জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

১৯৭৩ থেকে ২০২৪: এক নজরে বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাস

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২: ০২
এআই জেনারেটেড ছবি

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে। ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনে মোট ভোটার প্রায় ১২ কোটি ৭০ লাখ মানুষ।

ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ (সম্প্রতি কার্যক্রম নিষিদ্ধ) এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আধিপত্য রয়েছে। তবে ২০২৪ সালের আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করায় দলটি এবারের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না।

এবার জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের জন্য মোট ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামি হলো দুটি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি, যারা পৃথকভাবে বহুদলীয় জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে।

সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর অন্তর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে দেশটিতে মোট ১১টি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার গঠিত হয়েছে, যদিও মাঝেমধ্যে সামরিক শাসনের সময়কাল এই ধারাবাহিকতাকে ব্যাহত করেছে। এই লেখায় বাংলাদেশের অতীত নির্বাচনের একটি সময়রেখা তুলে ধরা হলো।

১৯৭৩: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচন

১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৩ সালের মার্চে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনটি ছিল বিতর্কিত এবং পরবর্তী সময়ে এটি শেখ মুজিবুর রহমানের ক্রমবর্ধমান স্বৈরাচারী শাসনের একটি পূর্বাভাস হিসেবে বিবেচিত হয়।

মোট ১৪টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিলেও আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে বিজয় অর্জন করে। দলটি মোট ভোটের ৭৩ শতাংশ পায় এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসনে জয়লাভ করে।

যদিও আওয়ামী লীগের জয় প্রায় নিশ্চিত ছিল, তবু শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে ভোট কারচুপি, ব্যালট বাক্স ভর্তি করা এবং বিরোধী দলের নেতাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও গ্রেপ্তারের মাধ্যমে ক্ষমতা আরও সুসংহত করার অভিযোগ ওঠে।

১৯৭৩ সালের মার্চে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগ্রামের নোটবুক থেকে নেওয়া
১৯৭৩ সালের মার্চে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগ্রামের নোটবুক থেকে নেওয়া

বিরোধী দল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এবং জাতীয় লীগ মাত্র একটি করে আসন পায়।

১৯৭৪ সালে শেখ মুজিব সব বিরোধী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা চালু করেন। একই সঙ্গে তিনি সংসদে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সীমিত করেন।

১৯৭৫–১৯৮৬: অস্থির সামরিক শাসনের যুগ

১৯৭৫ সালের আগস্টে কর্নেল সৈয়দ ফারুক-উর-রহমানের নেতৃত্বে সেনা কর্মকর্তাদের সংগঠিত এক রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্য নিহত হন। এরপর অর্থমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদ সেনাবাহিনীর সমর্থনে নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন।

খন্দকার মোশতাক আহমদ একদলীয় নীতি বাতিল করে বিরোধী দলগুলোর রাজনীতি করার সুযোগ দিলেও ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে জেনারেল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে এক পাল্টা অভ্যুত্থানে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম সেনাবাহিনীর সমর্থনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৭ সালের এপ্রিল মাসে অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেন।

এরপর তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। তিনি আবার বহুদলীয় নির্বাচনের পথ খুলে দেন।

১৯৭৯: বহুদলীয় নির্বাচন

১৯৭৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে জিয়াউর রহমানের সরকার ১৯৭৩ সালের পর প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করে। এই নির্বাচনে তাঁর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) অংশ নিয়ে ৩০০ আসনের মধ্যে ২০৭টি আসনে জয়লাভ করে।

তৎকালীন প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগ ৩৯টি আসন পায় এবং নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তোলে।

১৯৮৬ ও ১৯৮৮: বিতর্কিত নির্বাচন

১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। এরপর ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুস সাত্তার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হন এবং ওই বছরের নভেম্বরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজন করেন, যেখানে বিএনপি ৬৫ শতাংশ ভোট পায়।

তবে কয়েক মাসের মধ্যেই সেনাপ্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ১৯৮২ সালের মার্চে রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে সামরিক আইন জারি করেন।

এভাবে এরশাদ চার বছর দেশ শাসনের পর ১৯৮৬ সালের মে মাসে নির্বাচন আয়োজন করেন। ওই নির্বাচনে তাঁর জাতীয় পার্টি ১৮৩টি আসন পেয়ে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচন বয়কট করে এবং এটিকে প্রহসন বলে অভিহিত করে।

১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। ছবি: সংগ্রামের নোটবুক থেকে নেওয়া
১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। ছবি: সংগ্রামের নোটবুক থেকে নেওয়া

এরপর ১৯৮৮ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ২৫৯টি আসনে জয়লাভ করে। এই নির্বাচনও ব্যাপকভাবে কারচুপিপূর্ণ বলে অভিযোগ ওঠে। এরশাদের পদত্যাগের দাবিতে সারা দেশে ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয়।

১৯৯১: বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী

১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ একত্রিত হয়ে গণআন্দোলনের মাধ্যমে এরশাদের সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করে।

এরপর প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়, যারা ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন আয়োজন করে। এই নির্বাচনকে ব্যাপকভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হয়। ছবি: সংগ্রামের নোটবুক থেকে নেওয়া
১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হয়। ছবি: সংগ্রামের নোটবুক থেকে নেওয়া

বিএনপি ১৪০টি আসন পায়, আওয়ামী লীগ পায় ৮৮টি আসন এবং জাতীয় পার্টি পায় ৩৫টি আসন। খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৯৬: শেখ হাসিনার প্রথম বিজয়

মাগুরা-২ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হলেও আওয়ামী লীগ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তোলে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।

আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য বিরোধী দল ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বয়কট করে। ফলে ভোটার উপস্থিতি নেমে আসে মাত্র ২১ শতাংশে এবং বিএনপি প্রায় সব আসনে জয়লাভ করে।

দেশব্যাপী হরতাল ও আন্দোলনের মুখে মাত্র ১২ দিনের মধ্যে বিএনপি সরকার ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। মার্চ মাসে সংবিধানে সংশোধনী এনে ভবিষ্যতে সব জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আয়োজনের বিধান যুক্ত করা হয়।

১২ জুন ১৯৯৬ অনুষ্ঠিত পুনর্নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭৫ শতাংশ। নির্বাচন ব্যাপকভাবে অবাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। আওয়ামী লীগ ১৪৬টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে, বিএনপি পায় ১১৬টি আসন। শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন।

২০০১: বিএনপির ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন

২০০১ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি ব্যাপক বিজয় অর্জন করে। দলটি ১৯৩টি আসন পায়। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পায় মাত্র ৬২টি আসন।

নির্বাচন মোটামুটি শান্তিপূর্ণ হলেও সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগ ওঠে। খালেদা জিয়া দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হন।

২০০১ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি ব্যাপক বিজয় অর্জন করে। ছবি: প্রথম আলোর সৌজন্যে
২০০১ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি ব্যাপক বিজয় অর্জন করে। ছবি: প্রথম আলোর সৌজন্যে

২০০৬: নির্বাচন সংকট ও ব্যর্থ ভোট

২০০৭ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্ব নিয়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে তীব্র বিরোধ শুরু হয়।

বিএনপি এক অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার উদ্যোগ নিলে দাঙ্গা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমদ নিজেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হন।

ডিসেম্বরে ভোটার তালিকায় ভুয়া নাম থাকার তথ্য প্রকাশ পেলে দেশজুড়ে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবহন ব্যবস্থা অচল হয়ে যায়, স্কুল-কলেজ ও অফিস বন্ধ থাকে।

রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা জারি করেন এবং সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করে। আওয়ামী লীগ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ায়। ফলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

২০০৮: শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন

অবশেষে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটার উপস্থিতি ছিল ৮০ শতাংশ—বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। নির্বাচন ব্যাপকভাবে সুষ্ঠু হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৩০টি আসন জিতে নেয়। বিএনপি পায় মাত্র ৩০টি আসন। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হন।

২০১৪: বিরোধী বয়কট ও দমন-পীড়ন

২০০৯ সালে ক্ষমতায় ফিরে এসে শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করতে সংবিধান সংশোধন করেন। বিএনপি ২০১১ সালের সংসদ অধিবেশন বয়কট করে। সংসদে সংবিধান সংশোধন আইন ২৯১–১ ভোটে সংশোধনী পাস হয়।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়াকে গৃহবন্দি করা হয় এবং বিরোধী নেতাদের ওপর ব্যাপক সহিংসতা চালানো হয়। বিএনপি নির্বাচন বর্জন করে। ফলে আওয়ামী লীগ ২৩৪টি আসন জিতে আবার ক্ষমতায় আসে। নির্বাচন দেশি-বিদেশি মহলে ব্যাপকভাবে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

২০১৪ সালের নির্বাচন। ছবি: প্রথম আলোর সৌজন্যে
২০১৪ সালের নির্বাচন। ছবি: প্রথম আলোর সৌজন্যে

২০১৮: আওয়ামী লীগের ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমবারের মতো ইভিএম ব্যবহার করা হয়।

বিএনপি ও বিরোধীরা ভোট কারচুপির অভিযোগ তোলে। জামায়াতে ইসলামিকে নিষিদ্ধ করা হয় এবং তাদের নেতাদের ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ফাঁসি দেওয়া হয়।

নির্বাচনের আগে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়। খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় ১৭ বছরের সাজা পাওয়ায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি।

আওয়ামী লীগ জোট সংসদের ৯০ শতাংশের বেশি আসন জিতে নেয়। বিশ্বব্যাপী এই নির্বাচনকে প্রহসন বলা হয়।

২০২৪: শেখ হাসিনার পতনের প্রেক্ষাপট

৭ জানুয়ারি ২০২৪ নির্বাচন বিএনপি বয়কট করে এবং জামায়াত নিষিদ্ধ থাকায় শেখ হাসিনা পঞ্চমবারের মতো ক্ষমতায় থাকেন। বাংলাদেশ কার্যত আবার একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

জুলাই মাসে কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহালের প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়, যা পরে সরকার পতনের আন্দোলনে মোড় নেয়। এটি ‘জুলাই বিপ্লব’ নামে পরিচিত হয়। সরকারি দমন-পীড়নে অন্তত ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হন। অবশেষে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন।

আল জাজিরা থেকে সংক্ষেপিত অনুবাদ করেছেন মাহজাবিন নাফিসা

Ad 300x250

সম্পর্কিত