তৌফিক হাসান

ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের জীবন তছনছ করে দিয়েছে। সেখানে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদের জীবনে নেমে এসেছে দুর্বিষহ যন্ত্রণা। হামলার আতঙ্কে ফ্লাইট বাতিলে দেশে ফিরতে পারছেন না অনেকে। কারও কারও চাকরি চলে গেছে।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও বাহরাইনে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। তারা বলছেন, হামলার আতঙ্কে হঠাৎ হঠাৎ বেজে ওঠে সাইরেন। তখন কর্মস্থল ছেড়ে বের হয়ে যেতে হয় নিরাপদ আশ্রয়ে। আকাশ ও সমুদ্রপথের যাত্রা সীমিত হওয়ায় অনেক কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ কিংবা স্থগিত রয়েছে। এতে অনেকে বেকার হয়ে পড়েছেন। আগে কোম্পানি বন্ধ হলে অন্য প্রতিষ্ঠানে দ্রুত কাজ পেতেন, যা এখন সম্ভব হচ্ছে না।
সৌদি আরবের রিয়াদে পাঁচ বছর ধরে কাজ করছেন সিদ্দিকুর রহমান আজাদ। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে আতঙ্কে কাটাচ্ছেন বলে স্ট্রিমকে জানান তিনি। সিদ্দিকুর বলেন, ‘রিয়াদে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত। কিন্তু কয়েক দিন আগেও আমার অবস্থানের ১০-১৫ কিলোমিটারের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়েছে। সাইরেন বাজলেই প্রবাসীরা রাস্তায় নেমে আসেন। কোথায় নিরাপদ স্থান, তা কেউ জানে না।’
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে সাত বছর ধরে অবস্থান করা সাইফ সারোয়ার বলেন, ‘রাত ১২টার সময়ও সাইরেন বাজা শুরু করে। ঈদের দিন সকালে হঠাৎ সাইরেন বাজলে সবাই রাস্তায় নেমে পড়ি। দাম্মামে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকায় হামলা বেশি হয়েছে। ২০ দিন আগে একটি তেলক্ষেত্র ধ্বংস করে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র, যেখানে দুই বাংলাদেশি মারা যান। এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আরও দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।’
রিয়াদে অবস্থানরত প্রবাসী মাহবুব আলম মনির বলেছেন, সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা বেশ শক্তিশালী। ৯৫ শতাংশ হামলা তারা আকাশেই ধ্বংস করতে পারছে। তবে সারাক্ষণ আমাদের দুশ্চিন্তার মধ্যে থাকতে হচ্ছে।
আমিরাত-বাহরাইনে বাড়ছে বেকারত্ব
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে দীর্ঘ ২১ বছর কাজ করছেন প্রকৌশলী আমিনুল হক। ইরানের হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভয়াবহতা তুলে ধরে স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘এখানে যুদ্ধ এয়ার-টু-এয়ার হওয়ায় আবাসিক এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি কম হচ্ছে। তবে অর্থনৈতিক সংকট প্রকট। পরিবহন ব্যবস্থায় বড় সংকট তৈরি হয়েছে। সমুদ্রপথে জাহাজ সময়মতো না আসায় ব্যবসা-বাণিজ্যে ধস নেমেছে। অনেক কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়ছেন। আগে কর্মীরা এক জায়গায় কাজ চলে গেলে অন্য জায়গায় জুটিয়ে নিতে পারতেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে কোথাও কাজ পাওয়া যাচ্ছে না।’
বাহরাইনেও একই চিত্র। গত মার্চে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আহত প্রবাসী নাজিম উদ্দিন স্ট্রিমকে বলেন, ‘এখানে প্রতিদিনই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হচ্ছে। বোমা হামলার কারণে পরিস্থিতি খারাপ দেখলে কোম্পানি আমাদের রুম থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। কাজ না থাকায় এবং শারীরিক অসুস্থতায় জীবন এখন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।’
সামাজিক মাধ্যমে কড়াকড়ি, ফ্লাইট বিড়ম্বনায় ভোগান্তি
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত প্রবাসীরা বলছেন, বাংলাদেশিদের অনেকে অতি উৎসাহী হয়ে যুদ্ধের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করছেন কিংবা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এসব কর্তৃপক্ষের নজরে গেলে শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে। কারণ, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশির ভাগ দেশ নাগরিকদের যুদ্ধপরিস্থিতিতে সামাজিক মাধ্যমে ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।
সৌদি প্রবাসী মাহবুব আলম মনির বলেন, ‘সম্প্রতি এক বাংলাদেশি হামলার ভিডিও লাইভ করার কারণে গ্রেপ্তার হয়েছেন। সৌদি আরবসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এ বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর। এসব দেশে রাজতন্ত্র চলে। তারা সবকিছু গোপন রাখতে চায়। যতটুকু প্রকাশ করে, ততটুকুই নাগরিকরা জানতে পারেন। ফলে আমরা কোনো বিষয়ে সঠিক তথ্য পাই না।’
