সারের মজুত থাকলেও পাচ্ছেন না কৃষক: সংকট ব্যবস্থাপনায়

স্ট্রিম গ্রাফিক্স
স্ট্রিম গ্রাফিক্স

বাংলাদেশের কৃষি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময় অতিক্রম করছে। মাঠে আমন ধান দাঁড়িয়ে আছে। কোথাও ধানে কুশি বৃদ্ধি ও শীষ গঠনের পর্যায় চলছে, কোথাও আবার দানা গঠনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এ সময়ে প্রয়োজন অনুযায়ী ইউরিয়ার উপরি প্রয়োগ ধানের ফলন নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অথচ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষক এখন ইউরিয়া সার সংগ্রহ করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

কৃষকের অভিযোগ—ডিলারের দোকানে সার নেই, সরবরাহ অনিয়মিত, প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম এবং কোথাও সার পাওয়া গেলেও সরকারি নির্ধারিত মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে না। কোনো কোনো এলাকায় প্রতি ৫০ কেজির বস্তায় ৩০০–৪০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ফলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, ক্ষোভ বাড়ছে এবং কোথাও কোথাও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এমনকি কিছু এলাকায় কৃষক ডিলারের গুদাম জোর করে খুলে সার নিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

কৃষকের এ ধরনের আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। কিন্তু একই সঙ্গে এ কথাও অস্বীকার করা যায় না যে, প্রয়োজনের সময়ে একজন কৃষক যদি দিনের পর দিন সার না পান, অথচ বেশি দামে একই সার পাওয়া যায়, তাহলে তার মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তাই শুধু কৃষকের আচরণকে সমস্যা হিসেবে দেখলে চলবে না; সমস্যার মূল কারণও চিহ্নিত করতে হবে।

সার আছে, কিন্তু কৃষক পাচ্ছেন না কেন?

বর্তমান পরিস্থিতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এটাই। সরকারি পর্যায়ে যদি পর্যাপ্ত সার মজুত থাকে, তাহলে কৃষকের কাছে তা পৌঁছাচ্ছে না কেন?

সাম্প্রতিক তথ্য ও সংবাদ প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, জুলাই–সেপ্টেম্বর সময়ে রাসায়নিক সারের চাহিদা প্রায় ১৩.২১ লাখ টন। সরকারি পর্যায়ে প্রায় ১২.৪৫ লাখ টন মজুত এবং ডিলারদের কাছে আরও প্রায় ২–২.৫ লাখ টন থাকার কথা বলা হয়েছে। তারপরও বিভিন্ন এলাকায় কৃষক সার পাচ্ছেন না। অর্থাৎ সমস্যা শুধু সার উৎপাদন বা আমদানির পরিমাণে সীমাবদ্ধ নয়; সার কোথায় আছে, কখন আছে এবং কীভাবে কৃষকের কাছে পৌঁছাচ্ছে—মূল সংকটটি সেখানে।

গুদামে সার থাকা আর কৃষকের হাতে সার থাকা এক কথা নয়।

বর্তমান সার সংকট শুধু একটি মৌসুমি সমস্যা নয়; এটি বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থাপনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে শুধু একজন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না—ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমন উৎপাদন, কৃষকের আয়, খাদ্যনিরাপত্তা এবং কৃষিপণ্যের বাজারব্যবস্থা।

এখানেই আমাদের সার ব্যবস্থাপনার বড় দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের মজুত, জেলা পর্যায়ের বরাদ্দ, উপজেলা পর্যায়ের বিতরণ এবং ডিলার পর্যায়ের বিক্রির মধ্যে কার্যকর সমন্বয় না থাকলে কাগজে-কলমে পর্যাপ্ত সার থাকলেও মাঠে কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে।

আমন মৌসুমে সময়ের মূল্য সবচেয়ে বেশি

সার সংকটের বিষয়টি অন্য যেকোনো পণ্যের সংকটের সঙ্গে তুলনা করা ঠিক হবে না। কারণ কৃষি একটি সময়নির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা। কৃষককে আজ যে সার প্রয়োজন, সেটি যদি ৭–১০ দিন পরে দেওয়া হয়, তাহলে শুধু সার পেলেই সমস্যার সমাধান হয় না। ধানের নির্দিষ্ট বৃদ্ধি পর্যায় অতিক্রম করে গেলে ইউরিয়ার কার্যকারিতা ও প্রত্যাশিত ফলন কমে যেতে পারে।

তাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো—আমন ধানের প্রয়োজনীয় ইউরিয়া দ্রুত কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া। প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে আমনের প্রকৃত আবাদি জমি, ধানের বর্তমান বৃদ্ধি পর্যায় এবং অবশিষ্ট ইউরিয়ার চাহিদা দ্রুত পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। যেখানে ঘাটতি রয়েছে, সেখানে উদ্বৃত্ত এলাকা থেকে দ্রুত পুনর্বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে।

