
ইতালি পাচারকালে নৌকাডুবিতে আট বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে করা মামলায় আরও দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মাদারীপুরের রাজৈর থানাধীন টেকেরহাট বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) মানবপাচার ইউনিট (টিএইচবি)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পূর্ব সরমঙ্গল গ্রামের মৃত আশরাফ আলী বাঘার ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম রফিক বাঘা (৫৪) ও গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কানোরিয়া গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. আমির হোসেন স্বপন (৩৮)।
গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা নৌকাডুবিতে নিহত রাসেল শেখের (১৯) পরিবারের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ, চক্রের অন্য সদস্যদের কাছে অর্থ পৌঁছে দেওয়া এবং তাকে বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার কথা স্বীকার করেছে।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টা থেকে ভোর সাড়ে চারটার মধ্যে ভূমধ্যসাগরে তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর চেষ্টাকালে নৌকাটি ডুবে যায়। এতে আট বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। নিহতদের মরদেহ সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশে এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ওই ঘটনায় বেঁচে ফেরা এক ভুক্তভোগী আদালতে জবানবন্দি দেন। সে সময় তিনি সংশ্লিষ্ট পাচারকারীদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করেন।
সিআইডির তদন্তে জানা যায়, সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রটি ভুক্তভোগীদের ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেয়। পরবর্তীতে তাদের অবৈধভাবে লিবিয়া থেকে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে সমুদ্রপথে ইতালি পাঠানোর চেষ্টা করা হয়।
একই ঘটনায় চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি গুরুদাস বারই (৪৫) এবং মো. মোতলেব মাতব্বর (৬৮) নামের দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
.png)


-40e58c.jpeg)