প্রবাসীরা জানান, ফ্লাইট বাতিলও তাদের জন্য বাড়তি ভোগান্তির। ফলে কাজ হারালেও দেশে ফিরতে পারছেন না শত শত প্রবাসী। সৌদিপ্রবাসী সিদ্দিকুর রহমান আজাদ বলেন, আমরা এখানে ফ্লাইট শিডিউল নিয়ে বড় সমস্যায় রয়েছি। আমাদের অনেক প্রবাসী আগে জানতেও পারেন না, তাদের ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর জানছেন। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে দেশে ফিরতে পারছে না।
আমিরাতপ্রবাসী আমিনুল হক বলেন, যুদ্ধের প্রভাবে ফ্লাইট তছনছ হয়ে গেছে। বেশির ভাগ ফ্লাইট বাতিল হয়ে যাচ্ছে। টিকিটের দামও বেড়ে যাচ্ছে। সবমিলে খুবই কষ্টে দিন কাটাতে হচ্ছে।
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিককর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল স্ট্রিমকে বলেন, আমরা রোজার সময় থেকে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসী কর্মীদের জন্য নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছি। দুঃখের বিষয়, এখন পর্যন্ত কেউ যোগাযোগ করেননি।
তিনি বলেন, সম্প্রতি এক ব্যক্তি ফোন করে জানান– তাঁর মেয়ে দুবাই থেকে পালিয়ে সৌদি আরব গেছে। সেখান থেকে আবার পালিয়ে দুবাই ফিরেছে। এখন সে দেশে ফিরতে আগ্রহী। আমরা তাকে মন্ত্রণালয় লিখিত দিতে বলছি। কিন্তু এখনো আসেনি। আমরা সবার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি রেখেছি। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আমাদের নাগরিকদের আশ্রয় ও খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের জীবন তছনছ করে দিয়েছে। সেখানে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদের জীবনে নেমে এসেছে দুর্বিষহ যন্ত্রণা। হামলার আতঙ্কে ফ্লাইট বাতিলে দেশে ফিরতে পারছেন না অনেকে। কারও কারও চাকরি চলে গেছে।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও বাহরাইনে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। তারা বলছেন, হামলার আতঙ্কে হঠাৎ হঠাৎ বেজে ওঠে সাইরেন। তখন কর্মস্থল ছেড়ে বের হয়ে যেতে হয় নিরাপদ আশ্রয়ে। আকাশ ও সমুদ্রপথের যাত্রা সীমিত হওয়ায় অনেক কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ কিংবা স্থগিত রয়েছে। এতে অনেকে বেকার হয়ে পড়েছেন। আগে কোম্পানি বন্ধ হলে অন্য প্রতিষ্ঠানে দ্রুত কাজ পেতেন, যা এখন সম্ভব হচ্ছে না।
সৌদি আরবের রিয়াদে পাঁচ বছর ধরে কাজ করছেন সিদ্দিকুর রহমান আজাদ। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে আতঙ্কে কাটাচ্ছেন বলে স্ট্রিমকে জানান তিনি। সিদ্দিকুর বলেন, ‘রিয়াদে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত। কিন্তু কয়েক দিন আগেও আমার অবস্থানের ১০-১৫ কিলোমিটারের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়েছে। সাইরেন বাজলেই প্রবাসীরা রাস্তায় নেমে আসেন। কোথায় নিরাপদ স্থান, তা কেউ জানে না।’
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে সাত বছর ধরে অবস্থান করা সাইফ সারোয়ার বলেন, ‘রাত ১২টার সময়ও সাইরেন বাজা শুরু করে। ঈদের দিন সকালে হঠাৎ সাইরেন বাজলে সবাই রাস্তায় নেমে পড়ি। দাম্মামে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকায় হামলা বেশি হয়েছে। ২০ দিন আগে একটি তেলক্ষেত্র ধ্বংস করে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র, যেখানে দুই বাংলাদেশি মারা যান। এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আরও দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।’
রিয়াদে অবস্থানরত প্রবাসী মাহবুব আলম মনির বলেছেন, সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা বেশ শক্তিশালী। ৯৫ শতাংশ হামলা তারা আকাশেই ধ্বংস করতে পারছে। তবে সারাক্ষণ আমাদের দুশ্চিন্তার মধ্যে থাকতে হচ্ছে।
আমিরাত-বাহরাইনে বাড়ছে বেকারত্ব
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে দীর্ঘ ২১ বছর কাজ করছেন প্রকৌশলী আমিনুল হক। ইরানের হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভয়াবহতা তুলে ধরে স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘এখানে যুদ্ধ এয়ার-টু-এয়ার হওয়ায় আবাসিক এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি কম হচ্ছে। তবে অর্থনৈতিক সংকট প্রকট। পরিবহন ব্যবস্থায় বড় সংকট তৈরি হয়েছে। সমুদ্রপথে জাহাজ সময়মতো না আসায় ব্যবসা-বাণিজ্যে ধস নেমেছে। অনেক কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়ছেন। আগে কর্মীরা এক জায়গায় কাজ চলে গেলে অন্য জায়গায় জুটিয়ে নিতে পারতেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে কোথাও কাজ পাওয়া যাচ্ছে না।’
