পতিত জমিতে চাষাবাদের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ২৪
জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

সরকার পতিত জমি চিহ্নিত করে চাষাবাদের উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রবিউল আউয়ালের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পতিত জমি আবাদের আওতায় আনা এবং জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য ক্রপ জোনিং পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট অঞ্চলের মাটিতে আবহাওয়া ও পরিবেশগত উপযোগী ফসল নির্ধারণ করা হয়। ফলে জমির অপচয় কমে এবং ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। একই সঙ্গে পতিত জমি চিহ্নিত করে সেগুলোকে আবাদের আওতায় আনার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। যেমন খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে ভূউপরস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে পতিত জমি আবার চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও সিলেট অঞ্চলের পতিত জমিসহ চর অঞ্চলের পতিত জমি চাষের আওতায় আনার জন্য বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।

তারেক রহমান বলেন, কৃষি পণ্যের বহুমুখীকরণ সরকার বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এক সময় ধাননির্ভর কৃষি ব্যবস্থা এখন ধীরে ধীরে ফল, সবজি, ডাল, তেল‌বীজ, মসলা, ফুল চাষ খাতে সম্প্রসারণের জন্য সরকার বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। কৃষকদের জন্য প্রণোদনা এবং সহায়তা কার্যক্রম স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার জন্য কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের বীজ, সার, কৃষিযন্ত্র ক্রয়সহ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি প্রদান করা হবে। এ ছাড়া, কৃষকদের জন্য স্বল্প সুদের কৃষিঋণ এবং ফসল বীমা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের জন্যও বিশেষ সহায়তা কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের কল্যাণে প্রতি অর্থবছর কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেটের ‘কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা’ খাতে অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতে ৭ শত কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। উক্ত বরাদ্দ হতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ, সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ বাবদ ৪ শত ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ছাড় করা হয়েছে।

সম্পর্কিত