জাতীয় পর্যায়ে সার থাকলে কোনো কৃষককে “সার নেই” শুনে ফিরে যাওয়ার কথা নয়।

অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ গুরুতর

সরকার কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমাতে বছরের পর বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ ভর্তুকি হিসেবে ব্যয় করছে। ইউরিয়ার সরকারি খুচরা মূল্য কেজিপ্রতি ২৭ টাকা, অর্থাৎ ৫০ কেজির একটি বস্তার মূল্য ১,৩৫০ টাকা।

এই বস্তা যদি কৃষককে ১,৬৫০ বা ১,৭৫০ টাকায় কিনতে হয়, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই—সরকারের ভর্তুকির সুফল শেষ পর্যন্ত কে পাচ্ছে?

তবে এখানে সব ডিলারকে একসঙ্গে অভিযুক্ত করাও ঠিক হবে না। অনেক ডিলারও সরবরাহ বিলম্ব, অপর্যাপ্ত বরাদ্দ এবং পরিবহন সমস্যার মুখোমুখি হন। তাই প্রয়োজন তথ্যভিত্তিক তদন্ত ও জবাবদিহি, নির্বিচারে অভিযোগ নয়।

যে ডিলার সরকারি মূল্যে নিয়মিত সার বিক্রি করছেন, তাকে উৎসাহিত করতে হবে। আর যে ডিলার সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন, অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন বা অন্যত্র পাচার করছেন, তার বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

ডিলার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে হবে

সার বিতরণব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করতে প্রতিটি ডিলারের সারপ্রাপ্তি ও বিক্রির হিসাব ডিজিটাল করা যেতে পারে।

একজন ডিলার কত সার পেয়েছেন, কত বিক্রি করেছেন এবং কত মজুত আছে—এই তথ্য উপজেলা কৃষি অফিস ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে নিয়মিতভাবে দৃশ্যমান থাকা উচিত। সম্ভব হলে কৃষকরাও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পারবেন কোন ডিলারের কাছে কত সার মজুত রয়েছে এবং সরকারি মূল্য কত।

প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে আমনের প্রকৃত আবাদি জমি, ধানের বর্তমান বৃদ্ধি পর্যায় এবং অবশিষ্ট ইউরিয়ার চাহিদা দ্রুত পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। যেখানে ঘাটতি রয়েছে, সেখানে উদ্বৃত্ত এলাকা থেকে দ্রুত পুনর্বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে।

এতে কৃষক অকারণে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরবেন না। একই সঙ্গে কৃত্রিম সংকট, মজুতদারি ও অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার সুযোগও কমবে।

আমাদের এখন একটি 'ন্যাশনাল ডিজিটাল ফার্টিলাইজার সিস্টেম' গড়ে তোলার কথা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। সার উৎপাদন বা আমদানি থেকে শুরু করে গুদাম, পরিবহন, ডিলার এবং কৃষকের কাছে বিক্রি পর্যন্ত পুরো সরবরাহশৃঙ্খল একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।

কৃষকের ক্ষোভকে সতর্কবার্তা হিসেবে দেখতে হবে

কৃষক সাধারণত সংঘাত চান না। তিনি চান তাঁর জমির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণটি সময়মতো সংগ্রহ করতে এবং ফসল ঘরে তুলতে। কিন্তু যখন তিনি বৈধভাবে সার কিনতে গিয়ে ব্যর্থ হন, তখন তাঁর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

তাই কৃষকের ক্ষোভকে শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখলে হবে না। এটি আমাদের সরবরাহব্যবস্থার দুর্বলতার একটি সতর্ক সংকেত।

তবে গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়া বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই সমাধান নয়। এতে প্রকৃত কৃষকই শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সরকারকে যেমন কৃষকের কাছে সার পৌঁছানোর নিশ্চয়তা দিতে হবে, তেমনি কৃষকদেরও শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত উপায়ে দাবি জানাতে হবে।

শুধু বেশি সার নয়, সঠিক সার

বর্তমান সংকট থেকে আমাদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নিতে হবে। বাংলাদেশের কৃষির ভবিষ্যৎ শুধু বেশি রাসায়নিক সার ব্যবহারের ওপর নির্ভর করতে পারে না। আমাদের লক্ষ্য হতে হবে—সঠিক সার, সঠিক মাত্রায়, সঠিক সময়ে এবং সঠিক স্থানে প্রয়োগ।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের 'ফার্টিলাইজার রিকমেন্ডেশন গাইড-২০২৪'-এ মাটি ও ফসলভিত্তিক সার ব্যবহারের বৈজ্ঞানিক নির্দেশনা রয়েছে। এই সুপারিশ মাঠপর্যায়ে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

