হাদি হত্যার আসামি ফয়সালের ১০ বছর জেল

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৪: ০৮
হাদির ওপর সন্দেভাজন হামলাকারী। ছবি: ডিএমপি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মহসীন অস্ত্র আইনের মামলায় তাঁকে এই সাজা দেন। গত ৫ এপ্রিল যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

পিপি ওমর ফারুক ফারুকী জানান, আসামি পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

এই মামলা হয় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতানের পর ঢাকার আদাবর থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায়। এজাহারে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় র‌্যাব-২। পালানোর চেষ্টার সময় ধরা পড়েন ফয়সাল করিম।

পরে তাঁর বাসায় তল্লাশি চালিয়ে চার রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল জব্দ করে র‌্যাব। পরদিন আদাবর থানায় ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করেন র‌্যাবের হাবিলদার মশিউর রহমান।

এজাহারে আরও বলা হয়, ফয়সাল করিম এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কেনাবেচার হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, খুন-জখম, জমি দখলসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। অপরাধ সংঘটনের জন্য তিনি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন।

তদন্ত শেষে ফয়সালকে অভিযুক্ত করে গত বছরের ২৮ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন আদাবর থানার এসআই জাহিদ হাসান। গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফয়সাল করিম এ মামলায় জামিনে ছিলেন।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট সড়কে শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। পরে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

পরে গত ৬ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল। গত ৮ মার্চ ফয়সালকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানায় দেশটির পুলিশের বিশেষ বাহিনী এসটিএফ।

সম্পর্কিত