তৌফিক হাসান

রাজধানীর পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট। অধিকাংশ পাম্পে দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে গ্রাহকদের। তাদের মধ্যে তেল না পাওয়ার দুশ্চিন্তা ও ক্ষোভ স্পষ্ট।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর থেকে আসাদ গেট পর্যন্ত পাঁচটি পাম্পে এই চিত্র দেখা যায়। বেশির ভাগ পাম্পের প্রবেশমুখ বাঁশ ও দড়ি দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। ফলে গ্রাহকদের রাস্তার ওপর গাড়ি রেখে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
মিরপুরের স্যাম আসোসিয়েটস ফিলিং স্টেশন, দারুসসালামের খালেক সার্ভিস সেন্টার ও আসাদ গেটের মেসার্স তালুকদার ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সারি দেখা যায়।

এই স্টেশনগুলোতে সূর্যোদয়ের পর থেকেই গ্রাহকরা অপেক্ষা করছেন। কিন্তু কখন তেল পাওয়া যাবে, তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। মিরপুরের স্যাম আসোসিয়েটসে সকাল ৮টা থেকে অপেক্ষায় থাকা মোটরসাইকেল আরোহী আলামিন বলেন, “আমি যখন আসছি, তখন বলছে দেড়-দুই ঘণ্টার মধ্যে তেল পেয়ে যাব। এখন তিন ঘণ্টা পার হয়ে গেছে, কিন্তু তেল পাইনি।” গাড়িচালক বাইজিদ জানান, তিনি ভোর ৫টায় এসেছেন, কিন্তু এখনো তেলের দেখা নেই।
দারুসসালামের খালেক সার্ভিস সেন্টারে অপেক্ষমাণ তরুণ উদ্যোক্তা অর্ক বলেন, “আমি ঘণ্টাখানেক ধরে অপেক্ষায় আছি। এর আগে আরও ৫-৬টি পাম্পে গিয়েছি, কোথাও তেল নেই।” আরেক আরোহী রাজু আক্ষেপ করে বলেন, “গতকাল বিকেলে এসেছিলাম, বলেছিল আজকে দুপুর ১টায় দিবে। এখন বলছে তেল নেই, আসলে পাবেন।” আসাদগেটের তালুকদার ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষারত চালক শুভ ও মাহির উদ্দিন জানান, বারবার সময় বদলানো হচ্ছে কিন্তু ডিপো থেকে তেল আসছে না বলে তাঁদের ঘোরানো হচ্ছে।

পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, তেল আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলেও সরবরাহ না পৌঁছানো পর্যন্ত কিছু করার নেই। স্যাম আসোসিয়েটস লিমিটেডের ক্যাশিয়ার আরাফাত বলেন, “পে-অর্ডার করতে না পারায় ঈদের আগে থেকেই আমাদের তেল দেওয়া বন্ধ ছিল। তেলের গাড়ি এখন নারায়ণগঞ্জ থেকে আসবে। আসলেই আমরা দেওয়া শুরু করব।” মেসার্স তালুকদার ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার তন্ময় বলেন, “ভোর পর্যন্ত তেল দেওয়া হয়েছে। দিনের বেলা পে-অর্ডারসহ বিভিন্ন কারণে তেল আসতে দেরি হয়। আমরা চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ পাচ্ছি না।”

এদিকে, তেল না পাওয়ায় গাবতলীর মোহনা ফিলিং স্টেশনে পাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গ্রাহকদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে এক ক্ষুব্ধ গ্রাহক হেলমেট দিয়ে কাউন্টারের গ্লাস ভেঙে ফেলেন। গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, টাকা দিয়েও তাঁরা তেল পাচ্ছেন না। মোহনা ফিলিং স্টেশনের মালিক মাজহারুল ইসলাম খোকন বলেন, “আমরা গতকাল সাড়ে ৪ হাজার লিটার অকটেন পাই। আমরা সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ, তাঁদের অগ্রাধিকার দিতে হয়। সাধারণ গ্রাহকদের বিকেলের পর আসতে বললেও তাঁরা এখনই তেল নেওয়ার জন্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন।”
অপেক্ষার পর তেল পেয়ে আসাদগেটের সোনার বাংলা সার্ভিস স্টেশনের গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে। দুপুর ১টা থেকে এখানে তেল দেওয়া শুরু হয়। গাড়িচালক আরফান ও আশরাফ জানান, দেড় ঘণ্টা অপেক্ষার পর পর্যাপ্ত তেল পেয়ে তাঁদের ভালো লাগছে। স্টেশনের ম্যানেজার হিমালয় মণ্ডল বলেন, “দুই দিন ডিপো বন্ধ থাকায় আমরাও বন্ধ ছিলাম। আজ দুপুর থেকে পুনরায় চালু হয়েছে। তবে বরাদ্দ বাড়লেও চাহিদা অনেক বেশি। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ১২ দিন ২৪ ঘণ্টা পাম্প খোলা রাখতে হচ্ছে, যা সামলানো আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।”

রাজধানীর পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট। অধিকাংশ পাম্পে দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে গ্রাহকদের। তাদের মধ্যে তেল না পাওয়ার দুশ্চিন্তা ও ক্ষোভ স্পষ্ট।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর থেকে আসাদ গেট পর্যন্ত পাঁচটি পাম্পে এই চিত্র দেখা যায়। বেশির ভাগ পাম্পের প্রবেশমুখ বাঁশ ও দড়ি দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। ফলে গ্রাহকদের রাস্তার ওপর গাড়ি রেখে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
মিরপুরের স্যাম আসোসিয়েটস ফিলিং স্টেশন, দারুসসালামের খালেক সার্ভিস সেন্টার ও আসাদ গেটের মেসার্স তালুকদার ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সারি দেখা যায়।

এই স্টেশনগুলোতে সূর্যোদয়ের পর থেকেই গ্রাহকরা অপেক্ষা করছেন। কিন্তু কখন তেল পাওয়া যাবে, তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। মিরপুরের স্যাম আসোসিয়েটসে সকাল ৮টা থেকে অপেক্ষায় থাকা মোটরসাইকেল আরোহী আলামিন বলেন, “আমি যখন আসছি, তখন বলছে দেড়-দুই ঘণ্টার মধ্যে তেল পেয়ে যাব। এখন তিন ঘণ্টা পার হয়ে গেছে, কিন্তু তেল পাইনি।” গাড়িচালক বাইজিদ জানান, তিনি ভোর ৫টায় এসেছেন, কিন্তু এখনো তেলের দেখা নেই।
দারুসসালামের খালেক সার্ভিস সেন্টারে অপেক্ষমাণ তরুণ উদ্যোক্তা অর্ক বলেন, “আমি ঘণ্টাখানেক ধরে অপেক্ষায় আছি। এর আগে আরও ৫-৬টি পাম্পে গিয়েছি, কোথাও তেল নেই।” আরেক আরোহী রাজু আক্ষেপ করে বলেন, “গতকাল বিকেলে এসেছিলাম, বলেছিল আজকে দুপুর ১টায় দিবে। এখন বলছে তেল নেই, আসলে পাবেন।” আসাদগেটের তালুকদার ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষারত চালক শুভ ও মাহির উদ্দিন জানান, বারবার সময় বদলানো হচ্ছে কিন্তু ডিপো থেকে তেল আসছে না বলে তাঁদের ঘোরানো হচ্ছে।

পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, তেল আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলেও সরবরাহ না পৌঁছানো পর্যন্ত কিছু করার নেই। স্যাম আসোসিয়েটস লিমিটেডের ক্যাশিয়ার আরাফাত বলেন, “পে-অর্ডার করতে না পারায় ঈদের আগে থেকেই আমাদের তেল দেওয়া বন্ধ ছিল। তেলের গাড়ি এখন নারায়ণগঞ্জ থেকে আসবে। আসলেই আমরা দেওয়া শুরু করব।” মেসার্স তালুকদার ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার তন্ময় বলেন, “ভোর পর্যন্ত তেল দেওয়া হয়েছে। দিনের বেলা পে-অর্ডারসহ বিভিন্ন কারণে তেল আসতে দেরি হয়। আমরা চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ পাচ্ছি না।”

এদিকে, তেল না পাওয়ায় গাবতলীর মোহনা ফিলিং স্টেশনে পাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গ্রাহকদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে এক ক্ষুব্ধ গ্রাহক হেলমেট দিয়ে কাউন্টারের গ্লাস ভেঙে ফেলেন। গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, টাকা দিয়েও তাঁরা তেল পাচ্ছেন না। মোহনা ফিলিং স্টেশনের মালিক মাজহারুল ইসলাম খোকন বলেন, “আমরা গতকাল সাড়ে ৪ হাজার লিটার অকটেন পাই। আমরা সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ, তাঁদের অগ্রাধিকার দিতে হয়। সাধারণ গ্রাহকদের বিকেলের পর আসতে বললেও তাঁরা এখনই তেল নেওয়ার জন্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন।”
অপেক্ষার পর তেল পেয়ে আসাদগেটের সোনার বাংলা সার্ভিস স্টেশনের গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে। দুপুর ১টা থেকে এখানে তেল দেওয়া শুরু হয়। গাড়িচালক আরফান ও আশরাফ জানান, দেড় ঘণ্টা অপেক্ষার পর পর্যাপ্ত তেল পেয়ে তাঁদের ভালো লাগছে। স্টেশনের ম্যানেজার হিমালয় মণ্ডল বলেন, “দুই দিন ডিপো বন্ধ থাকায় আমরাও বন্ধ ছিলাম। আজ দুপুর থেকে পুনরায় চালু হয়েছে। তবে বরাদ্দ বাড়লেও চাহিদা অনেক বেশি। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ১২ দিন ২৪ ঘণ্টা পাম্প খোলা রাখতে হচ্ছে, যা সামলানো আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।”

রাজধানীর শাহজাদপুরে নিজের আদরের পোষা বিড়ালকে উদ্ধার করতে গিয়ে তিনতলার ছাদ থেকে নিচে পড়ে বন্যা কস্তা (৩৬) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
১০ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিজেদের বাড়িতে বিস্ফোরণে মতিউর রহমান (২৩) নামে এক মাদ্রাসাছাত্র গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার টুঙ্গিপাড়ায় ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাড়ি পরিদর্শন করেছে বিস্ফোরিত ককটেল সাদৃশ্য বস্তুর কিছু আলামত জব্দ করে তারা। এ সময় একটি অবিস্ফোরিত ককটেল সাদৃশ্য বস্তু নিষ্ক্রিয় করে।
১ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে আক্তার মিয়া ও হাবিব মিয়া নামে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় গোষ্ঠীর অন্তত ৩০ জন।
২ ঘণ্টা আগে
উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই বিশেষ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে