স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১০ ও কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির তিনজনের প্রার্থিতা থাকবে কিনা, সেই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আদেশ দেবেন আগামীকাল রোববার। প্রার্থিতার বিষয়ে এই সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
ওই তিন প্রার্থী হলেন– কুমিল্লা-১০ আসনে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া ও আবদুল গফুর ভূঁইয়া এবং কুমিল্লা-৪ আসনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আদেশের জন্য এই দিন দেন। রোববার সুপ্রিম কোর্টের কার্যতালিকায় (কজ লিস্ট) এই তিনজনের বিষয়ে আদেশের ক্রমিক নম্বর ১০১, ১০২ ও ১০৩।
ঋণখেলাপির অভিযোগে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন। ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। পরে ২৫ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাঁকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি ইতোমধ্যে প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।
তবে হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন একই আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার হাসান আহমেদ। ওই আবেদনের ওপর আদেশ রয়েছে কার্যতালিকার ১০১ নম্বরে।
একই আসনে বিএনপির আরেক নেতা আবদুল গফুর ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আমেরিকার নাগরিকত্বের অভিযোগ এনেছিলেন বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী কাজী নুরে আলম সিদ্দিকী। পরে ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) শুনানি শেষে গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করে।
ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গফুর ভূঁইয়া হাইকোর্টে রিট করলে গত ২২ জানুয়ারি তা সরাসরি খারিজ হয়। হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে তিনি পরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে যান। সেই লিভ টু আপিলের ওপর এখন আদেশ হবে। কার্যতালিকায় আবেদনটি ১০২ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।
কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল হয় ঋণখেলাপির তথ্য গোপন করায়। অবশ্য রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। পরে একই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর আপিলের শুনানি শেষে ১৭ জানুয়ারি মঞ্জুরুলের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে ইসি।
সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মঞ্জুরুল আহসান হাইকোর্টে রিট করলেও গত ২১ জানুয়ারি তা সরাসরি খারিজ করে দেন আদালত। এরপর সুপ্রিম কোর্টে মঞ্জুরুল লিভ টু আপিল করেন। আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় এই আবেদনটির ওপর আদেশ আছে ১০৩ নম্বর ক্রমিকে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১০ ও কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির তিনজনের প্রার্থিতা থাকবে কিনা, সেই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আদেশ দেবেন আগামীকাল রোববার। প্রার্থিতার বিষয়ে এই সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
ওই তিন প্রার্থী হলেন– কুমিল্লা-১০ আসনে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া ও আবদুল গফুর ভূঁইয়া এবং কুমিল্লা-৪ আসনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আদেশের জন্য এই দিন দেন। রোববার সুপ্রিম কোর্টের কার্যতালিকায় (কজ লিস্ট) এই তিনজনের বিষয়ে আদেশের ক্রমিক নম্বর ১০১, ১০২ ও ১০৩।
ঋণখেলাপির অভিযোগে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন। ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। পরে ২৫ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাঁকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি ইতোমধ্যে প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।
তবে হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন একই আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার হাসান আহমেদ। ওই আবেদনের ওপর আদেশ রয়েছে কার্যতালিকার ১০১ নম্বরে।
একই আসনে বিএনপির আরেক নেতা আবদুল গফুর ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আমেরিকার নাগরিকত্বের অভিযোগ এনেছিলেন বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী কাজী নুরে আলম সিদ্দিকী। পরে ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) শুনানি শেষে গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করে।
ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গফুর ভূঁইয়া হাইকোর্টে রিট করলে গত ২২ জানুয়ারি তা সরাসরি খারিজ হয়। হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে তিনি পরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে যান। সেই লিভ টু আপিলের ওপর এখন আদেশ হবে। কার্যতালিকায় আবেদনটি ১০২ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।
কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল হয় ঋণখেলাপির তথ্য গোপন করায়। অবশ্য রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। পরে একই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর আপিলের শুনানি শেষে ১৭ জানুয়ারি মঞ্জুরুলের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে ইসি।
সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মঞ্জুরুল আহসান হাইকোর্টে রিট করলেও গত ২১ জানুয়ারি তা সরাসরি খারিজ করে দেন আদালত। এরপর সুপ্রিম কোর্টে মঞ্জুরুল লিভ টু আপিল করেন। আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় এই আবেদনটির ওপর আদেশ আছে ১০৩ নম্বর ক্রমিকে।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান যে পরিবর্তন এনেছে তা শুধু রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না, মানুষের ভাগ্যেও পরিবর্তন আনতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের চরজানা বাইপাস এলাকায় এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
২ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, প্রার্থী সাত জন হলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা হবে ধানের শীষ ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে। যদিও অন্যদের হিসাবের বাইরে রাখছেন না কেউই।
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ইঙ্গিত করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যারা বছরের পর বছর গুপ্ত হয়ে উধাও হয়ে গিয়েছিল, তারাই আজ মজলুমদের গুপ্ত আর সুপ্ত বলছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
‘আপনাদের অনেকেই এসে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে, দেখামাত্র তাদেরকে বলবেন তোমরা গুপ্ত। যারাই বিভ্রান্তিমূলক কথা ছড়াবে, তাদের একটাই নাম–গুপ্ত। কারণ, আমরা গত ১৬ বছরে তাদের দেখি নাই, যারা ৫ তারিখ পালিয়েছে, তারা তাদের সঙ্গে মিশে ছিল।’
৪ ঘণ্টা আগে