বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি বিনিয়োগ সহজ করার সিদ্ধান্ত সরকারের

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩: ২২
বাংলাদেশ সচিবালয়। ছবি: সংগৃহীত

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ প্রক্রিয়া আরও সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি বলেন, সরকারি জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন বাড়াতে সরকার বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিদ্যমান নীতিমালা সহজ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সচিব জানান, সরকারি জমি, বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল-সংলগ্ন জায়গা ব্যবহার করে ছোট ও বড় আকারের বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের পর কয়েক দিনের মধ্যেই এই কমিটি তাদের কার্যক্রম শুরু করবে। প্রয়োজনে নীতিমালা সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়ন করে দ্রুত এই কার্যক্রম চালু করা হবে।

২০৩০ সালের মধ্যে শুধু সৌরবিদ্যুৎ থেকেই ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। পাশাপাশি জৈবগ্যাস ও বায়ুশক্তি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করার মাধ্যমে সুফল পাওয়ার আশা সচিবের।

এদিকে মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুটি নতুন জাতীয় দিবস ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ জুলাইকে ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ এবং ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দিবসগুলো ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত হওয়ায় এদিন কোনো সরকারি ছুটি থাকবে না।

জ্বালানি সংকট ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করছে। বিদ্যুৎ খাতের বড় প্রকল্পগুলোতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির পাশাপাশি বিনিয়োগ পরিবেশ সহজীকরণের ওপরই বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সম্পর্কিত