স্ট্রিম প্রতিবেদক

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সময় টিভিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল, অবৈধ নিয়োগের অভিযোগ এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির সিইও জুবায়ের বাবু এবং পরিচালক আহমেদ জুবায়েরের মধ্যে ‘বিরোধ’ প্রকাশ্যে আসায় রোববার (১০ মে) বিকেল থেকে অফিস প্রাঙ্গণে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
সময় টিভির সিইও জুবায়ের বাবু অভিযোগ করেছেন, আজ বিকেল ৪টার দিকে পরিচালক আহমেদ জুবায়ের তাকে বরখাস্ত করার ঘোষণা দেন। তবে জুবায়ের বাবু এই সিদ্ধান্তকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখান করেছেন। তার দাবি, পরিচালক হিসেবে একক সিদ্ধান্তে সিইও-কে ছাঁটাই করার এখতিয়ার আহমেদ জুবায়েরের নেই।
সিইও জুবায়ের বাবুর মতে, এই উত্তেজনার মূলে রয়েছে গত তিন মাসে হওয়া বিশাল এক নিয়োগ প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, সিইও-কে না জানিয়েই গত তিন মাসে প্রায় ১৬০ জনকে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিগত সরকারের আমলে যারা টেলিভিশনে অপপ্রচার চালিয়েছেন এবং আওয়ামী লীগের গবেষণা সেল সিআরআই-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদেরই এখানে পুনর্বাসন করা হচ্ছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘পরিচালক আহমেদ জুবায়েরের ছেলে সিআরআই-এর প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন। তাঁকে সময় টিভিতে নিয়োগ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন পরিচালক।’
জুবায়ের বাবু আরও বলেন, ‘আমি চেয়ারম্যানের অনুমতি নিয়ে এই বিতর্কিত নিয়োগের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছিলাম এবং প্রশাসনের কাছে তালিকা চেয়েছিলাম। অনুসন্ধান শুরু করতেই আমার ওপর এমন আক্রমণাত্মক আচরণ করা হয়েছে।’
একাধিক গণমাধ্যমকর্মী জানিয়েছেন, সময় টিভির নিয়ন্ত্রণ এক পক্ষ থেকে অন্য পক্ষে নেওয়ার চেষ্টার খবর ছড়িয়ে পড়লে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ও উত্তেজনা শুরু হয়। অফিসের এক পক্ষ অন্য পক্ষকে হটিয়ে দখলের চেষ্টা করছে বলেও গুঞ্জন রয়েছে।
সময় টিভির একজন সংবাদকর্মী নিশ্চিত করেছেন যে, জুবায়ের বাবুকে দেওয়া চাকরিচ্যুতির চিঠিটি অবৈধ উল্লেখ করে সেটি তিনি গ্রহণ করেননি, যার ফলে অফিস থমথমে।
অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পরিচালক আহমেদ জুবায়েরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন পাঠানো হলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি। ফলে তার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে আহমেদ জুবায়ের একজন ঘনিষ্ট, তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘সিইও কার হাত ধরে নিয়োগ পেয়েছেন? আহমেদ জুবায়েরই তাঁকে নিয়ে এসেছেন।’
এ বিষয়ে কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফজলে আশিক স্ট্রিমকে জানান, ‘সময় টিভি অফিসে উত্তেজনার খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। গিয়ে বুঝতে পারি, তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এটা নিয়ে যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে, সে বিষয়ে তাদের নির্দেশনা দিয়ে চলে আসি। সেখানে কোনও পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি।’

