স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। পাঁচ দিনে জমা পড়া এই আপিলের সংখ্যা সাম্প্রতিক কয়েকটি জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে ইসি।
ইসি সূত্র জানায়, মনোনয়ন ফিরে পেতে আজ শুক্রবারসহ টানা পাঁচ দিনে এসব আপিল দায়ের করা হয়। শেষ দিন শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকলেও আগের চার দিনের তুলনায় বেশিসংখ্যক প্রার্থী আপিল আবেদন জমা দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, এবারের আপিলের সংখ্যা দ্বাদশ ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭৩১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। পরে প্রার্থিতা ফিরে পেতে এবং বাতিল চেয়ে পাঁচ দিনে ইসিতে আপিল করেছিলেন ৫৬২ জন প্রার্থী। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মোট ৫৪৩ জন প্রার্থী আপিল করেছিলেন।
ইসি সূত্রে আরও জানা যায়, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যাচাই–বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৭৮৬টি মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। আর ২০১৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনে এক হাজার ১০৭টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ২৩০টি বাতিল করা হয়। তবে সে নির্বাচনে আপিলের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি।
নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। আপিল গ্রহণ শুরু হয় গত ৫ জানুয়ারি এবং শেষ হয় ৯ জানুয়ারি (শুক্রবার)। শেষ দিনে একদিনেই ১৭৬টি আপিল আবেদন জমা পড়ে।
এর আগে আপিলের চতুর্থ দিনে ইসিতে ১৭৪টি আপিল আবেদন জমা পড়েছিলো। এর আগে প্রথম চারদিনে দিনে অর্থাৎ বুধবার জমা পড়ে ১৩১টি, মঙ্গলবার ১২২টি এবং প্রথম দিন সোমবার ৪১টি আবেদন।
রুহুল আমিন মল্লিক আরও জানান, শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শুরু হবে, যা চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। শনিবার ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রোববার ৭১ থেকে ১৪০, সোমবার ১৪১ থেকে ২১০ এবং মঙ্গলবার ২১১ থেকে ২৮০ নম্বর আপিলের শুনানি হবে। ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এসব শুনানি চলবে। বাকি আপিলের শুনানির সময়সূচি শিগগিরই জানানো হবে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) লালমনিরহাট-২ আসনের প্রার্থী মো. বাদশা মিয়া আপিল দায়ের করতে নির্বাচন ভবনে উপস্থিত হন শুক্রবার। তিনি একক কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে নয়, বরং ওই আসনে বৈধ ঘোষিত সাতজন প্রার্থীর বিরুদ্ধেই আপিল করেছেন।
এই আসনের অন্যান্য বৈধ প্রার্থীরা হলেন—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. ফিরোজ হায়দার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নিমাই চন্দ্র রায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মমতাজ আলী, জনতার দলের মো. শামীম কামাল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মো. রোকন উদ্দিন বাবুল এবং জাতীয় পার্টির মো. এলাহান উদ্দিন।
আপিল আবেদন জমা দেওয়ার পর বাদশা মিয়া বলেন, 'বৈধ ঘোষিত কোনো প্রার্থীই সঠিকভাবে মনোনয়নপত্র পূরণ করেননি। কারও হলফনামায় তথ্যের ঘাটতি রয়েছে, কেউ আবার তথ্য গোপন করেছেন। এসব বিষয় আমরা তুলে ধরলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের বৈধ ঘোষণা করেছেন। তাই বাধ্য হয়ে আমি আপিল করেছি।'
সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম. এ. মুহিতের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে আপিল করেছে এনসিপি এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।
এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মো. আনোয়ারুস সাদাত জানান, 'ড. এম. এ. মুহিতের দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে। তিনি হলফনামায় সেই তথ্য গোপন রেখে প্রার্থিতার বৈধতা নিয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি একইভাবে তথ্য গোপন করেছিলেন। তার এবং তার কন্যার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে। এ কারণেই আমরা তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেছি।'
এ বিষয়ে মতামত জানতে এম. এ. মুহিতের হলফনামায় দেওয়া মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। পাঁচ দিনে জমা পড়া এই আপিলের সংখ্যা সাম্প্রতিক কয়েকটি জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে ইসি।
ইসি সূত্র জানায়, মনোনয়ন ফিরে পেতে আজ শুক্রবারসহ টানা পাঁচ দিনে এসব আপিল দায়ের করা হয়। শেষ দিন শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকলেও আগের চার দিনের তুলনায় বেশিসংখ্যক প্রার্থী আপিল আবেদন জমা দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, এবারের আপিলের সংখ্যা দ্বাদশ ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭৩১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। পরে প্রার্থিতা ফিরে পেতে এবং বাতিল চেয়ে পাঁচ দিনে ইসিতে আপিল করেছিলেন ৫৬২ জন প্রার্থী। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মোট ৫৪৩ জন প্রার্থী আপিল করেছিলেন।
