স্ট্রিম সংবাদদাতা

আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করবে না সিলেট বিভাগের কওমি মাদ্রাসাগুলো। বিগত আওয়ামী লীগ আমলের ষড়যন্ত্র, ইন্টেরিমের অকার্যকর সিদ্ধান্ত এবং বর্তমান সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ তুলে পরিষদ নেতারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সোমবার সিলেট মহানগরের সোবহানীঘাটের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিলেট বিভাগ কওমি মাদ্রাসা সংরক্ষণ পরিষদ এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পরিষদের সদস্যসচিব মাওলানা মুশতাক আহমদ খান।
কোরবানির দিনে চামড়াশিল্পের মোট ৭১ শতাংশ কওমি মাদ্রাসার মাধ্যমে সংগৃহীত হয়ে থাকে উল্লেখ করে মাওলানা মুশতাক আহমদ খান বলেন বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর চামড়াশিল্পের সুদিন ফেরার আশায় ছিলাম আমরা। কিন্তু সরকারের ১৮০ দিনের কোনো প্রকল্পেই চামড়াশিল্প নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই। অথচ এটি একটি রাষ্ট্রের বড় আয়ের খাত। আগের সেই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারেনি এই সরকার। যা কওমি মাদ্রাসাগুলোর কর্তৃপক্ষকে হতাশ করেছে। সার্বিক বিবেচনায় সিলেট বিভাগের কওমি মাদ্রাসাগুলো কোররবানির মৌসুমে চামড়া সংগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে।’
তিনি আরও বলেন, বছরজুড়ে সর্বসাধারণের দান, মৌসুমী চাঁদা, কোরবানির পশুর চামড়া ইত্যাদি কওমি মাদ্রাসা পরিচালনায় আয়ের অন্যতম উৎস। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ২০১৩ সালে কওমি মাদ্রাসা এই অন্যতম আয়ের উৎস বন্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। ওই সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যে ক্রমান্বয়ে দেশের রপ্তানী শিল্পের অন্যতম এই পণ্য দেশের বাজারে দরপতনের শিকার হতে থাকে। শেষপর্যন্ত কোরবানির চামড়া প্রায় মূল্যহীন পণ্যে পরিণত হয়। বর্তমান অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, কওমি মাদ্রাসাগুলো এলাকার মানুষের কোরবানির চামড়া সংগ্রহ করে যত টাকা পরিবহণ খরচ করে, চামড়া বিক্রি করে সেই টাকাও পায় না।
মাওলানা মুশতাক আহমদ খান বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চামড়াশিল্প রক্ষায় উদ্যোগের কিছুটা তৎপরতা দেখালেও সুফল মেলেনি। গতবছর কোরবানির মৌসুমে ড. ইউনূস সরকার কওমি মাদ্রাসাগুলোকে চামড়া সংরক্ষণের জন্য কাঁচা লবণ সরবরাহ করে। কিন্তু এ উদ্যোগটি অযৌক্তিক ও অকার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। ওই সরকারের উচিত ছিলো চামড়া শিল্পের দেশীয় বাণিজ্যিক সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা।
তবে ভবিষ্যতে সরকার আমাদের ডেকে এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিলে এবং চামড়াশিল্পের উন্নতি হলে গরিব, এতিমদের ইসলামি শিক্ষার স্বার্থে পুনরায় চামড়া সংগ্রহ করতে চিন্তা করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানান হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য আরও বক্তব্য দেন সিলেট বিভাগ কওমি মাদ্রাসা সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক মাওলানা আব্দুল বছীর সুনামগঞ্জী, যুগ্ম সচিব মাওলানা আহমদ কবীর আমকুনী, যুগ্ম সচিব মাওলানা ইউসুফ আহমদ খাদিমানী, মাওলানা মঞ্জুর আহমদ, মাওলানা এনামুল হক বহরগ্রামী, মুফতি মাওলানা রশিদ আহমদ, মাওলানা নিয়াম উল্লাহ খাসদবিরী, মাওলানা শামীম আহমদ ও মাওলানা গোলাম কিবরিয়া।

আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করবে না সিলেট বিভাগের কওমি মাদ্রাসাগুলো। বিগত আওয়ামী লীগ আমলের ষড়যন্ত্র, ইন্টেরিমের অকার্যকর সিদ্ধান্ত এবং বর্তমান সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ তুলে পরিষদ নেতারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সোমবার সিলেট মহানগরের সোবহানীঘাটের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিলেট বিভাগ কওমি মাদ্রাসা সংরক্ষণ পরিষদ এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পরিষদের সদস্যসচিব মাওলানা মুশতাক আহমদ খান।
কোরবানির দিনে চামড়াশিল্পের মোট ৭১ শতাংশ কওমি মাদ্রাসার মাধ্যমে সংগৃহীত হয়ে থাকে উল্লেখ করে মাওলানা মুশতাক আহমদ খান বলেন বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর চামড়াশিল্পের সুদিন ফেরার আশায় ছিলাম আমরা। কিন্তু সরকারের ১৮০ দিনের কোনো প্রকল্পেই চামড়াশিল্প নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই। অথচ এটি একটি রাষ্ট্রের বড় আয়ের খাত। আগের সেই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারেনি এই সরকার। যা কওমি মাদ্রাসাগুলোর কর্তৃপক্ষকে হতাশ করেছে। সার্বিক বিবেচনায় সিলেট বিভাগের কওমি মাদ্রাসাগুলো কোররবানির মৌসুমে চামড়া সংগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে।’
তিনি আরও বলেন, বছরজুড়ে সর্বসাধারণের দান, মৌসুমী চাঁদা, কোরবানির পশুর চামড়া ইত্যাদি কওমি মাদ্রাসা পরিচালনায় আয়ের অন্যতম উৎস। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ২০১৩ সালে কওমি মাদ্রাসা এই অন্যতম আয়ের উৎস বন্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। ওই সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যে ক্রমান্বয়ে দেশের রপ্তানী শিল্পের অন্যতম এই পণ্য দেশের বাজারে দরপতনের শিকার হতে থাকে। শেষপর্যন্ত কোরবানির চামড়া প্রায় মূল্যহীন পণ্যে পরিণত হয়। বর্তমান অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, কওমি মাদ্রাসাগুলো এলাকার মানুষের কোরবানির চামড়া সংগ্রহ করে যত টাকা পরিবহণ খরচ করে, চামড়া বিক্রি করে সেই টাকাও পায় না।
মাওলানা মুশতাক আহমদ খান বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চামড়াশিল্প রক্ষায় উদ্যোগের কিছুটা তৎপরতা দেখালেও সুফল মেলেনি। গতবছর কোরবানির মৌসুমে ড. ইউনূস সরকার কওমি মাদ্রাসাগুলোকে চামড়া সংরক্ষণের জন্য কাঁচা লবণ সরবরাহ করে। কিন্তু এ উদ্যোগটি অযৌক্তিক ও অকার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। ওই সরকারের উচিত ছিলো চামড়া শিল্পের দেশীয় বাণিজ্যিক সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা।
তবে ভবিষ্যতে সরকার আমাদের ডেকে এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিলে এবং চামড়াশিল্পের উন্নতি হলে গরিব, এতিমদের ইসলামি শিক্ষার স্বার্থে পুনরায় চামড়া সংগ্রহ করতে চিন্তা করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানান হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য আরও বক্তব্য দেন সিলেট বিভাগ কওমি মাদ্রাসা সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক মাওলানা আব্দুল বছীর সুনামগঞ্জী, যুগ্ম সচিব মাওলানা আহমদ কবীর আমকুনী, যুগ্ম সচিব মাওলানা ইউসুফ আহমদ খাদিমানী, মাওলানা মঞ্জুর আহমদ, মাওলানা এনামুল হক বহরগ্রামী, মুফতি মাওলানা রশিদ আহমদ, মাওলানা নিয়াম উল্লাহ খাসদবিরী, মাওলানা শামীম আহমদ ও মাওলানা গোলাম কিবরিয়া।

মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লোকসানে ছোট খামার বন্ধ হয়ে যাওয়া, বৃষ্টির কারণে সবজি-মাংসের মূল্যবৃদ্ধি, হাতবদল ও মুরগির রোগের প্রাদুর্ভাবে বেড়েছে ডিমের দাম।
৪৩ মিনিট আগে
আটকের ঘটনায় আতঙ্কে মেডিকেল প্রতিনিধিরা। তাদের অভিযোগ, লক্ষ্য পূরণে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়ে বিপদে পড়লেও, পাশে পাচ্ছেন না খোদ চাকরিদাতাকে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আটকে সমস্যার সমাধান হবে না। চিকিৎসাসেবার স্বার্থেই মেডিকেল প্রতিনিধিদের নীতিমালার আওতায় আনা উচিত।
১ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ডাকাত দলের হামলায় র্যাব-৯-এর তিন গোয়েন্দা সদস্য আহত হয়েছেন। সোমবার (১১ মে) বিকেলে তথ্য সংগ্রহের সময় তাঁদের জিম্মি করে আস্তানায় নিয়ে মারধর ও কুপিয়ে জখম করে ডাকাতেরা।
১ ঘণ্টা আগে
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে গলায় লিচুর বিচি আটকে ১০ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার হাটবাড়ী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে