স্ট্রিম প্রতিবেদক

মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশে ১ লাখের মতো মুক্তিযোদ্ধা থাকলেও এখন সেটা আড়াই লাখ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, ‘গেল সরকারের সময় ১৬ জন সচিব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। তাদের ভাতা বাতিল করা হয়েছে।’
সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এর আগে জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে তার। এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনও তার পাশে ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ১ লাখ। তা এখন হয়ে গেছে আড়াই লাখ। তো বিরাট সংখ্যক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। এমনকি বিগত সরকারের সময় ১৬ জন সচিব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন এবং তাদের মুক্তিযোদ্ধা ভাতা বাতিল করা হয়েছে।’
‘বর্তমানে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, যা দেশের বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত, তারা এই তালিকা যাচাই-বাছাই করছে। এরই মধ্যে ৩০০ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এটি একটি কনস্ট্যান্ট (অব্যাহত) প্রক্রিয়া। আমরা আশা করি, মুক্তিযুদ্ধের সব বেনিফিট (সুবিধা) যাতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা পান, সে ব্যাপারে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করব। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ধীরে ধীরে, পর্যায়ক্রমে বাদ দেওয়া হবে,’ যোগ করেন তিনি।
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় যারা ছিলেন, তাদের অনেকেই বিভিন্নভাবে সুবিধা পেয়েছেন। সেই সুবিধা বাতিলের কোনো সুযোগ থাকবে কিনা—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করব, যারা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হয়ে অন্যায়ভাবে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন, সেগুলো পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।’
জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বিগ্ন জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (প্রধানমন্ত্রী) জানতে চেয়েছেন এখন পর্যন্ত কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার ও আমরা এসে যাচাই-বাছাই করেছি কারা প্রকৃত আহত। তাদের গেজেট করা হয়েছে। এরই মধ্যে তাদের ভাতা দেওয়া শুরু হয়েছে।’
‘যারা ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’—এই তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে। যারা গুরুতরভাবে আহত, সেই অনুসারে এই ক্যাটাগরাইজ (শ্রেণিতে বিভক্ত) করা হয়েছে। প্রত্যেক শহীদ পরিবারকে ৩০ লাখ টাকা সঞ্চয়পত্র দেওয়া হয়েছে। আর যারা জীবিত আছেন, তাদের মধ্যে ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’—এই তিনটি শ্রেণিতে মাসিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। ‘ক’ শ্রেণি পায় ২০ হাজার টাকা, ‘খ’ শ্রেণি পায় ১৫ হাজার টাকা এবং ‘গ’ শ্রেণি পায় ১০ হাজার টাকা।’
মন্ত্রী বলেন, ‘এভাবে জুলাইতে যারা এই সংগ্রামে আহত বা শহীদ হয়েছেন, তাদের পরিবারকে লুক আফটার (দেখভাল) করার জন্য একটি অধিদপ্তর করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সেটি হলো ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি ফাউন্ডেশন’। এর মাধ্যমে আমরা সিস্টেমেটিক্যালি জুলাইতে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনের জন্য কয়েকটি স্কিম নিয়েছি। আমরা দেখেছি, জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে যাদের ছেলেমেয়েরা বা শহীদ পরিবারের ছেলেমেয়েরা লুকড আফটার (দেখভাল করা) হয় না, তাদের অনেকেই স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে। তাদেরকে আমরা আবার শিক্ষা ভাতা দিয়ে স্কুলে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করব।’
‘এছাড়াও যারা ছোট ছোট ব্যবসা করতেন এবং হাত-পা চলে গেছে বা যথেষ্ট কর্মক্ষম নন, তারা যাতে কিছু খেয়ে-দেয়ে জীবন কিছুটা সুখময় করতে পারেন কিংবা স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে বেঁচে থাকতে পারেন, সেজন্য তাদের জন্য ছোট ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা যায় কি না—এ ব্যাপারে তাদের সঙ্গে আমরা বৈঠক করছি। তাদের পুনর্বাসনের জন্য আমরা উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করব। আমাদের সরকার জুলাইতে যারা আহত বা শহীদ হয়েছেন, সেই পরিবারগুলোর কল্যাণে খুবই কনসার্নড এবং এ ব্যাপারে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। মোটামুটি এই তো, আর কিছু নয়।’
জুলাই আহতদের পুনর্বাসনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘যার বাবা মারা গেছে, সে ছেলে যেন একেবারেই স্কুল থেকে ঝরে গিয়ে অশিক্ষিত না হয়—তার শিক্ষার ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়েছেন। আর পুনর্বাসনের বিষয়েও তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। যেমন ধরুন, কারও হাত বা পা নেই কিন্তু মোটামুটি কর্মক্ষম—তাদের কী ধরনের প্রজেক্ট দিলে আমরা বিআরডিবি বা অন্যান্য সংস্থার মাধ্যমে সহায়তা করতে পারি, যাতে তারা মোটামুটি সচ্ছলভাবে সংসার পরিচালনা করতে পারে—সেজন্য তিনি (প্রধানমন্ত্রী) সাজেশন দিয়েছেন।’

মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশে ১ লাখের মতো মুক্তিযোদ্ধা থাকলেও এখন সেটা আড়াই লাখ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, ‘গেল সরকারের সময় ১৬ জন সচিব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। তাদের ভাতা বাতিল করা হয়েছে।’
সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এর আগে জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে তার। এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনও তার পাশে ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ১ লাখ। তা এখন হয়ে গেছে আড়াই লাখ। তো বিরাট সংখ্যক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। এমনকি বিগত সরকারের সময় ১৬ জন সচিব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন এবং তাদের মুক্তিযোদ্ধা ভাতা বাতিল করা হয়েছে।’
‘বর্তমানে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, যা দেশের বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত, তারা এই তালিকা যাচাই-বাছাই করছে। এরই মধ্যে ৩০০ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এটি একটি কনস্ট্যান্ট (অব্যাহত) প্রক্রিয়া। আমরা আশা করি, মুক্তিযুদ্ধের সব বেনিফিট (সুবিধা) যাতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা পান, সে ব্যাপারে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করব। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ধীরে ধীরে, পর্যায়ক্রমে বাদ দেওয়া হবে,’ যোগ করেন তিনি।
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় যারা ছিলেন, তাদের অনেকেই বিভিন্নভাবে সুবিধা পেয়েছেন। সেই সুবিধা বাতিলের কোনো সুযোগ থাকবে কিনা—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করব, যারা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হয়ে অন্যায়ভাবে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন, সেগুলো পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।’
জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বিগ্ন জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (প্রধানমন্ত্রী) জানতে চেয়েছেন এখন পর্যন্ত কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার ও আমরা এসে যাচাই-বাছাই করেছি কারা প্রকৃত আহত। তাদের গেজেট করা হয়েছে। এরই মধ্যে তাদের ভাতা দেওয়া শুরু হয়েছে।’
‘যারা ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’—এই তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে। যারা গুরুতরভাবে আহত, সেই অনুসারে এই ক্যাটাগরাইজ (শ্রেণিতে বিভক্ত) করা হয়েছে। প্রত্যেক শহীদ পরিবারকে ৩০ লাখ টাকা সঞ্চয়পত্র দেওয়া হয়েছে। আর যারা জীবিত আছেন, তাদের মধ্যে ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’—এই তিনটি শ্রেণিতে মাসিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। ‘ক’ শ্রেণি পায় ২০ হাজার টাকা, ‘খ’ শ্রেণি পায় ১৫ হাজার টাকা এবং ‘গ’ শ্রেণি পায় ১০ হাজার টাকা।’
মন্ত্রী বলেন, ‘এভাবে জুলাইতে যারা এই সংগ্রামে আহত বা শহীদ হয়েছেন, তাদের পরিবারকে লুক আফটার (দেখভাল) করার জন্য একটি অধিদপ্তর করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সেটি হলো ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি ফাউন্ডেশন’। এর মাধ্যমে আমরা সিস্টেমেটিক্যালি জুলাইতে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনের জন্য কয়েকটি স্কিম নিয়েছি। আমরা দেখেছি, জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে যাদের ছেলেমেয়েরা বা শহীদ পরিবারের ছেলেমেয়েরা লুকড আফটার (দেখভাল করা) হয় না, তাদের অনেকেই স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে। তাদেরকে আমরা আবার শিক্ষা ভাতা দিয়ে স্কুলে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করব।’
‘এছাড়াও যারা ছোট ছোট ব্যবসা করতেন এবং হাত-পা চলে গেছে বা যথেষ্ট কর্মক্ষম নন, তারা যাতে কিছু খেয়ে-দেয়ে জীবন কিছুটা সুখময় করতে পারেন কিংবা স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে বেঁচে থাকতে পারেন, সেজন্য তাদের জন্য ছোট ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা যায় কি না—এ ব্যাপারে তাদের সঙ্গে আমরা বৈঠক করছি। তাদের পুনর্বাসনের জন্য আমরা উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করব। আমাদের সরকার জুলাইতে যারা আহত বা শহীদ হয়েছেন, সেই পরিবারগুলোর কল্যাণে খুবই কনসার্নড এবং এ ব্যাপারে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। মোটামুটি এই তো, আর কিছু নয়।’
জুলাই আহতদের পুনর্বাসনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘যার বাবা মারা গেছে, সে ছেলে যেন একেবারেই স্কুল থেকে ঝরে গিয়ে অশিক্ষিত না হয়—তার শিক্ষার ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়েছেন। আর পুনর্বাসনের বিষয়েও তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। যেমন ধরুন, কারও হাত বা পা নেই কিন্তু মোটামুটি কর্মক্ষম—তাদের কী ধরনের প্রজেক্ট দিলে আমরা বিআরডিবি বা অন্যান্য সংস্থার মাধ্যমে সহায়তা করতে পারি, যাতে তারা মোটামুটি সচ্ছলভাবে সংসার পরিচালনা করতে পারে—সেজন্য তিনি (প্রধানমন্ত্রী) সাজেশন দিয়েছেন।’

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, গোপালগঞ্জ তাঁর দেশেরই একটি জেলা। অন্য ৬৪ জেলার মতো সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে এই জেলা।’
৮ মিনিট আগে
রাজশাহীর কাটাখালী থানার শ্যামপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
১৯ মিনিট আগে
দুর্নীতির অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা আফরোজা বেগমের ৪ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
১ ঘণ্টা আগে
ভারত ও বাংলাদেশ এ অঞ্চলের দুটি বৃহত্তম ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী অর্থনীতি উল্লেখ করে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেছেন, “একসঙ্গে কাজ করে দুই দেশের অনেক কিছু করা সম্ভব।”
১ ঘণ্টা আগে