স্ট্রিম প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, অনিয়ম ও পরিবারতন্ত্রের কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেছেন, ব্যাংক খাতে সুশাসন ফেরাতে মৌলিক সংস্কার আনা হচ্ছে। পরিবারতন্ত্রের লাগাম টানা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন ও হস্তক্ষেপের ক্ষমতা বাড়ানোসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। সভার বিষয় ছিল ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা’।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ব্যাংক খাতের বর্তমান অবস্থার জন্য দায়ী শাসন ব্যবস্থার ব্যর্থতা। গত এক যুগে ব্যাংক খাতে বিভিন্ন পরিবারের দখল ও লুটপাট চলেছে। তাদের মদদ দিয়েছে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাশালীরা। এতে ব্যাংক খাত থেকে প্রায় ২০-২৫ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বেরিয়ে গেছে। এর একটি বড় অংশ সম্ভবত বিদেশে পাচার হয়েছে।’
ইতিমধ্যেই ১৪টি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিবারতন্ত্রের অবসান ঘটাতে ব্যাংক পরিচালনায় মৌলিক সংস্কার আনা হচ্ছে। এখন থেকে কোনো ব্যক্তি বা পরিবার কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি মালিকানা রাখতে পারবে না। পর্ষদে মালিক পক্ষের প্রতিনিধি ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। বাকি অর্ধেক পরিচালক নিয়োগ দিতে হবে আর্থিক খাতের পেশাদারদের মধ্য থেকে। পরিচালনা পর্ষদে কেউ দুই মেয়াদে সর্বোচ্চ ৬ বছরের বেশি থাকতে পারবেন না।’
এ ছাড়া ভুয়া সম্পদ দেখিয়ে ঋণ নেওয়া বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা, খারাপ ঋণের ব্যবস্থাপনার জন্য অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা বাড়াতে ‘ব্যাংক রেজোলিউশন অধ্যাদেশ’ জারির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে গভর্নর জানান।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ব্যাংক খাতে সুশাসন ফেরাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা জরুরি। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা কাটাতে এই স্বায়ত্তশাসন অপরিহার্য। স্বায়ত্তশাসন থাকলেই রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে নীতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব।’
তিনি জানান, কোনো ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল যেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে না পারে, সেজন্য একটি স্বাধীন নিয়োগ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা থেকে কাউকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের অন্তত তিনটি বেঞ্চের পর্যালোচনা ও রায়ের নিয়ম করা হবে। আদালতের রায় ছাড়া কাউকে হুটহাট সরিয়ে দেওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের জন্য সিভিল সার্ভিস থেকে আলাদা বেতন কাঠামো তৈরি করতে হবে। ব্যাংকারদের বেতন বাড়াতে হবে যেন তাঁরা দুর্নীতি না করেন। ভালো বেতন-ভাতা ছাড়া মেধাবী ও সৎ ব্যক্তিদের ব্যাংক পেশায় আকৃষ্ট করা যাবে না।’
আহসান এইচ মনসুর জানান, ঋণখেলাপির শতভাগ কাভারেজ না হলে কোনো ব্যাংক লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড) ঘোষণা করতে পারবে না। দুর্বল ব্যাংক কোনোভাবেই ডিভিডেন্ড দিতে পারবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশে এবং পরবর্তী বছরের মার্চে ২৫ শতাংশে নামানোর কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো ব্যাংক লোকসান করলে কর্মীদের বোনাস দিতে পারবে না। কারণ একটি ব্যাংকের পতনের পেছনে শুধু মালিকদের নয়, ব্যাংকারদেরও দায় থাকে।’
ব্যাংকের সংখ্যা কমানো জরুরি মন্তব্য করে আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘দেশে বর্তমানে ৬১টি ব্যাংক রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি। বাস্তবতা বিবেচনায় বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট। ব্যাংকের সংখ্যা কমানো গেলে সুশাসন নিশ্চিত করা সহজ হবে। সরকারের পরিকল্পনা হলো, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে দুটি রেখে বাকিগুলো একীভূত করা।’
তিনি আরও জানান, উন্নত দেশগুলোর মতো একটি ‘ব্যাংক রেজোলিউশন ফান্ড’ গঠনের কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই তহবিলে ৩০ থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এতে কোনো ব্যাংক দেউলিয়া হলে সরকারের সহায়তা ছাড়াই কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাকে রক্ষা করতে পারবে।
আগামী ১০ বছরের মধ্যে ক্যাশলেস সমাজ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে জানিয়ে গভর্নর বলেন, ‘আর্থিক লেনদেন পুরোপুরি ডিজিটাল করা গেলে ব্যাংক ব্যবস্থাপনার খরচ অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকা কমানো যাবে। এতে বছরে দেড় থেকে দুই লাখ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় সম্ভব। কারণ রাজস্ব ফাঁকির প্রধান মাধ্যম হলো নগদ লেনদেন।’
বাংলাদেশের আর্থিক খাত এখনো পুরোপুরি বিকশিত হয়নি উল্লেখ করে আহসান মনসুর বলেন, ‘উন্নত দেশগুলোতে আর্থিক খাতে প্রধানত বন্ড মার্কেট, স্টক মার্কেট, ব্যাংক ও ইনস্যুরেন্স খাত থাকে। সেসব দেশে বন্ড থাকে এক নম্বরে আর ব্যাংক থাকে তিন নম্বরে। কিন্তু আমাদের এখানে বন্ড ও ইনস্যুরেন্স খাত গড়ে ওঠেনি। ফলে সব আর্থিক কর্মকাণ্ডের চাপ গিয়ে পড়ে ব্যাংকের ওপর।’
তিনি বলেন, ‘উন্নত দেশগুলোতে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে বন্ড মার্কেট বড় ভূমিকা রাখে। আমাদের এখানে ব্যাংক সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদে ঋণ দেয়। ফলে আমরা বড় উন্নয়নে যেতে পারছি না। এই ভারসাম্যহীনতা দূর করতে না পারলে ব্যাংক খাত শক্তিশালী হবে না।’

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, অনিয়ম ও পরিবারতন্ত্রের কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেছেন, ব্যাংক খাতে সুশাসন ফেরাতে মৌলিক সংস্কার আনা হচ্ছে। পরিবারতন্ত্রের লাগাম টানা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন ও হস্তক্ষেপের ক্ষমতা বাড়ানোসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। সভার বিষয় ছিল ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা’।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ব্যাংক খাতের বর্তমান অবস্থার জন্য দায়ী শাসন ব্যবস্থার ব্যর্থতা। গত এক যুগে ব্যাংক খাতে বিভিন্ন পরিবারের দখল ও লুটপাট চলেছে। তাদের মদদ দিয়েছে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাশালীরা। এতে ব্যাংক খাত থেকে প্রায় ২০-২৫ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বেরিয়ে গেছে। এর একটি বড় অংশ সম্ভবত বিদেশে পাচার হয়েছে।’
ইতিমধ্যেই ১৪টি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিবারতন্ত্রের অবসান ঘটাতে ব্যাংক পরিচালনায় মৌলিক সংস্কার আনা হচ্ছে। এখন থেকে কোনো ব্যক্তি বা পরিবার কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি মালিকানা রাখতে পারবে না। পর্ষদে মালিক পক্ষের প্রতিনিধি ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। বাকি অর্ধেক পরিচালক নিয়োগ দিতে হবে আর্থিক খাতের পেশাদারদের মধ্য থেকে। পরিচালনা পর্ষদে কেউ দুই মেয়াদে সর্বোচ্চ ৬ বছরের বেশি থাকতে পারবেন না।’
এ ছাড়া ভুয়া সম্পদ দেখিয়ে ঋণ নেওয়া বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা, খারাপ ঋণের ব্যবস্থাপনার জন্য অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা বাড়াতে ‘ব্যাংক রেজোলিউশন অধ্যাদেশ’ জারির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে গভর্নর জানান।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ব্যাংক খাতে সুশাসন ফেরাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা জরুরি। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা কাটাতে এই স্বায়ত্তশাসন অপরিহার্য। স্বায়ত্তশাসন থাকলেই রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে নীতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব।’
