স্ট্রিম ডেস্ক

ভারতে আওয়ামী লীগের সদস্যদের বাংলাদেশবিরোধী কোনো কার্যকলাপ বা ভারতীয় আইনের পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সরকার অবগত নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
বুধবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সংবাদ বিবৃতির জবাবে পাল্টা বিবৃতিতে এই মন্তব্য করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেজে পোস্ট করা ওই বিবৃতি জয়সওয়াল আরও বলেন, ‘ভারতের মাটি থেকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালনার অনুমতি দেয় না সরকার।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সংবাদ বিবৃতি “ভুলভাবে উপস্থাপন” করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বাংলাদেশের নির্বাচনের ব্যাপারে জয়সওয়াল বলেন, ‘জনগণের ইচ্ছা এবং রায় নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব 'অবাধ, সুষ্ঠু এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক' নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রত্যাশা পুনর্ব্যক্ত করে ভারত।’

এর আগে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যালয় অবিলম্বে বন্ধ করতে প্রতিবেশী দেশটিকে আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।
বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্বারা- বিশেষত নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের পলাতক নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে ভারতের মাটিতে বৈধ বা অবৈধভাবে অবস্থান করে কার্যালয় স্থাপনসহ বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী যে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের জনগণ ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট চ্যালেঞ্জ।’
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিষিদ্ধ দলটি ভারতে কার্যালয় স্থাপন করেছে বলে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই ঘটনা ঘটছে এমন এক সময়ে যখন ‘ভারতের মাটিতে বাড়তে থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ড’ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সেখানে উল্লেখ করা হয়, ‘এই উন্নয়ন বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে এবং পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ-ভারত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করার ঝুঁকি তৈরি করছে।’
বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়, এই বিষয়টি ‘বাংলাদেশে জনমত উত্তেজিত করতে পারে, যা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার চলমান প্রচেষ্টাকে প্রভাবিত করতে পারে।’
‘অতএব, বাংলাদেশ সরকার ভারত সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছে যেন অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় যাতে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক ভারতের মাটিতে অবস্থান করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারে, এবং কোনোভাবেই এমন কার্যক্রমকে অনুমোদন বা সহায়তা দেওয়া না হয়।’
‘পাশাপাশি, ভারতের মাটিতে নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অফিসসমূহ দ্রুত বন্ধ করতে হবে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের অনেক সিনিয়র নেতা ‘বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী গুরুতর অপরাধে দায়ের করা একাধিক মামলায় পলাতক অবস্থায় এখনো ভারতের ভূখণ্ডে অবস্থান করছে।’
বিবৃতিতে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, চলতি বছরের ২১ জুলাই একটি এনজিও’র আড়ালে ‘এই নিষিদ্ধ দলের কিছু সিনিয়র নেতা দিল্লি প্রেস ক্লাবে গণসংযোগ কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছিল এবং পরবর্তীতে উপস্থিত সাংবাদিকদের মাঝে বুকলেট বিতরণ করেছিল।’
এছাড়া বিবৃতিতে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনও উল্লেখ করা হয়, যেখানে দলটির ‘ভারতের মাটি থেকে কার্যক্রম পরিচালনার ক্রমবর্ধমান পদক্ষেপ’ নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভারতে আওয়ামী লীগের সদস্যদের বাংলাদেশবিরোধী কোনো কার্যকলাপ বা ভারতীয় আইনের পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সরকার অবগত নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
বুধবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সংবাদ বিবৃতির জবাবে পাল্টা বিবৃতিতে এই মন্তব্য করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেজে পোস্ট করা ওই বিবৃতি জয়সওয়াল আরও বলেন, ‘ভারতের মাটি থেকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালনার অনুমতি দেয় না সরকার।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সংবাদ বিবৃতি “ভুলভাবে উপস্থাপন” করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বাংলাদেশের নির্বাচনের ব্যাপারে জয়সওয়াল বলেন, ‘জনগণের ইচ্ছা এবং রায় নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব 'অবাধ, সুষ্ঠু এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক' নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রত্যাশা পুনর্ব্যক্ত করে ভারত।’

এর আগে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যালয় অবিলম্বে বন্ধ করতে প্রতিবেশী দেশটিকে আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।
বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্বারা- বিশেষত নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের পলাতক নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে ভারতের মাটিতে বৈধ বা অবৈধভাবে অবস্থান করে কার্যালয় স্থাপনসহ বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী যে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের জনগণ ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট চ্যালেঞ্জ।’
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিষিদ্ধ দলটি ভারতে কার্যালয় স্থাপন করেছে বলে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই ঘটনা ঘটছে এমন এক সময়ে যখন ‘ভারতের মাটিতে বাড়তে থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ড’ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সেখানে উল্লেখ করা হয়, ‘এই উন্নয়ন বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে এবং পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ-ভারত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করার ঝুঁকি তৈরি করছে।’
বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়, এই বিষয়টি ‘বাংলাদেশে জনমত উত্তেজিত করতে পারে, যা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার চলমান প্রচেষ্টাকে প্রভাবিত করতে পারে।’
‘অতএব, বাংলাদেশ সরকার ভারত সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছে যেন অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় যাতে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক ভারতের মাটিতে অবস্থান করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারে, এবং কোনোভাবেই এমন কার্যক্রমকে অনুমোদন বা সহায়তা দেওয়া না হয়।’
‘পাশাপাশি, ভারতের মাটিতে নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অফিসসমূহ দ্রুত বন্ধ করতে হবে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের অনেক সিনিয়র নেতা ‘বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী গুরুতর অপরাধে দায়ের করা একাধিক মামলায় পলাতক অবস্থায় এখনো ভারতের ভূখণ্ডে অবস্থান করছে।’
বিবৃতিতে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, চলতি বছরের ২১ জুলাই একটি এনজিও’র আড়ালে ‘এই নিষিদ্ধ দলের কিছু সিনিয়র নেতা দিল্লি প্রেস ক্লাবে গণসংযোগ কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছিল এবং পরবর্তীতে উপস্থিত সাংবাদিকদের মাঝে বুকলেট বিতরণ করেছিল।’
এছাড়া বিবৃতিতে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনও উল্লেখ করা হয়, যেখানে দলটির ‘ভারতের মাটি থেকে কার্যক্রম পরিচালনার ক্রমবর্ধমান পদক্ষেপ’ নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ১৩ দফা দাবি জানিয়েছে। ক্যাব ও ঢাকা স্ট্রিমের যৌথ আয়োজনে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট: ক্যাবের ১৩ দফা ও ন প্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এ দাবি উত্থাপন করা হয়।
২৬ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘প্রতিটি জেলা এবং উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে একজন ইমাম অথবা একজন খতিব অথবা সেই এলাকার অন্য কোনো ধর্মের ধর্মীয় গুরু—তাদের মধ্য থেকে একজন সদস্য রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’
২ ঘণ্টা আগে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ও ঢাকা স্ট্রিমের যৌথ আয়োজনে গোলটেবিল আলোচনা শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানী দেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২ ঘণ্টা আগে