leadT1ad

বিলুপ্ত প্রজাতির প্রাণী সংরক্ষণ ও দেশীয় জাত রক্ষায় জোর মৎস্য উপদেষ্টার

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ২২: ৩৪
বান্দরবানে পোল্ট্রি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে খামারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বক্তব্য দিচ্ছেন ফরিদা আখতার। ছবি: পিআইডি

বিলুপ্ত প্রজাতির প্রাণী সংরক্ষণ করে তাদের স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, শুধু ব্রয়লার বা লেয়ার মুরগির ওপর নির্ভর না করে দেশীয় পশু ও মুরগির জাত সংরক্ষণ এবং বৈচিত্র্য বাড়াতে হবে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) ‘পার্বত্য অঞ্চলের প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন গবেষণা পরিকল্পনা’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করে।

উপদেষ্টা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাণীর অভিযোজন ক্ষমতা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। অন্য এলাকার ছাগল বা মুরগি পাহাড়ের পরিবেশে কেমন করবে, তা পর্যবেক্ষণ করা দরকার। ভ্যাকসিনেশন বা টিকাদান কেবল পশুর জন্য নয়, মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

খামারিদের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ফরিদা আখতার বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে খামারিরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়া বাচ্চা ও ফিডের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। ফিডে আমদানিনির্ভরতা কমাতে তিনি দেশীয়ভাবে ভুট্টা ও সয়াবিন উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উপদেষ্টা জানান, পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতে শিক্ষিত তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করতে সরকার উদ্যোগ নেবে । বিএলআরআই মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় খামারিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে উপদেষ্টা বিএলআরআই আঞ্চলিক কেন্দ্রে একটি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং গবেষণার জন্য সংরক্ষিত প্রাণীর শেড পরিদর্শন করেন।

Ad 300x250

সম্পর্কিত