স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই দাম বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি)। এর পাশাপাশি বিদ্যুতের সঞ্চালন মাশুল বা ট্রান্সমিশন চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আগামী ২০ ও ২১ মে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বুধবার (৬ মে) এ-সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দামে পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। বিতরণ কোম্পানিগুলোর মূল্যহার পরিবর্তনের প্রস্তাবও কমিশনের কার্যক্রমে রয়েছে। এর আগে বিদ্যুৎ বিভাগের নীতিগত অনুমোদনের পর পিডিবি পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব বিইআরসির কাছে জমা দেয়। একই সাথে আনুপাতিক হারে খুচরা পর্যায়ে দাম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো নিজ নিজ প্রস্তাব কমিশনে জমা দিয়েছে।
বিইআরসি সূত্র জানায়, কমিশনের কারিগরি কমিটি প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই শুরু করেছে। এই কমিটির সুপারিশ ও সব সংস্থার প্রস্তাব নিয়ে অংশীজনদের অংশগ্রহণে ২০ ও ২১ মে গণশুনানি হবে। এরপর দাম বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে বিইআরসি।
বিইআরসির গণবিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে পিডিবি। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) ও নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সঞ্চালন লাইনের মূল্যহার পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে।
বিইআরসি বলছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ট্যারিফ প্রবিধানমালা ২০০৮, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ট্যারিফ প্রবিধানমালা ২০১৬ এবং বিদ্যুৎ বিতরণ খুচরা ট্যারিফ প্রবিধানমালা ২০১৬ অনুযায়ী প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে গণশুনানি করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যমতে, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় খুচরা মূল্য ৮ টাকা ৯৫ পয়সা এবং পাইকারি মূল্য ৭ টাকা ৪ পয়সা। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল।
দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত দামে বিদ্যুৎ কিনে নেয় পিডিবি। এরপর উৎপাদন খরচের চেয়ে কিছুটা কম দামে তা পাইকারি হিসেবে ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করে। বিতরণ সংস্থাগুলো খুচরা দামে ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করে মুনাফা করে। অন্যদিকে সরকারের কাছ থেকে ভর্তুকি নিয়ে ঘাটতি মেটায় পিডিবি।
বিইআরসি সূত্র জানায়, এবার পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে পিডিবি। বছরে প্রায় ৯ হাজার কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে সংস্থাটি। ফলে পাইকারিতে ইউনিটে দেড় টাকা বাড়লে পিডিবির বছরে সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা বেশি আয় হবে।
পাইকারির এই বৃদ্ধির সাথে সমন্বয় করে আনুপাতিক হারে খুচরা পর্যায়েও দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিতরণ কোম্পানিগুলো। প্রস্তাব অনুযায়ী, সাধারণ গ্রাহকদের ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন হারে দাম সমন্বয় করা হবে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে প্রায় ৭০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৩৮ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে। দেশে বর্তমানে থাকা প্রায় ৫ কোটি বিদ্যুৎ গ্রাহকের মধ্যে ৬৩ শতাংশই স্বল্প ব্যবহারকারী (৭৫ ইউনিট পর্যন্ত)। আর পিজিসিবি সঞ্চালন চার্জ প্রতি ইউনিটে ১৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে।

বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই দাম বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি)। এর পাশাপাশি বিদ্যুতের সঞ্চালন মাশুল বা ট্রান্সমিশন চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আগামী ২০ ও ২১ মে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বুধবার (৬ মে) এ-সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দামে পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। বিতরণ কোম্পানিগুলোর মূল্যহার পরিবর্তনের প্রস্তাবও কমিশনের কার্যক্রমে রয়েছে। এর আগে বিদ্যুৎ বিভাগের নীতিগত অনুমোদনের পর পিডিবি পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব বিইআরসির কাছে জমা দেয়। একই সাথে আনুপাতিক হারে খুচরা পর্যায়ে দাম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো নিজ নিজ প্রস্তাব কমিশনে জমা দিয়েছে।
বিইআরসি সূত্র জানায়, কমিশনের কারিগরি কমিটি প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই শুরু করেছে। এই কমিটির সুপারিশ ও সব সংস্থার প্রস্তাব নিয়ে অংশীজনদের অংশগ্রহণে ২০ ও ২১ মে গণশুনানি হবে। এরপর দাম বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে বিইআরসি।
বিইআরসির গণবিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে পিডিবি। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) ও নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সঞ্চালন লাইনের মূল্যহার পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে।
বিইআরসি বলছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ট্যারিফ প্রবিধানমালা ২০০৮, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ট্যারিফ প্রবিধানমালা ২০১৬ এবং বিদ্যুৎ বিতরণ খুচরা ট্যারিফ প্রবিধানমালা ২০১৬ অনুযায়ী প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে গণশুনানি করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যমতে, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় খুচরা মূল্য ৮ টাকা ৯৫ পয়সা এবং পাইকারি মূল্য ৭ টাকা ৪ পয়সা। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল।
দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত দামে বিদ্যুৎ কিনে নেয় পিডিবি। এরপর উৎপাদন খরচের চেয়ে কিছুটা কম দামে তা পাইকারি হিসেবে ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করে। বিতরণ সংস্থাগুলো খুচরা দামে ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করে মুনাফা করে। অন্যদিকে সরকারের কাছ থেকে ভর্তুকি নিয়ে ঘাটতি মেটায় পিডিবি।
বিইআরসি সূত্র জানায়, এবার পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে পিডিবি। বছরে প্রায় ৯ হাজার কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে সংস্থাটি। ফলে পাইকারিতে ইউনিটে দেড় টাকা বাড়লে পিডিবির বছরে সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা বেশি আয় হবে।
পাইকারির এই বৃদ্ধির সাথে সমন্বয় করে আনুপাতিক হারে খুচরা পর্যায়েও দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিতরণ কোম্পানিগুলো। প্রস্তাব অনুযায়ী, সাধারণ গ্রাহকদের ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন হারে দাম সমন্বয় করা হবে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে প্রায় ৭০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৩৮ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে। দেশে বর্তমানে থাকা প্রায় ৫ কোটি বিদ্যুৎ গ্রাহকের মধ্যে ৬৩ শতাংশই স্বল্প ব্যবহারকারী (৭৫ ইউনিট পর্যন্ত)। আর পিজিসিবি সঞ্চালন চার্জ প্রতি ইউনিটে ১৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে।
.png)

‘সমকামিতার’ অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ মুজিবুর রহমান হলের দুই আবাসিক শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে হল প্রশাসন। তদন্ত কমিটির সুপারিশে তাদের আবাসিক সিটও বাতিল করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
২ ঘণ্টা আগে
জ্ঞান, মনন ও সৃজনশীলতার বিকাশে প্রতি মঙ্গলবার ‘চিলড্রেন ডে’ পালনের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ। এ উপলক্ষে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি মঙ্গলবার বিনামূল্যে জাদুঘর পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ওয়ালেটে টাকা পাঠাতে পারবেন। আগামী ১ নভেম্বর থেকে এ ব্যবস্থা চালু হবে।
৩ ঘণ্টা আগে