স্ট্রিম প্রতিবেদক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন পদত্যাগ করেছেন। তাঁর সঙ্গে সংস্থার দুই কমিশনারও নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজির আহমেদ স্ট্রিমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, চেয়ারম্যানের পাশাপাশি পদত্যাগ করেছেন দুদকের কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ।
বেলা আড়াইটার দিকে দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেনকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দিকে যেতে দেখা যায়। পরে তাঁকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এসব পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয় বলে জানান তানজির আহমেদ।
পরে বিকেলে সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন আবদুল মোমেন। এ সময় বিদায়ী দুই কমিশনারও তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমরা তিনজন, এই কমিশনের তিন সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছি। পদত্যাগপত্র মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের পদত্যাগের বিশেষ কোনো কারণ নেই। একটি নতুন সরকার এসেছে, সেই সরকারেরও প্রত্যাশা রয়েছে। সরকার তার সেই প্রত্যাশা পূরণের জন্য নিশ্চয় আমাদের চেয়ে অধিকতর যোগ্য কমিশন গঠন করবে।’
নিজেদের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমরা ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর থেকে সময়টুকু সাধ্যমতো দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। আমাদের কাজের বিচার আপনারাই করবেন।’
দুদকের কার্যকারিতা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমাদের এতদিন নখ-দাঁত ছিল কি, ছিল না, সে বিচার করার মালিক আপনারা। আমরা যে সময় দায়িত্বে ছিলাম, সে সময় দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি।’
এই পদত্যাগের মধ্য দিয়ে কোনো রাজনৈতিক বার্তা যাচ্ছে কিনা– প্রশ্নের জবাবে আবদুল মোমেন বলেন, ‘একটি নতুন সরকার এসেছে, তাদের ম্যানিফেস্টো আছে, প্রত্যাশা আছে। সরকার তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করবে। সেখানে ভিন্ন কিছু দেখছি না।’
আবদুল মোমেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এপিএস ছিলেন। ২০১৩ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যুগ্ম সচিব হন। পরে তাঁকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর তাঁকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব করে অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর জ্যেষ্ঠ সচিবের পদমর্যাদা পান।
২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর আবদুল মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয় সরকার। এর দুদিন আগে ১০ ডিসেম্বর দুই কমিশনার নিয়োগ পান। তবে কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ১১ ডিসেম্বর এবং কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ ১৫ ডিসেম্বর যোগ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন পদত্যাগ করেছেন। তাঁর সঙ্গে সংস্থার দুই কমিশনারও নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজির আহমেদ স্ট্রিমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, চেয়ারম্যানের পাশাপাশি পদত্যাগ করেছেন দুদকের কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ।
বেলা আড়াইটার দিকে দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেনকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দিকে যেতে দেখা যায়। পরে তাঁকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এসব পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয় বলে জানান তানজির আহমেদ।
পরে বিকেলে সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন আবদুল মোমেন। এ সময় বিদায়ী দুই কমিশনারও তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমরা তিনজন, এই কমিশনের তিন সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছি। পদত্যাগপত্র মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের পদত্যাগের বিশেষ কোনো কারণ নেই। একটি নতুন সরকার এসেছে, সেই সরকারেরও প্রত্যাশা রয়েছে। সরকার তার সেই প্রত্যাশা পূরণের জন্য নিশ্চয় আমাদের চেয়ে অধিকতর যোগ্য কমিশন গঠন করবে।’
নিজেদের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমরা ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর থেকে সময়টুকু সাধ্যমতো দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। আমাদের কাজের বিচার আপনারাই করবেন।’
দুদকের কার্যকারিতা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমাদের এতদিন নখ-দাঁত ছিল কি, ছিল না, সে বিচার করার মালিক আপনারা। আমরা যে সময় দায়িত্বে ছিলাম, সে সময় দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি।’
এই পদত্যাগের মধ্য দিয়ে কোনো রাজনৈতিক বার্তা যাচ্ছে কিনা– প্রশ্নের জবাবে আবদুল মোমেন বলেন, ‘একটি নতুন সরকার এসেছে, তাদের ম্যানিফেস্টো আছে, প্রত্যাশা আছে। সরকার তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করবে। সেখানে ভিন্ন কিছু দেখছি না।’
আবদুল মোমেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এপিএস ছিলেন। ২০১৩ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যুগ্ম সচিব হন। পরে তাঁকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর তাঁকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব করে অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর জ্যেষ্ঠ সচিবের পদমর্যাদা পান।
২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর আবদুল মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয় সরকার। এর দুদিন আগে ১০ ডিসেম্বর দুই কমিশনার নিয়োগ পান। তবে কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ১১ ডিসেম্বর এবং কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ ১৫ ডিসেম্বর যোগ দেন।

শেয়ারবাজারে কারসাজি করে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাবেক এমপি সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় পিছিয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
নীলফামারীর ডোমার সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ চেষ্টায় তিন শিশুকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৫৬ বিজিবি)। গতকাল সোমবার (২ মার্চ) রাত ১১টার দিকে আটক শিশুদের ডোমার থানায় হস্তান্তর করা হয়। আটকের পর তারা জানিয়েছে, বাড়ি থেকে বের হয়ে ভারতে কাজ করার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল তারা।
২০ মিনিট আগে
ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার একটি নিভৃত গ্রাম আনন্দবাস। গ্রামটির সবুজ প্রকৃতি আর শান্ত পরিবেশের বুক চিরে প্রতিদিন যে আজানের ধ্বনি ভেসে আসে, তার উৎস প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক ‘১০ গম্বুজ মসজিদ’।
১ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীর সৈয়দপুর। রেলের শহর হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার অনেক আগে থেকেই এখানে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে এক অনন্য স্থাপত্য—চিনি মসজিদ। ১৮৬৩ সালে যখন সৈয়দপুর শহর হিসেবে গড়ে ওঠেনি, এমনকি রেলওয়ে স্টেশনও তৈরি হয়নি, তখন ইছলামবাগ এলাকায় এই মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে