ত কাজ শেষ করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি, তার কোনো কিছুতে এক্সেস তাদের নেই। যারা জিম্মাদার ছিলেন সে সময়, তাদের কাছে তো তাদের এক্সেস করতে হবে। তারা তো সেই এক্সেসই করতে পারছেন না।
যাদের খোঁজা হচ্ছে, তারা তো দেশেই নেই
টাস্কফোর্সের সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদনের সমালোচনা করে শিশির মনির বলেন, তদন্তের স্বার্থে সাবেক যে মন্ত্রী ও পুলিশ কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলা হচ্ছে, তারা তো দেশেই নেই। তাহলে তাদের পাওয়া পর্যন্ত কি তদন্ত আটকে থাকবে?
তিনি বলেন, তৃতীয়বার টাস্কফোর্স গঠন করার পরে যে সময় নেওয়া হয়েছে, আজ এসে তারা রিপোর্ট দিয়ে বলছেন–অমুক অমুককে জিজ্ঞাসা করতে হবে। যাদের জিজ্ঞাসা করতে হবে, তারা বলছেন তাদের আসলে জিজ্ঞাসা করা সম্ভব না। কারণ তারা নিখোঁজ (মিসিং), দেশে নাই। তাদের খুঁজে পাচ্ছেন না।
সাবেক কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে শিশির মনির বলেন, তারা তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, র্যাব ডিজির সঙ্গে কথা বলতে চান। তৎকালীন এক বিখ্যাত সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলতে চান। এই যে কথা বলতে চান, তারা তো মিসিং, বাংলাদেশের সীমানার মধ্যেই নাই। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এসব ব্যক্তিদের পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা আমি দেখছি না।
টাস্কফোর্স এখনো হত্যাকাণ্ডের মোটিভ বের করতে পারেনি জানিয়ে তিনি বলেন, চার-পাঁচ জায়গায় তারা (টাস্কফোর্স) কতগুলো ‘না’ বলেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– তারা এখনো মোটিভ খুঁজে পাননি, ক্লু পাননি। কেন তাদের হত্যা করা হলো? দাম্পত্য কলহ? বলছেন, না। ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব? বলছেন, না। পেশাজীবী কোনো কাজ? বলছেন, না। জমিজমার কোনো বিষয়? বলছেন, না। তাহলে হ্যাঁ কী?
শিশির মনির বলেন, টাস্কফোর্সে অত্যন্ত দক্ষ সব অফিসার। তারা সবাই মিলে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন। কেউই তা উদ্ঘাটন করতে পারছেন না। তাহলে বিষয়টা কী? এমনি মরে গেছেন তাঁরা? একজন আরেকজনকে বেঁধে মেরেছেন? একজন তো হাত-পা বাঁধা ছিলেন। কে কাকে বেঁধেছেন? কারা বেঁধেছে?
তিনি আরও বলেন, এই মামলাটি ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমের জন্য লজ্জাজনক ব্যাপার। আমাদের দেশের অপরিপক্বতা, তদন্ত সংস্থার অদক্ষতা অথবা পলিটিক্যাল ইনফ্লুয়েন্স— যে কারণকেই আমরা দায়ী করি না কেন, ফ্যাক্ট হলো এই রহস্য উদ্ঘাটন আজও তারা করতে পারেনি।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় নৃশংসভাবে খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরে রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।
দীর্ঘদিনেও হত্যাকাণ্ডের কিনারা না পাওয়ায় গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত থেকে র্যাবকে বাদ দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর ২৮ অক্টোবর পিবিআই প্রধানকে প্রধান করে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।
হাইকোর্টের আদেশের পর দুবার ( ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল ও ২৩ অক্টোবর) অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়। সর্বশেষ আজ তৃতীয়বারের মতো অগ্রগতি প্রতিবেদন দিল টাস্কফোর্স।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলা তদন্ত শেষ করতে আরও ছয় মাস পেয়েছে বিভিন্ন এজেন্সির অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো সময় পেল টাস্কফোর্স।
রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে রোববার (২৬ এপ্রিল) বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই সময় দেন।
এর আগে আজ তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল শুনানি করেন, সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আখতার হোসেন মো. আবদুল ওয়াহাব। বাদীপক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রিটকারীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
শুনানি শেষে অ্যাটর্নি জেনারেল ও শিশির মনির সাংবাদিকদের কাছে মামলার অগ্রগতি, তদন্তে বাধা এবং দীর্ঘ বিচারহীনতা নিয়ে নিজেদের বক্তব্যে হতাশা তুলে ধরেন।
শুনানি চলাকালে শিশির মনির ও মনজিল মোরসেদ তদন্ত কর্মকর্তাকে সশরীরে তলবের আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে জানান, তদন্ত কর্মকর্তা মামলার একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন এবং পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আরও ৬ মাস চেয়ে আবেদন করেছেন।
দীর্ঘ সময়েও তদন্ত শেষ না হওয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘১৩ বছরেও একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার চার্জশিট দিতে না পারা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।’ মামলাটি তদন্তের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, যখন থানায় মামলা হয়, প্রাথমিকভাবে থানা তদন্ত শুরু করে। থানা এই মামলাটি মাত্র চার দিন তদন্ত করতে পেরেছিল। এরপরে চলে যায় ডিবির কাছে। ডিবি মামলাটি দুই মাস দুদিন তদন্ত করে। ২০১২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলা র্যাবকে তদন্ত করতে দেন আদালত। র্যাব ১২ বছর ৬ মাস ১৫ দিন তদন্ত করেছে।
