স্ট্রিম প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের হালিশহরে একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হলে সেখানে ওই নারীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। দগ্ধ বাকি আটজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে হালিশহরের এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ ভবনের তৃতীয় তলায় বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে।
নিহত নারীর নাম নুরজাহান আক্তার রানী (৪০)। তিনি দগ্ধ শাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী। বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, “চট্টগ্রাম থেকে আমাদের এখানে ৯ জন এসেছে। আসার পর নুরজাহান আক্তারকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাঁর শরীর ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।”
দগ্ধরা হলেন—শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তাঁর ভাই মো. শিপন (৩০), মো. সামির হোসেন সুমন (৪০), শাখাওয়াতের বড় ছেলে মো. শাওন (১৭), সুমনের বড় ছেলে মো. আনাস (৭), শাখাওয়াতের মেয়ে আইমান (৯), সুমনের মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪) এবং সুমনের স্ত্রী পাখি আক্তার (৩৫)।
দগ্ধ বাকি আটজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাঁদের মধ্যে শাখাওয়াত হোসেনের শরীর ১০০ শতাংশ, পাখির ১০০ শতাংশ, শিপনের ৮০ শতাংশ, শাওনের ৫০ শতাংশ, সামীরের ৪৫ শতাংশ, আয়েশার ৪৫ শতাংশ, আইমানের ৩৮ শতাংশ এবং আনাসের শরীর ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন জানান, “চট্টগ্রাম থেকে দগ্ধদের রেফার করার খবর পেয়ে আমরা সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম। রোগীদের আসা মাত্রই দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে। তবে দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) পাঠানো হয়েছে। বাকিদের পর্যবেক্ষণ শেষে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হবে।”

চট্টগ্রামের হালিশহরে একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হলে সেখানে ওই নারীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। দগ্ধ বাকি আটজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে হালিশহরের এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ ভবনের তৃতীয় তলায় বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে।
নিহত নারীর নাম নুরজাহান আক্তার রানী (৪০)। তিনি দগ্ধ শাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী। বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, “চট্টগ্রাম থেকে আমাদের এখানে ৯ জন এসেছে। আসার পর নুরজাহান আক্তারকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাঁর শরীর ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।”
দগ্ধরা হলেন—শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তাঁর ভাই মো. শিপন (৩০), মো. সামির হোসেন সুমন (৪০), শাখাওয়াতের বড় ছেলে মো. শাওন (১৭), সুমনের বড় ছেলে মো. আনাস (৭), শাখাওয়াতের মেয়ে আইমান (৯), সুমনের মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪) এবং সুমনের স্ত্রী পাখি আক্তার (৩৫)।
দগ্ধ বাকি আটজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাঁদের মধ্যে শাখাওয়াত হোসেনের শরীর ১০০ শতাংশ, পাখির ১০০ শতাংশ, শিপনের ৮০ শতাংশ, শাওনের ৫০ শতাংশ, সামীরের ৪৫ শতাংশ, আয়েশার ৪৫ শতাংশ, আইমানের ৩৮ শতাংশ এবং আনাসের শরীর ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন জানান, “চট্টগ্রাম থেকে দগ্ধদের রেফার করার খবর পেয়ে আমরা সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম। রোগীদের আসা মাত্রই দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে। তবে দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) পাঠানো হয়েছে। বাকিদের পর্যবেক্ষণ শেষে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হবে।”

জামালপুরের বকশীগঞ্জের কামালপুর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে স্থানীয় বকশীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারের কাছ থেকে তাঁকে বাংলাদেশের ভেতর আনে বিজিবি।
৫ মিনিট আগে
সবার কাছে অর্থনীতির সুফল পৌঁছানোর বিষয়টি মাথায় রেখে এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, একটি সমাজকল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করাই এই বাজেটের লক্ষ্য।
৩২ মিনিট আগে
নোয়াখালীর সেনবাগে প্রকাশ্য স্থানে গাঁজা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আরাফাত হোসেন ফাহিম (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বুধবার (১০ জুন) রাতে লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে