ফাবিহা বিনতে হক

ঈদের ছুটি শেষে আব আবারও ফিরতে হচ্ছে কর্মব্যস্ত জীবনে। কবজি ডুবিয়ে খাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা কিংবা মন চাইলেই বিছানায় গা এলিয়ে পড়ে থাকার দিন শেষ। এমন সুখের দিন কাটানোর পর কার ইচ্ছে করে কর্মমুখর দিনে ফিরে যেতে?
ছুটির পর ‘পোস্ট-হলিডে ব্লুজ’ বা ছুটি শেষের বিষণ্ণতা ঘিরে ধরে আমাদের। হয়তো ভাবছেন, আপনি বারবার স্মৃতিকাতর হয়ে পড়ছেন বলে কাজে মন বসছে না! কিন্তু ছুটি কাটিয়ে আসার পর কাজের গতি কমে যাওয়া বা বিষন্ন লাগার অনুভূতি অনেকেরই হয়।
উৎসবের দিনগুলোতে আমরা কখনও প্রিয় মানুষদের আড্ডা, কখনও ঘুরতে যাওয়া কিংবা প্রিয় খাবারে নিজেদের ডুবিয়ে রাখি। আনন্দের মুহূর্তে আমাদের মস্তিষ্ক থেকে ডোপামিন ও সেরোটোনিন নামের ‘হ্যাপি হরমোন’ বা সুখের অনুভূতি জাগানো হরমোন নির্গত হতে থাকে।

উৎসব শেষ হওয়ামাত্রই এসব হরমোনের নিঃসরণ কমে যায়। ফলে মনের ভেতর এক ধরণের শূন্যতা বা মানসিক ঘাটতি তৈরি হতে পারে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে কোনো আনুষ্ঠানিক রোগ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া না হলেও, হরমোনের এই পরিবর্তনের কারণে মানুষের আচরণ, আবেগ ও শারীরিক অবস্থায় কিছু সাময়িক পরিবর্তন আসে।
এ ছাড়া ছুটির পর প্রথম দিন অফিসে যাওয়া বেশ কঠিন। হয়তো ইনবক্স ভর্তি ই-মেইল, সামনে থাকে অনেক নতুন ডেডলাইন। জমে থাকা কাজ দেখে তৈরি হয় বিরক্তি। একে ‘ওয়ার্ক রিল-এন্ট্রি ফ্রিকশন’ বলা হয়।
ঈদের ছুটি কাটিয়ে হঠাৎ করে কাজের রুটিনে ফেরা কিছুটা কষ্টকর। একদিকে ই-মেইলের রিপ্লাই, অন্যদিকে ডেডলাইনের দুশ্চিন্তা মনের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। কোন কাজ আগে করবেন, কোনটা পরে করলেও চলবে, তা নিয়েও ভাবতে হয়। পোস্ট হলিডে ব্লুজ-এর কারণে সব কাজই সমান গুরুত্বপূর্ণ মনে হতে থাকে।

কিন্তু ভাববেন না, এই সমস্যায় আপনি একাই ভুগছেন। ছুটি কাটিয়ে আসার পর আমাদের অনেকেরই কাজের গতি ধীর হয়ে যায়। কাটিয়ে আসা সুন্দর মুহূর্তের স্মৃতির ভারে আমাদের মন বিষন্ন হতে পারে।
বিশেষ করে ছুটির পর কাজ শুরু করাই মাঝে মাঝে বেশ কঠিন মনে হয়। প্রথম পদক্ষেপ নিতেও যেন রাজ্যের আলস্য ঘিরে ধরে আমাদের। একে বলা হয়, ‘টাস্ক ইনিশিয়েশন ইনার্শিয়া’। কারণ ছুটির সময় আমরা দিনের অনেকটা সময় বিশ্রামে থাকি। কোনো কাজের তাড়া থাকে না বলে অফিস শুরুর পর কাজের গতি কমে যায়।
প্রথমেই সব কাজ করতে যাবেন না। কাজের তালিকা তৈরি করে নিন। জরুরি কাজগুলো সবার আগে চিহ্নিত করুন। সহজ কাজ দিয়ে দিনটি শুরু করুন। এতে কাজের প্রতি জড়তা দ্রুত কেটে যাবে। একটানা দীর্ঘ সময় কাজ করবেন না। কাজের মাঝে ছোট ছোট বিরতি নিন। বিরতিতে একটু হেঁটে আসতে পারেন।
অফিসের সহকর্মীদের সঙ্গে একটু গল্প করুন। ছুটির অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন। এতে মন অনেক হালকা হয়ে যাবে। প্রথম দিনেই সব ই-মেইলের উত্তর দেবেন না। গুরুত্বপূর্ণ মেইলগুলো আগে আলাদা করে নিন। বাকি মেইলগুলোর জন্য সময় বরাদ্দ রাখুন। কাজের গতি আস্তে আস্তে বাড়ান। নিজেকে একদমই চাপ দেবেন না।
ছুটির পর এমন অলসতা আসতেই পারে। শরীর ও মনকে মানিয়ে নিতে সময় দিন। প্রথম দুই-তিনদিন কাজের লক্ষ্য ছোট রাখুন। সময়ের সঙ্গে গতি নিজে থেকেই ফিরে আসবে। নিজেকে শান্ত রাখুন এবং ইতিবাচক চিন্তা করুন।