টাস্কফোর্সের তদন্ত কেন এগোচ্ছে না– প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ফৌজদারি অপরাধের তদন্তে একটি চেইন থাকে, ধারাবাহিকতা থাকে। সেটি রক্ষা করতে পারছেন না টাস্কফোর্সের সদস্যরা। কারণ, ওই সময় যারা প্রাথমিকভাবে তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন, তাদের কাছ থেকে যেসব তথ্য পেয়েছেন, তার কোনো নিয়মতান্ত্রিক হস্তান্তর টাস্কফোর্সের উপরে হচ্ছে না। তারা তথ্যের ক্ষেত্রে কোনো এক্সেস পাচ্ছেন না। এটাই মূল বাধা।
আলামত ও নথিপত্রের বিষয়ে তিনি বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা আমাকে বলেছেন– ‘ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে তার আলামত এবং তৎকালীন সময়ে এমনকি সিডি, যেগুলো মামলার তদন্ত কাজ শেষ করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি, তার কোনো কিছুতে এক্সেস তাদের নেই। যারা জিম্মাদার ছিলেন সে সময়, তাদের কাছে তো তাদের এক্সেস করতে হবে। তারা তো সেই এক্সেসই করতে পারছেন না।
যাদের খোঁজা হচ্ছে, তারা তো দেশেই নেই
টাস্কফোর্সের সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদনের সমালোচনা করে শিশির মনির বলেন, তদন্তের স্বার্থে সাবেক যে মন্ত্রী ও পুলিশ কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলা হচ্ছে, তারা তো দেশেই নেই। তাহলে তাদের পাওয়া পর্যন্ত কি তদন্ত আটকে থাকবে?
তিনি বলেন, তৃতীয়বার টাস্কফোর্স গঠন করার পরে যে সময় নেওয়া হয়েছে, আজ এসে তারা রিপোর্ট দিয়ে বলছেন–অমুক অমুককে জিজ্ঞাসা করতে হবে। যাদের জিজ্ঞাসা করতে হবে, তারা বলছেন তাদের আসলে জিজ্ঞাসা করা সম্ভব না। কারণ তারা নিখোঁজ (মিসিং), দেশে নাই। তাদের খুঁজে পাচ্ছেন না।
সাবেক কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে শিশির মনির বলেন, তারা তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, র্যাব ডিজির সঙ্গে কথা বলতে চান। তৎকালীন এক বিখ্যাত সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলতে চান। এই যে কথা বলতে চান, তারা তো মিসিং, বাংলাদেশের সীমানার মধ্যেই নাই। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এসব ব্যক্তিদের পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা আমি দেখছি না।
টাস্কফোর্স এখনো হত্যাকাণ্ডের মোটিভ বের করতে পারেনি জানিয়ে তিনি বলেন, চার-পাঁচ জায়গায় তারা (টাস্কফোর্স) কতগুলো ‘না’ বলেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– তারা এখনো মোটিভ খুঁজে পাননি, ক্লু পাননি। কেন তাদের হত্যা করা হলো? দাম্পত্য কলহ? বলছেন, না। ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব? বলছেন, না। পেশাজীবী কোনো কাজ? বলছেন, না। জমিজমার কোনো বিষয়? বলছেন, না। তাহলে হ্যাঁ কী?
শিশির মনির বলেন, টাস্কফোর্সে অত্যন্ত দক্ষ সব অফিসার। তারা সবাই মিলে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন। কেউই তা উদ্ঘাটন করতে পারছেন না। তাহলে বিষয়টা কী? এমনি মরে গেছেন তাঁরা? একজন আরেকজনকে বেঁধে মেরেছেন? একজন তো হাত-পা বাঁধা ছিলেন। কে কাকে বেঁধেছেন? কারা বেঁধেছে?
তিনি আরও বলেন, এই মামলাটি ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমের জন্য লজ্জাজনক ব্যাপার। আমাদের দেশের অপরিপক্বতা, তদন্ত সংস্থার অদক্ষতা অথবা পলিটিক্যাল ইনফ্লুয়েন্স— যে কারণকেই আমরা দায়ী করি না কেন, ফ্যাক্ট হলো এই রহস্য উদ্ঘাটন আজও তারা করতে পারেনি।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় নৃশংসভাবে খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরে রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।
দীর্ঘদিনেও হত্যাকাণ্ডের কিনারা না পাওয়ায় গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত থেকে র্যাবকে বাদ দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর ২৮ অক্টোবর পিবিআই প্রধানকে প্রধান করে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।
হাইকোর্টের আদেশের পর দুবার ( ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল ও ২৩ অক্টোবর) অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়। সর্বশেষ আজ তৃতীয়বারের মতো অগ্রগতি প্রতিবেদন দিল টাস্কফোর্স।

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে গোলাবারুদ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) বিশেষ টহলদল এই অভিযান পরিচালনা করে।
৩ মিনিট আগে
বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলার আসামি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা লাভলু মোল্লাহ শিশিরকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
৭ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এতে ইসহাক সরকারকে আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিব পদে এস. এম. শাহরিয়ারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য আরোপিত জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১ ঘণ্টা আগে