টাঙ্গাইলের কৃষক কবিরকে নিয়ে ছড়ানো ছবি ‘ডিপফেক’, জানাল মন্ত্রণালয়

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

কৃষক কার্ড পাওয়া কবির হোসেনকে নিয়ে ছড়ানো ছবিগুলোকে ভুয়া বলছে মন্ত্রণালয়। সংগৃহীত ছবি

টাঙ্গাইলের কবির হোসেন একজন প্রকৃত প্রান্তিক কৃষক এবং তিনি সরকারি নিয়ম মেনেই ‘কৃষক কার্ড’ পেয়েছেন বলে জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি। গত ১৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে কবির হোসেনের কার্ড গ্রহণের পর তাঁকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্য ও ছবি ‘ডিপফেক’ বা ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সরকারি এক তথ্যবিবরণীতে বিষয়টি জানানো হয়।

টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সদর উপজেলার কৃষক কবির হোসেনের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেন। এরপরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা কিছু বিভ্রান্তিকর ছবি ও নেতিবাচক তথ্য ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নজরে আসার পর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক মো. ওবায়েদুর রহমান মন্ডলের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এবং টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের দুটি আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

১৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণ করেন কবির হোসেন। সংগৃহীত ছবি।
১৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণ করেন কবির হোসেন। সংগৃহীত ছবি।

উভয় কমিটির তদন্তে দেখা গেছে, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী তিন ধাপে যাচাই-বাছাই করেই কবির হোসেনকে নির্বাচন করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ কৃষি ব্লকের অন্তর্গত উত্তর তারূটিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আবু সাইদ তালুকদারের ছেলে কবির হোসেনের নিজস্ব জমির পরিমাণ ১৩ শতাংশ। তবে তিনি এ বছর বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬০ শতাংশ জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করছেন। অর্থাৎ তিনি একজন প্রকৃত বর্গাচাষি ও প্রান্তিক কৃষক।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকারের ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার হীন উদ্দেশ্যে একটি গোষ্ঠী এই অপপ্রচার চালিয়েছে। এ ধরনের তথ্যে বিভ্রান্ত না হতে সর্বস্তরের মানুষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

সম্পর্কিত