স্ট্রিম সংবাদদাতা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আইসোলেশন ওয়ার্ডে জায়গা সংকট তৈরি হয়েছে। জায়গার অভাবে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে অনেক শিশুকে। ২০ শয্যার আইসোলেশন কক্ষে শিশু রোগী ও তাদের অভিভাবক মিলিয়ে প্রতিদিনের গড়ে প্রায় ১৫০ মানুষ থাকছে। এতে সেখানে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) জেলা হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে ৬৭ জন। এর পর্যন্ত এই হাসপাতালে হামে মারা গেছে সাত শিশু ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চলতি বছরের মার্চ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ শ শিশু। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতিদিন শতাধিক রোগী ও অভিভাবকের চাপ সামাল দিতে হচ্ছে তাদের। এই সংখ্যা বেড়েই চলছে। এর বিপরীতে একটি মাত্র আইসোলেশন ওয়ার্ড রয়েছে হাসপাতালে। ছোট একটি কক্ষে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৭০ জন রোগী থাকছে। রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না বলছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার হামের আইসোলেশন ওয়ার্ডে দেখা গেছে, আগে সেখানে পাঁচটি শয্যা থাকলেও পরে ২০টি শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় এখন মেঝেতেই রাখা হচ্ছে অনেককে। প্রতিটি শিশুর সঙ্গে একজন অভিভাবক থাকলেও এই কক্ষে প্রতিদিন গড়ে থাকতে হচ্ছে প্রায় ১৫০ মানুষকে।
রানিহাটি এলাকার শিশু সাইফের পিতা নাইমুল হক বলেন, ছোট ওয়ার্ডে গাদাগাদি করে শিশুদের নিয়ে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে। অপরিচ্ছন্নতা, পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব এখানে।
আরেক শিশুর নানা কামাল হোসেন বলে, চিকিৎসক ও নার্সের স্বল্পতায় ভোগান্তি চরমে। এত রোগীর কারণে চিকিৎসার মান অনেক নিচে নেমে গেছে। হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য দ্রুত আরেকটি ওয়ার্ড চালু না হলে ভয়াবহ চিকিৎসা সংকট হবে মনে করেন তিনি।
এসব বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, বাড়তি জায়গা না থাকায় কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য নির্ধারিত জায়গায় হামের আইসোলেশন ওয়ার্ডটি চালু করা হয়েছে। শিশু ওয়ার্ডে মাত্র তিনজন চিকিৎসক। অন্য ওয়ার্ড থেকে নার্স এনে কাজ চালাতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, ‘কোনো ওয়ার্ড আমরা আসলে খালি করতে পারছি না। আমাদের আলাদা কোনো খালি জায়গাও নেই। একটাই চেষ্টা করা হচ্ছে, রোগীর পরিমাণ যেন কমে আসে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আইসোলেশন ওয়ার্ডে জায়গা সংকট তৈরি হয়েছে। জায়গার অভাবে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে অনেক শিশুকে। ২০ শয্যার আইসোলেশন কক্ষে শিশু রোগী ও তাদের অভিভাবক মিলিয়ে প্রতিদিনের গড়ে প্রায় ১৫০ মানুষ থাকছে। এতে সেখানে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) জেলা হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে ৬৭ জন। এর পর্যন্ত এই হাসপাতালে হামে মারা গেছে সাত শিশু ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চলতি বছরের মার্চ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ শ শিশু। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতিদিন শতাধিক রোগী ও অভিভাবকের চাপ সামাল দিতে হচ্ছে তাদের। এই সংখ্যা বেড়েই চলছে। এর বিপরীতে একটি মাত্র আইসোলেশন ওয়ার্ড রয়েছে হাসপাতালে। ছোট একটি কক্ষে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৭০ জন রোগী থাকছে। রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না বলছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার হামের আইসোলেশন ওয়ার্ডে দেখা গেছে, আগে সেখানে পাঁচটি শয্যা থাকলেও পরে ২০টি শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় এখন মেঝেতেই রাখা হচ্ছে অনেককে। প্রতিটি শিশুর সঙ্গে একজন অভিভাবক থাকলেও এই কক্ষে প্রতিদিন গড়ে থাকতে হচ্ছে প্রায় ১৫০ মানুষকে।
রানিহাটি এলাকার শিশু সাইফের পিতা নাইমুল হক বলেন, ছোট ওয়ার্ডে গাদাগাদি করে শিশুদের নিয়ে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে। অপরিচ্ছন্নতা, পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব এখানে।
আরেক শিশুর নানা কামাল হোসেন বলে, চিকিৎসক ও নার্সের স্বল্পতায় ভোগান্তি চরমে। এত রোগীর কারণে চিকিৎসার মান অনেক নিচে নেমে গেছে। হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য দ্রুত আরেকটি ওয়ার্ড চালু না হলে ভয়াবহ চিকিৎসা সংকট হবে মনে করেন তিনি।
এসব বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, বাড়তি জায়গা না থাকায় কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য নির্ধারিত জায়গায় হামের আইসোলেশন ওয়ার্ডটি চালু করা হয়েছে। শিশু ওয়ার্ডে মাত্র তিনজন চিকিৎসক। অন্য ওয়ার্ড থেকে নার্স এনে কাজ চালাতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, ‘কোনো ওয়ার্ড আমরা আসলে খালি করতে পারছি না। আমাদের আলাদা কোনো খালি জায়গাও নেই। একটাই চেষ্টা করা হচ্ছে, রোগীর পরিমাণ যেন কমে আসে।’

৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হলেও বাস্তবে পরিস্থিতির খুব বেশি উন্নতি হয়নি। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’ নামের একটি জাহাজ চলাচলের অনুমতি পায়নি।
২৫ মিনিট আগে
শাক্যমুনি বৌদ্ধবিহার প্রাঙ্গণে ঢুকতেই প্রথমে চোখে পড়ে সাদা-জামরঙা কাপড়ে মোড়া সারি সারি স্টল। কোথাও ঝুলছে রঙিন বোনা ব্যাগ, উজ্জ্বল নকশার পোশাক কোথাও, কোথাও লাল ঝুড়িতে ভরা পাহাড়ি শাক, কচি ভুট্টা, কাঁঠাল, কুমড়া, বুনো আলু, ধান্যমরিচ।
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, কারিগরি শিক্ষা বিকল্প কোনো ধারা নয়, এটি এখন জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। দক্ষ জনশক্তি তৈরি ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব নয়। যেভাবে জাপান, জার্মানির মতো দেশ উন্নতি করেছে, আমাদেরও সেভাবে এগিয়ে যেতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন সকালে (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণের প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দেশের ১০ উপজেলাও এ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে।
৩ ঘণ্টা আগে