স্ট্রিম সংবাদদাতা

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জালিয়াপাড়া এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৪টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং দমকলকর্মীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এখনও এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে উপজেলার ৫নং ওয়ার্ডের নাটমুরা পাড়া সংলগ্ন জালিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, জেলে হাসিমন দাশের বাড়িতে জ্বালানো মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসী প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালেও দমকা বাতাসের কারণে তা দ্রুত বিস্তৃত হয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মুজিব উল্লাহ জানান, অগ্নিকাণ্ডে জেলে, দিনমজুর ও সেলুন দোকানদারসহ ১৪টি পরিবারের বসতঘর, আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের উপ-সহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানিয়েছে, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন নেভানোর সময় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যসহ স্থানীয় অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে, ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জালিয়াপাড়া এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৪টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং দমকলকর্মীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এখনও এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে উপজেলার ৫নং ওয়ার্ডের নাটমুরা পাড়া সংলগ্ন জালিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, জেলে হাসিমন দাশের বাড়িতে জ্বালানো মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসী প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালেও দমকা বাতাসের কারণে তা দ্রুত বিস্তৃত হয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মুজিব উল্লাহ জানান, অগ্নিকাণ্ডে জেলে, দিনমজুর ও সেলুন দোকানদারসহ ১৪টি পরিবারের বসতঘর, আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের উপ-সহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানিয়েছে, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন নেভানোর সময় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যসহ স্থানীয় অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে, ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনে সরকারি নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
২৮ মিনিট আগে
ঘটনার পর নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা, দুই বোন ও এক ভাগনাকে পুলিশি হেফাজতে নিয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওসি মাহবুবুর রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মহাখালীতে জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আহমদ হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের প্রতিটি উপজেলা পরিষদ ভবনে সংসদ সদস্যদের দাপ্তরিক কাজ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধার্থে ‘পরিদর্শন কক্ষ’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই তথ্য জানান।
১২ ঘণ্টা আগে