বাহরাইনেও একই চিত্র। গত মার্চে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আহত প্রবাসী নাজিম উদ্দিন স্ট্রিমকে বলেন, ‘এখানে প্রতিদিনই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হচ্ছে। বোমা হামলার কারণে পরিস্থিতি খারাপ দেখলে কোম্পানি আমাদের রুম থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। কাজ না থাকায় এবং শারীরিক অসুস্থতায় জীবন এখন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।’
সামাজিক মাধ্যমে কড়াকড়ি, ফ্লাইট বিড়ম্বনায় ভোগান্তি
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত প্রবাসীরা বলছেন, বাংলাদেশিদের অনেকে অতি উৎসাহী হয়ে যুদ্ধের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করছেন কিংবা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এসব কর্তৃপক্ষের নজরে গেলে শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে। কারণ, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশির ভাগ দেশ নাগরিকদের যুদ্ধপরিস্থিতিতে সামাজিক মাধ্যমে ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।
সৌদি প্রবাসী মাহবুব আলম মনির বলেন, ‘সম্প্রতি এক বাংলাদেশি হামলার ভিডিও লাইভ করার কারণে গ্রেপ্তার হয়েছেন। সৌদি আরবসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এ বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর। এসব দেশে রাজতন্ত্র চলে। তারা সবকিছু গোপন রাখতে চায়। যতটুকু প্রকাশ করে, ততটুকুই নাগরিকরা জানতে পারেন। ফলে আমরা কোনো বিষয়ে সঠিক তথ্য পাই না।’
প্রবাসীরা জানান, ফ্লাইট বাতিলও তাদের জন্য বাড়তি ভোগান্তির। ফলে কাজ হারালেও দেশে ফিরতে পারছেন না শত শত প্রবাসী। সৌদিপ্রবাসী সিদ্দিকুর রহমান আজাদ বলেন, আমরা এখানে ফ্লাইট শিডিউল নিয়ে বড় সমস্যায় রয়েছি। আমাদের অনেক প্রবাসী আগে জানতেও পারেন না, তাদের ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর জানছেন। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে দেশে ফিরতে পারছে না।
আমিরাতপ্রবাসী আমিনুল হক বলেন, যুদ্ধের প্রভাবে ফ্লাইট তছনছ হয়ে গেছে। বেশির ভাগ ফ্লাইট বাতিল হয়ে যাচ্ছে। টিকিটের দামও বেড়ে যাচ্ছে। সবমিলে খুবই কষ্টে দিন কাটাতে হচ্ছে।
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিককর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল স্ট্রিমকে বলেন, আমরা রোজার সময় থেকে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসী কর্মীদের জন্য নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছি। দুঃখের বিষয়, এখন পর্যন্ত কেউ যোগাযোগ করেননি।
তিনি বলেন, সম্প্রতি এক ব্যক্তি ফোন করে জানান– তাঁর মেয়ে দুবাই থেকে পালিয়ে সৌদি আরব গেছে। সেখান থেকে আবার পালিয়ে দুবাই ফিরেছে। এখন সে দেশে ফিরতে আগ্রহী। আমরা তাকে মন্ত্রণালয় লিখিত দিতে বলছি। কিন্তু এখনো আসেনি। আমরা সবার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি রেখেছি। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আমাদের নাগরিকদের আশ্রয় ও খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

রাজধানীর মালিবাগ-মৌচাক ফ্লাইওভারে সন্ধ্যা হলেই নামে ভুতুড়ে অন্ধকার। দীর্ঘদিন ধরেই ফ্লাইওভারটির বেশ কিছু সড়কবাতি অকেজো। ফ্লাইওভারের শুরু ও শেষের দিকের বাতিগুলো ঠিকঠাক জ্বললেও মাঝপথে এমন অন্ধকার থাকায় চলাচলে আতঙ্কিত যাত্রী ও চালকরা।
৪০ মিনিট আগে
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় গণতান্ত্রিক উত্তরণ টেকসই করতে নাগরিক পরিসর সুরক্ষা ও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বক্তারা। তাঁরা বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন ও জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একটি বিস্তৃত ও সক্রিয় নাগরিক পরিসর অপরিহার্য।
১ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) পাস হওয়া বিলটিতে অধ্যাদেশের বিষয়বস্তুতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছে হামের প্রকৃত চিত্র ও টিকার হিসাব চেয়েছেন রুমিন ফারহানা। বুধবার (৮ এপ্রিল) সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই প্রশ্ন করেন।
২ ঘণ্টা আগে