সীমান্তে ১,৯৭৮ বাংলাদেশি হত্যা, ভারতের জবাবদিহি দাবি সিপিবির

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯: ১৮
সিপিবির সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সংগৃহীত ছবি
সিপিবির সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সংগৃহীত ছবি

ঠাকুরগাঁওয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুই বাংলাদেশি হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেছেন, স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে এখন পর্যন্ত সীমান্তে অন্তত ১ হাজার ৯৭৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক বিএসএফের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন। বিচারবহির্ভূত এই হত্যাকাণ্ডকে গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধ আখ্যা দিয়ে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার পুরানা পল্টন মোড়ে সিপির উদ্যোগে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশ শেষে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সীমান্তে বিএসএফের হত্যাকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ এবং দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করার দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সিপিবি সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের উচিত অবিলম্বে সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া এবং এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য ভারত রাষ্ট্রকে জবাবদিহির আওতায় আনা।

সমাবেশে দলটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, ভারতের সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ বারবার ভারতীয় শাসকদের নীতিতে আক্রান্ত হয়েছে। বাণিজ্যঘাটতি, সীমান্ত হত্যা, পুশইন এবং অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত আত্মমর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে ভূমিকা পালনে ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

প্রেসিডিয়াম সদস্য রাগীব আহসান মুন্না বলেন, সমমর্যাদা ও সার্বভৌম সমতা ছাড়া সত্যিকারের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক হতে পারে না। বৃহৎ রাষ্ট্র হওয়ার কারণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা করার কোনো অধিকার ভারতের নেই। সীমান্ত হত্যা ও বাণিজ্য বৈষম্যসহ সব অমীমাংসিত বিষয়ে সমমর্যাদার ভিত্তিতে ন্যায্য সমাধান নিশ্চিত করার দায়িত্ব ক্ষমতাসীন সরকারের।

কেন্দ্রীয় নেতা মঞ্জুর মঈনের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন প্রেসিডিয়াম সদস্য রাগিব আহসান মুন্না এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক ত্রিদিব সাহা।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত