
আদানির গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধ ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ আবার শুরু হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটি বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয়।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের (পিজিসিবি) জনসংযোগ কর্মকর্তা নাহিদ হাসান বলেন, ‘ইউনিটটি দুপুরে গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। পূর্ণ উৎপাদনে যেতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।’
ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানি গ্রুপের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুই ইউনিট। গত ১০ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে কারিগরি ত্রুটির কারণে ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। ওই রাতে বিদ্যুতের ঘাটতি ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। পরদিন শুক্রবার চাহিদা কম থাকায় পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ছিল। তবে শনিবার মধ্যরাতে লোডশেডিং বেড়ে সর্বোচ্চ প্রায় ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াটে পৌঁছায়।
আদানি পাওয়ারের একটি সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের আগেই রোববার ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে ইউনিটটি সফলভাবে চালু করা সম্ভব হয়েছে। কেন্দ্রটি পুরোপুরি চালুর প্রক্রিয়া শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে এর বিদ্যুৎ উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে ১৬ থেকে ১৭ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে। ৮০০ মেগাওয়াটের এই ইউনিটটি চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত দুই মাসের বেশি দেশে গ্যাসের সংকট তীব্র তৈরি হয়েছে। দেশের কয়লা, গ্যাস ও তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।
ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির মোট সক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। এর দুই ইউনিটের প্রতিটির সর্বোচ্চ উৎপাদন সক্ষমতা ৮০০ মেগাওয়াট। গোড্ডার কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে ২০১৭ সালে ক্রয়চুক্তি করে পিডিবি।
.png)