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সময় টিভিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল, অবৈধ নিয়োগের অভিযোগ এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির সিইও জুবায়ের বাবু এবং পরিচালক আহমেদ জুবায়েরের মধ্যে ‘বিরোধ’ প্রকাশ্যে আসায় রোববার (১০ মে) বিকেল থেকে অফিস প্রাঙ্গণে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
সময় টিভির সিইও জুবায়ের বাবু অভিযোগ করেছেন, আজ বিকেল ৪টার দিকে পরিচালক আহমেদ জুবায়ের তাকে বরখাস্ত করার ঘোষণা দেন। তবে জুবায়ের বাবু এই সিদ্ধান্তকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখান করেছেন। তার দাবি, পরিচালক হিসেবে একক সিদ্ধান্তে সিইও-কে ছাঁটাই করার এখতিয়ার আহমেদ জুবায়েরের নেই।
সিইও জুবায়ের বাবুর মতে, এই উত্তেজনার মূলে রয়েছে গত তিন মাসে হওয়া বিশাল এক নিয়োগ প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, সিইও-কে না জানিয়েই গত তিন মাসে প্রায় ১৬০ জনকে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিগত সরকারের আমলে যারা টেলিভিশনে অপপ্রচার চালিয়েছেন এবং আওয়ামী লীগের গবেষণা সেল সিআরআই-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদেরই এখানে পুনর্বাসন করা হচ্ছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘পরিচালক আহমেদ জুবায়েরের ছেলে সিআরআই-এর প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন। তাঁকে সময় টিভিতে নিয়োগ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন পরিচালক।’
জুবায়ের বাবু আরও বলেন, ‘আমি চেয়ারম্যানের অনুমতি নিয়ে এই বিতর্কিত নিয়োগের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছিলাম এবং প্রশাসনের কাছে তালিকা চেয়েছিলাম। অনুসন্ধান শুরু করতেই আমার ওপর এমন আক্রমণাত্মক আচরণ করা হয়েছে।’
একাধিক গণমাধ্যমকর্মী জানিয়েছেন, সময় টিভির নিয়ন্ত্রণ এক পক্ষ থেকে অন্য পক্ষে নেওয়ার চেষ্টার খবর ছড়িয়ে পড়লে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ও উত্তেজনা শুরু হয়। অফিসের এক পক্ষ অন্য পক্ষকে হটিয়ে দখলের চেষ্টা করছে বলেও গুঞ্জন রয়েছে।
সময় টিভির একজন সংবাদকর্মী নিশ্চিত করেছেন যে, জুবায়ের বাবুকে দেওয়া চাকরিচ্যুতির চিঠিটি অবৈধ উল্লেখ করে সেটি তিনি গ্রহণ করেননি, যার ফলে অফিস থমথমে।
অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পরিচালক আহমেদ জুবায়েরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন পাঠানো হলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি। ফলে তার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে আহমেদ জুবায়ের একজন ঘনিষ্ট, তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘সিইও কার হাত ধরে নিয়োগ পেয়েছেন? আহমেদ জুবায়েরই তাঁকে নিয়ে এসেছেন।’
এ বিষয়ে কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফজলে আশিক স্ট্রিমকে জানান, ‘সময় টিভি অফিসে উত্তেজনার খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। গিয়ে বুঝতে পারি, তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এটা নিয়ে যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে, সে বিষয়ে তাদের নির্দেশনা দিয়ে চলে আসি। সেখানে কোনও পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি।’

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়েছে। শাড়িগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য ৬২ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
৩৩ মিনিট আগে
ফেনীর দাগনভূঁইয়া উপজেলার সিন্দুরপুর এলাকায় মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে মা নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন বাবা ও বোন। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনে পাঁচ কেন্দ্রের তিনটিই অচল। ব্যবহারযোগ্য দুটির মধ্যে একটিতে মিলছে বিদ্যুৎ। এমন অবস্থায় বিএনপি সরকার নতুন প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে। সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় বায়ুবিদ্যুতের সম্ভাবনা যাচাই করতে পাঁচটি সমীক্ষার পরিকল্পনা করেছে সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ।
১১ ঘণ্টা আগে
দোকান থেকে খাবার কেনার সময় অধিকাংশ মানুষই প্যাকেটের গায়ে লেখা তথ্য গুরুত্ব দিয়ে দেখেন না। ফলে খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ বা চর্বি আছে কি না, তা অনেকেরই অজানা থেকে যায়।
১২ ঘণ্টা আগে