তিনি জানান, কোনো ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল যেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে না পারে, সেজন্য একটি স্বাধীন নিয়োগ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা থেকে কাউকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের অন্তত তিনটি বেঞ্চের পর্যালোচনা ও রায়ের নিয়ম করা হবে। আদালতের রায় ছাড়া কাউকে হুটহাট সরিয়ে দেওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের জন্য সিভিল সার্ভিস থেকে আলাদা বেতন কাঠামো তৈরি করতে হবে। ব্যাংকারদের বেতন বাড়াতে হবে যেন তাঁরা দুর্নীতি না করেন। ভালো বেতন-ভাতা ছাড়া মেধাবী ও সৎ ব্যক্তিদের ব্যাংক পেশায় আকৃষ্ট করা যাবে না।’
আহসান এইচ মনসুর জানান, ঋণখেলাপির শতভাগ কাভারেজ না হলে কোনো ব্যাংক লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড) ঘোষণা করতে পারবে না। দুর্বল ব্যাংক কোনোভাবেই ডিভিডেন্ড দিতে পারবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশে এবং পরবর্তী বছরের মার্চে ২৫ শতাংশে নামানোর কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো ব্যাংক লোকসান করলে কর্মীদের বোনাস দিতে পারবে না। কারণ একটি ব্যাংকের পতনের পেছনে শুধু মালিকদের নয়, ব্যাংকারদেরও দায় থাকে।’
ব্যাংকের সংখ্যা কমানো জরুরি মন্তব্য করে আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘দেশে বর্তমানে ৬১টি ব্যাংক রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি। বাস্তবতা বিবেচনায় বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট। ব্যাংকের সংখ্যা কমানো গেলে সুশাসন নিশ্চিত করা সহজ হবে। সরকারের পরিকল্পনা হলো, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে দুটি রেখে বাকিগুলো একীভূত করা।’
তিনি আরও জানান, উন্নত দেশগুলোর মতো একটি ‘ব্যাংক রেজোলিউশন ফান্ড’ গঠনের কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই তহবিলে ৩০ থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এতে কোনো ব্যাংক দেউলিয়া হলে সরকারের সহায়তা ছাড়াই কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাকে রক্ষা করতে পারবে।
আগামী ১০ বছরের মধ্যে ক্যাশলেস সমাজ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে জানিয়ে গভর্নর বলেন, ‘আর্থিক লেনদেন পুরোপুরি ডিজিটাল করা গেলে ব্যাংক ব্যবস্থাপনার খরচ অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকা কমানো যাবে। এতে বছরে দেড় থেকে দুই লাখ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় সম্ভব। কারণ রাজস্ব ফাঁকির প্রধান মাধ্যম হলো নগদ লেনদেন।’
বাংলাদেশের আর্থিক খাত এখনো পুরোপুরি বিকশিত হয়নি উল্লেখ করে আহসান মনসুর বলেন, ‘উন্নত দেশগুলোতে আর্থিক খাতে প্রধানত বন্ড মার্কেট, স্টক মার্কেট, ব্যাংক ও ইনস্যুরেন্স খাত থাকে। সেসব দেশে বন্ড থাকে এক নম্বরে আর ব্যাংক থাকে তিন নম্বরে। কিন্তু আমাদের এখানে বন্ড ও ইনস্যুরেন্স খাত গড়ে ওঠেনি। ফলে সব আর্থিক কর্মকাণ্ডের চাপ গিয়ে পড়ে ব্যাংকের ওপর।’
তিনি বলেন, ‘উন্নত দেশগুলোতে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে বন্ড মার্কেট বড় ভূমিকা রাখে। আমাদের এখানে ব্যাংক সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদে ঋণ দেয়। ফলে আমরা বড় উন্নয়নে যেতে পারছি না। এই ভারসাম্যহীনতা দূর করতে না পারলে ব্যাংক খাত শক্তিশালী হবে না।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি এম হাফিজ উদ্দিন খান বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে মারা গেছেন ( (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
৪১ মিনিট আগে
নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১ ঘণ্টা আগে
বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভুয়া সনদের মাধ্যমে ক্যাডার পদে নিয়োগের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ৬টি মামলার অনুমোদন দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
সরকারি কর্মচারীদের জন্য গঠিত নবম জাতীয় বেতন কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এতে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে বর্তমান কাঠামোর ২০টি স্কেলে বেতন বাড়বে ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত।
২ ঘণ্টা আগে