মাটি পরীক্ষা, ফসলভিত্তিক সার সুপারিশ, ইন্টিগ্রেটেড প্ল্যান্ট নিউট্রিয়েন্ট ম্যানেজমেন্ট (আইপিএনএস), সাইট-স্পেসিফিক নিউট্রিয়েন্ট ম্যানেজমেন্ট এবং আধুনিক ‘প্রিসিশন অ্যাগ্রিকালচার’-এর মাধ্যমে কম অপচয়ে বেশি ফলন অর্জন করা সম্ভব।

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ইউরিয়ার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা রয়েছে। অথচ উদ্ভিদের সুষম পুষ্টির জন্য শুধু নাইট্রোজেন যথেষ্ট নয়। মাটির পুষ্টি-অবস্থা অনুযায়ী এন, পি, কে, এস, জেডএন, বি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

এতে একদিকে কৃষকের সার ব্যয় কমবে, অন্যদিকে মাটির স্বাস্থ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদনশীলতাও রক্ষা পাবে।

আমন সংকট থেকে দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা

বর্তমান পরিস্থিতি সাময়িকভাবে সামাল দিলেই হবে না। প্রতি বছর আমন ও বোরো মৌসুমে একই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে বোঝা যাবে যে আমাদের সার ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন।

দেশে কত সার প্রয়োজন হবে, তার হিসাব শুধু মোট চাহিদার ভিত্তিতে করা যথেষ্ট নয়। কোন এলাকায় কত জমিতে কোন ফসল চাষ হচ্ছে, ফসলের কোন পর্যায়ে কী পরিমাণ সার প্রয়োজন এবং মাটির পুষ্টি-অবস্থা কী—এসব তথ্য বিবেচনায় নিতে হবে।

আমাদের এখন একটি 'ন্যাশনাল ডিজিটাল ফার্টিলাইজার সিস্টেম' গড়ে তোলার কথা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। সার উৎপাদন বা আমদানি থেকে শুরু করে গুদাম, পরিবহন, ডিলার এবং কৃষকের কাছে বিক্রি পর্যন্ত পুরো সরবরাহশৃঙ্খল একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।

একই সঙ্গে দেশের কৌশলগত সার মজুত আরও কার্যকর করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বৃদ্ধি, আমদানি বিলম্ব, জ্বালানি বা গ্যাস সংকট কিংবা বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় অস্থিরতা দেখা দিলে যাতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে জন্য গুরুত্বপূর্ণ মৌসুমের আগেই পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতে হবে।

এখন দরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত ও সমন্বিত ব্যবস্থা

বর্তমান সংকটে সবচেয়ে প্রয়োজন দ্রুত, স্বচ্ছ ও সমন্বিত সিদ্ধান্ত। এখন আর শুধু বলা যথেষ্ট নয় যে দেশে পর্যাপ্ত সার আছে। কৃষকের কাছে প্রমাণ করতে হবে যে প্রয়োজনের সময় তিনি ন্যায্য মূল্যে সার পাচ্ছেন।

প্রতিটি উপজেলা থেকে দৈনিক সার পরিস্থিতির তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। কোথায় কত সার এসেছে, কত বিক্রি হয়েছে এবং কত মজুত রয়েছে—তার ভিত্তিতে ঘাটতি এলাকায় দ্রুত সরবরাহ পুনর্বিন্যাস করতে হবে।

অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অবৈধ মজুতের অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সৎ ডিলারদের সহযোগিতা করতে হবে, যাতে তারা নিয়মিতভাবে কৃষককে সার সরবরাহ করতে পারেন।

বর্তমান সার সংকট শুধু একটি মৌসুমি সমস্যা নয়; এটি বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থাপনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে শুধু একজন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না—ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমন উৎপাদন, কৃষকের আয়, খাদ্যনিরাপত্তা এবং কৃষিপণ্যের বাজারব্যবস্থা।

বাংলাদেশের কৃষকের দাবি খুবই স্বাভাবিক—প্রয়োজনের সময়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ সার, সরকারি নির্ধারিত ন্যায্য মূল্যে। এই ন্যায্য দাবি নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃষি-দায়িত্ব।

তাই এখন মূল প্রশ্ন হওয়া উচিত—সার আছে কি নেই, সেই বিতর্ক নয়; সার কোথায় আছে, কেন কৃষকের কাছে পৌঁছাচ্ছে না এবং কীভাবে তা দ্রুত কৃষকের হাতে পৌঁছানো যায়। এই প্রশ্নের দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকর উত্তরই বর্তমান সার সংকটের সবচেয়ে জরুরি সমাধান।

  • লেখক: কৃষিবিজ্ঞানী ও সাবেক মহাপরিচালক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত