স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের সমন্বয়ক সিনথিয়া মেহজাবিনের মাতলামির দৃশ্য।
ভিডিওতে, রাতের বেলায় একটি সড়কে এক নারীকে সঙ্গে থাকা পুরুষের ওপর চড়াও হতে দেখা যায়।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীর নয়। এটি বাংলাদেশেরও নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের কেরালায় এক তরুণী ও এক তরুণের মধ্যে ধস্তাধস্তির একটি ভিডিওকে ঢাবির রোকেয়া হলের সমন্বয়কের ভিডিও দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
আলোচিত পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ভিডিওটির সঙ্গে ‘মদ্যপ অবস্থায় ঢাবির রোকেয়া হল সমন্বয়ক সিনথিয়া মেহজাবিনের মাতলামির চিত্র’ ক্যাপশনে দাবি জুড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পোস্টগুলোতে ভিডিওটির উৎস, ধারণের সময়, স্থান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য, সংবাদ প্রতিবেদন বা নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র দেওয়া হয়নি।
ভিডিওটির উৎস খুঁজতে গিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এশিয়ানেট নিউজ ৫ মার্চ ২০২৬ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ওই প্রতিবেদনে থাকা ছবির সঙ্গে আলোচিত ভিডিওর দৃশ্যের মিল পাওয়া যায়। এশিয়ানেট নিউজ জানায়, ভিডিওটি ভারতের কেরালার রাজধানী তিরুবনন্তপুরমে (ত্রিভান্দ্রম) ধারণ করা।
আরও অনুসন্ধানে জি নিউজের তেলুগু সংস্করণের ১৯ মার্চ ২০২৬ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেমিকের প্রতারণার বিষয় জানতে পেরে এক তরুণী তাকে রাস্তায় মারধর করেন, এমন দাবিতে ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়ায়।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীর মদ্যপ অবস্থায় রাস্তায় মারামারি করার ঘটনা নিয়ে কোনো তথ্য মূলধারার গণমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, ভারতের কেরালার একটি ভিডিওকে বাংলাদেশের ঘটনা বলে প্রচার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভিডিওটির সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রোকেয়া হল এবং সিনথিয়া মেহজাবিনের নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের সমন্বয়ক সিনথিয়া মেহজাবিনের মাতলামির দৃশ্য।
ভিডিওতে, রাতের বেলায় একটি সড়কে এক নারীকে সঙ্গে থাকা পুরুষের ওপর চড়াও হতে দেখা যায়।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীর নয়। এটি বাংলাদেশেরও নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের কেরালায় এক তরুণী ও এক তরুণের মধ্যে ধস্তাধস্তির একটি ভিডিওকে ঢাবির রোকেয়া হলের সমন্বয়কের ভিডিও দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
আলোচিত পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ভিডিওটির সঙ্গে ‘মদ্যপ অবস্থায় ঢাবির রোকেয়া হল সমন্বয়ক সিনথিয়া মেহজাবিনের মাতলামির চিত্র’ ক্যাপশনে দাবি জুড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পোস্টগুলোতে ভিডিওটির উৎস, ধারণের সময়, স্থান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য, সংবাদ প্রতিবেদন বা নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র দেওয়া হয়নি।
ভিডিওটির উৎস খুঁজতে গিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এশিয়ানেট নিউজ ৫ মার্চ ২০২৬ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ওই প্রতিবেদনে থাকা ছবির সঙ্গে আলোচিত ভিডিওর দৃশ্যের মিল পাওয়া যায়। এশিয়ানেট নিউজ জানায়, ভিডিওটি ভারতের কেরালার রাজধানী তিরুবনন্তপুরমে (ত্রিভান্দ্রম) ধারণ করা।
আরও অনুসন্ধানে জি নিউজের তেলুগু সংস্করণের ১৯ মার্চ ২০২৬ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেমিকের প্রতারণার বিষয় জানতে পেরে এক তরুণী তাকে রাস্তায় মারধর করেন, এমন দাবিতে ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়ায়।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীর মদ্যপ অবস্থায় রাস্তায় মারামারি করার ঘটনা নিয়ে কোনো তথ্য মূলধারার গণমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, ভারতের কেরালার একটি ভিডিওকে বাংলাদেশের ঘটনা বলে প্রচার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভিডিওটির সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রোকেয়া হল এবং সিনথিয়া মেহজাবিনের নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
.png)

তবে স্ট্রিমকে সংশ্লিষ্ট দুই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে ওই দুই যুবক রেললাইনে ঘুমিয়েছিলেন—এমন তথ্য তাঁরা কোনো গণমাধ্যমকে দেননি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
পোস্টগুলোর ক্যাপশনে বলা হয়, চাঁদার দাবিতে ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনের কর্মকর্তাদের ওপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন। তবে স্ট্রিমের অনুসন্ধানে এই দাবির সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার মিল পাওয়া যায়নি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে শেখ হাসিনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি গত ৫ আগস্ট তার লাইভে কথা বলার আগের মুহূর্তের দৃশ্য। ভিডিওটিতে শেখ হাসিনাকে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে দেখা যায়।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ডামি বা নকল AK-47 দিয়ে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটিতে একটি কক্ষে এক ব্যক্তিকে রাইফেলের মতো দেখতে একটি বস্তু হাতে সেটির বিভিন্ন অংশ দেখাতে দেখা যায়।
১২ আগস্ট ২০২৬