ঈদের ছুটি শেষে আব আবারও ফিরতে হচ্ছে কর্মব্যস্ত জীবনে। কবজি ডুবিয়ে খাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা কিংবা মন চাইলেই বিছানায় গা এলিয়ে পড়ে থাকার দিন শেষ। এমন সুখের দিন কাটানোর পর কার ইচ্ছে করে কর্মমুখর দিনে ফিরে যেতে?
ছুটির পর ‘পোস্ট-হলিডে ব্লুজ’ বা ছুটি শেষের বিষণ্ণতা ঘিরে ধরে আমাদের। হয়তো ভাবছেন, আপনি বারবার স্মৃতিকাতর হয়ে পড়ছেন বলে কাজে মন বসছে না! কিন্তু ছুটি কাটিয়ে আসার পর কাজের গতি কমে যাওয়া বা বিষন্ন লাগার অনুভূতি অনেকেরই হয়।
উৎসবের দিনগুলোতে আমরা কখনও প্রিয় মানুষদের আড্ডা, কখনও ঘুরতে যাওয়া কিংবা প্রিয় খাবারে নিজেদের ডুবিয়ে রাখি। আনন্দের মুহূর্তে আমাদের মস্তিষ্ক থেকে ডোপামিন ও সেরোটোনিন নামের ‘হ্যাপি হরমোন’ বা সুখের অনুভূতি জাগানো হরমোন নির্গত হতে থাকে।

উৎসব শেষ হওয়ামাত্রই এসব হরমোনের নিঃসরণ কমে যায়। ফলে মনের ভেতর এক ধরণের শূন্যতা বা মানসিক ঘাটতি তৈরি হতে পারে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে কোনো আনুষ্ঠানিক রোগ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া না হলেও, হরমোনের এই পরিবর্তনের কারণে মানুষের আচরণ, আবেগ ও শারীরিক অবস্থায় কিছু সাময়িক পরিবর্তন আসে।
এ ছাড়া ছুটির পর প্রথম দিন অফিসে যাওয়া বেশ কঠিন। হয়তো ইনবক্স ভর্তি ই-মেইল, সামনে থাকে অনেক নতুন ডেডলাইন। জমে থাকা কাজ দেখে তৈরি হয় বিরক্তি। একে ‘ওয়ার্ক রিল-এন্ট্রি ফ্রিকশন’ বলা হয়।
ঈদের ছুটি কাটিয়ে হঠাৎ করে কাজের রুটিনে ফেরা কিছুটা কষ্টকর। একদিকে ই-মেইলের রিপ্লাই, অন্যদিকে ডেডলাইনের দুশ্চিন্তা মনের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। কোন কাজ আগে করবেন, কোনটা পরে করলেও চলবে, তা নিয়েও ভাবতে হয়। পোস্ট হলিডে ব্লুজ-এর কারণে সব কাজই সমান গুরুত্বপূর্ণ মনে হতে থাকে।

কিন্তু ভাববেন না, এই সমস্যায় আপনি একাই ভুগছেন। ছুটি কাটিয়ে আসার পর আমাদের অনেকেরই কাজের গতি ধীর হয়ে যায়। কাটিয়ে আসা সুন্দর মুহূর্তের স্মৃতির ভারে আমাদের মন বিষন্ন হতে পারে।
বিশেষ করে ছুটির পর কাজ শুরু করাই মাঝে মাঝে বেশ কঠিন মনে হয়। প্রথম পদক্ষেপ নিতেও যেন রাজ্যের আলস্য ঘিরে ধরে আমাদের। একে বলা হয়, ‘টাস্ক ইনিশিয়েশন ইনার্শিয়া’। কারণ ছুটির সময় আমরা দিনের অনেকটা সময় বিশ্রামে থাকি। কোনো কাজের তাড়া থাকে না বলে অফিস শুরুর পর কাজের গতি কমে যায়।
প্রথমেই সব কাজ করতে যাবেন না। কাজের তালিকা তৈরি করে নিন। জরুরি কাজগুলো সবার আগে চিহ্নিত করুন। সহজ কাজ দিয়ে দিনটি শুরু করুন। এতে কাজের প্রতি জড়তা দ্রুত কেটে যাবে। একটানা দীর্ঘ সময় কাজ করবেন না। কাজের মাঝে ছোট ছোট বিরতি নিন। বিরতিতে একটু হেঁটে আসতে পারেন।
অফিসের সহকর্মীদের সঙ্গে একটু গল্প করুন। ছুটির অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন। এতে মন অনেক হালকা হয়ে যাবে। প্রথম দিনেই সব ই-মেইলের উত্তর দেবেন না। গুরুত্বপূর্ণ মেইলগুলো আগে আলাদা করে নিন। বাকি মেইলগুলোর জন্য সময় বরাদ্দ রাখুন। কাজের গতি আস্তে আস্তে বাড়ান। নিজেকে একদমই চাপ দেবেন না।
ছুটির পর এমন অলসতা আসতেই পারে। শরীর ও মনকে মানিয়ে নিতে সময় দিন। প্রথম দুই-তিনদিন কাজের লক্ষ্য ছোট রাখুন। সময়ের সঙ্গে গতি নিজে থেকেই ফিরে আসবে। নিজেকে শান্ত রাখুন এবং ইতিবাচক চিন্তা করুন।

কোরবানির ঈদের পর অনেকের শরীরেই শুরু হয় অন্য এক যুদ্ধ। কয়েক দিন ধরে টানা কোরবানির মাংস ও ভারী পদের খাবার খাওয়ার পর হঠাৎ করেই দেখা দেয় অস্বস্তি। কারও গ্যাস, আবার কারও রক্তচাপ বেড়ে যায়। অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। চিকিৎসকদের ভাষায়, ঈদের পর শরীরকে ‘স্বাভাবিক বিপাকীয় অবস্থায়’ ফিরিয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
১০ ঘণ্টা আগে
সিনেমা ‘বনলতা সেন’ কি সবার জন্য? সবাই বুঝবে? এমন প্রশ্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখতে পাচ্ছি। প্রথম প্রশ্নের উত্তর ‘হ্যা’। দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর ‘না’। তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে, যারা বুঝবে না তাঁরা দেখবে কেন?
১২ ঘণ্টা আগে
কোরবানির ঈদে মাংস সংরক্ষণ করা অনেকের জন্যই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। এখন ফ্রিজ থাকায় কাজটা আগের চেয়ে অনেক সহজ। কিন্তু অনেকেই জানেন না, ফ্রিজে মাংস কতদিন পর্যন্ত ভালো থাকে এবং কীভাবে সংরক্ষণ করলে এর মান ঠিক থাকে।
১ দিন আগে
নব্বই দশকের কথা। হুমায়ূন ফরীদি যখন সিনেমার পর্দায় আসতেন, পর্দার আবহ বদলে যেত। বাদামের ঠোঙা দর্শকের হাতেই থাকত, মুখে আর যেত না। মেরুদণ্ড বরাবর ভয়ের একটা শীতল স্রোত নামত। তবু চোখ সরানো যেত না। মনের কোণে একটা অদ্ভুত চাওয়া জন্মাত—‘এই লোকটা যদি না হারত!’
১ দিন আগে