ইসি সূত্রে আরও জানা যায়, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যাচাই–বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৭৮৬টি মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। আর ২০১৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনে এক হাজার ১০৭টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ২৩০টি বাতিল করা হয়। তবে সে নির্বাচনে আপিলের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি।
নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। আপিল গ্রহণ শুরু হয় গত ৫ জানুয়ারি এবং শেষ হয় ৯ জানুয়ারি (শুক্রবার)। শেষ দিনে একদিনেই ১৭৬টি আপিল আবেদন জমা পড়ে।
এর আগে আপিলের চতুর্থ দিনে ইসিতে ১৭৪টি আপিল আবেদন জমা পড়েছিলো। এর আগে প্রথম চারদিনে দিনে অর্থাৎ বুধবার জমা পড়ে ১৩১টি, মঙ্গলবার ১২২টি এবং প্রথম দিন সোমবার ৪১টি আবেদন।
রুহুল আমিন মল্লিক আরও জানান, শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শুরু হবে, যা চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। শনিবার ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রোববার ৭১ থেকে ১৪০, সোমবার ১৪১ থেকে ২১০ এবং মঙ্গলবার ২১১ থেকে ২৮০ নম্বর আপিলের শুনানি হবে। ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এসব শুনানি চলবে। বাকি আপিলের শুনানির সময়সূচি শিগগিরই জানানো হবে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) লালমনিরহাট-২ আসনের প্রার্থী মো. বাদশা মিয়া আপিল দায়ের করতে নির্বাচন ভবনে উপস্থিত হন শুক্রবার। তিনি একক কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে নয়, বরং ওই আসনে বৈধ ঘোষিত সাতজন প্রার্থীর বিরুদ্ধেই আপিল করেছেন।
এই আসনের অন্যান্য বৈধ প্রার্থীরা হলেন—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. ফিরোজ হায়দার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নিমাই চন্দ্র রায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মমতাজ আলী, জনতার দলের মো. শামীম কামাল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মো. রোকন উদ্দিন বাবুল এবং জাতীয় পার্টির মো. এলাহান উদ্দিন।
আপিল আবেদন জমা দেওয়ার পর বাদশা মিয়া বলেন, 'বৈধ ঘোষিত কোনো প্রার্থীই সঠিকভাবে মনোনয়নপত্র পূরণ করেননি। কারও হলফনামায় তথ্যের ঘাটতি রয়েছে, কেউ আবার তথ্য গোপন করেছেন। এসব বিষয় আমরা তুলে ধরলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের বৈধ ঘোষণা করেছেন। তাই বাধ্য হয়ে আমি আপিল করেছি।'
সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম. এ. মুহিতের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে আপিল করেছে এনসিপি এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।
এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মো. আনোয়ারুস সাদাত জানান, 'ড. এম. এ. মুহিতের দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে। তিনি হলফনামায় সেই তথ্য গোপন রেখে প্রার্থিতার বৈধতা নিয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি একইভাবে তথ্য গোপন করেছিলেন। তার এবং তার কন্যার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে। এ কারণেই আমরা তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেছি।'
এ বিষয়ে মতামত জানতে এম. এ. মুহিতের হলফনামায় দেওয়া মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
.png)
-64ec3b.jpeg)
অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে মাত্র ছয় মাস বয়সী একটি গণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষে রাতারাতি সব সংকট জাদু দিয়ে সমাধান করা অবাস্তব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৩৫ মিনিট আগে
সাতক্ষীরার তালায় চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে দুই যুবক ও তাদের সহযোগী এক নারীর বিরুদ্ধে তালা থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী।
১ ঘণ্টা আগে-9002dc.jpeg)
সংসারের অভাব দূর করার লক্ষ্যে সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে চাকরি নিয়েছিলেন গাইবান্ধার রানা মিয়া (২৩) ও খোকন মিয়া (২৬)। কিন্তু শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে গ্যাস বিষক্রিয়ার ঘটনায় প্রাণ হারান তারা। দুজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে গেল দুটি পরিবারের স্বচ্ছলতায় ফেরার আশা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ১৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। ভোজে গরুর নাম ‘বাকশাল’ রেখে জবাই করা হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে হওয়া এ আয়োজন ঘিরে সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে