স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কর্তৃপক্ষের কুকুর নিধনের প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন প্রাণীপ্রেমীরা। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ‘বিবেকবান নাগরিকবৃন্দ’–এর ব্যানারে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে কর্মসূচিতে বিভিন্ন ওয়েলফেয়ার সংগঠনের কর্মী ও প্রাণীপ্রেমীরা অংশ নেন।
বক্তারা কুকুর নিধন ও অপসারণ না করে জলাতঙ্ক রোধে তাদের বন্ধ্যা করার পরামর্শ দেন। তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা কুকুর এবং জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ করছে। কিন্তু ডিএসসিসি ও সরকারি-বেসরকারি কিছু হাউজিং কমিটি অমানবিক পন্থা বেছে নিয়েছে। কুকুর নিধন বিজ্ঞানসম্মত নয়। জনস্বাস্থ্যের জন্যও হুমকি। একইসঙ্গে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই ডিএসসিসিকে ঘোষণা দিয়ে এই বেআইনি কাজ বন্ধ করতে হবে।
গত ৯ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ঈসা খাঁ টিচার্স কোয়ার্টার থেকে ৭-৮টি কুকুর চেতনানাশক ইনজেকশন দিয়ে কেরানীগঞ্জের একটা জনমানবহীন এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া পুরান ঢাকার বেশ কিছু স্থান থেকে কুকুর তুলে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে কুকুর অপসারণ করছে ডিএসসিসি।
পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রাকিবুল হক এমিল স্ট্রিমকে বলেন, বাংলাদেশে এখনো প্রাণীরা নৃশংসতার শিকার হচ্ছে। বন্যপ্রাণী তো হচ্ছেই। গত কয়েক যুগ ধরে নৃশংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি বৃদ্ধির মূল কারণ মানুষের মোরাল প্রগ্রেস নিয়ে সরকারের কাজ না করা।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রাণী কল্যাণ নামে একটা কুয়াশাচ্ছন্ন আইন আছে। এই আইনের কোনো বিধিমালা নেই। এই আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে আমরা বুঝতে পেরেছি, কোনো নাগরিক এই মামলাটা করতে পারে না। মামলা করার জন্য প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার একটি লিখিত অভিযোগ লাগে।
অভয়ারণ্য-বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা রুবাইয়া আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, আমরা শুরু থেকেই সরকারকে এটা বোঝাতে চেয়েছি– কুকুর মেরে জলাতঙ্ক রোধ করা যায় না; সংখ্যাও কমে না। এই বিষয়গুলো সায়েন্স, লজিক, নম্বর ও পরিসংখ্যানের। কিন্তু সরকারের কাছে লোভনীয় হলো–কুকুর নিয়ে যেন ফোন না আসে। জলাতঙ্কে মানুষ মারা যাবে না, তার পয়সা খরচ হবে না।
তিনি বলেন, পথের কুকুরকে ভ্যাক্সিনেশন করার কাজ সরকারের। কিন্তু সরকার দেয় না। নিজেরা ফান্ড রেইজ করে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মী, শিক্ষার্থী, অ্যানিমাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন ভ্যাক্সিন দিচ্ছে। কিন্তু সরকার এখন সেই কুকুরও অপসারণ করছে। এটি বন্ধ করতে হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কর্তৃপক্ষের কুকুর নিধনের প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন প্রাণীপ্রেমীরা। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ‘বিবেকবান নাগরিকবৃন্দ’–এর ব্যানারে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে কর্মসূচিতে বিভিন্ন ওয়েলফেয়ার সংগঠনের কর্মী ও প্রাণীপ্রেমীরা অংশ নেন।
বক্তারা কুকুর নিধন ও অপসারণ না করে জলাতঙ্ক রোধে তাদের বন্ধ্যা করার পরামর্শ দেন। তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা কুকুর এবং জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ করছে। কিন্তু ডিএসসিসি ও সরকারি-বেসরকারি কিছু হাউজিং কমিটি অমানবিক পন্থা বেছে নিয়েছে। কুকুর নিধন বিজ্ঞানসম্মত নয়। জনস্বাস্থ্যের জন্যও হুমকি। একইসঙ্গে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই ডিএসসিসিকে ঘোষণা দিয়ে এই বেআইনি কাজ বন্ধ করতে হবে।
গত ৯ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ঈসা খাঁ টিচার্স কোয়ার্টার থেকে ৭-৮টি কুকুর চেতনানাশক ইনজেকশন দিয়ে কেরানীগঞ্জের একটা জনমানবহীন এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া পুরান ঢাকার বেশ কিছু স্থান থেকে কুকুর তুলে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে কুকুর অপসারণ করছে ডিএসসিসি।
পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রাকিবুল হক এমিল স্ট্রিমকে বলেন, বাংলাদেশে এখনো প্রাণীরা নৃশংসতার শিকার হচ্ছে। বন্যপ্রাণী তো হচ্ছেই। গত কয়েক যুগ ধরে নৃশংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি বৃদ্ধির মূল কারণ মানুষের মোরাল প্রগ্রেস নিয়ে সরকারের কাজ না করা।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রাণী কল্যাণ নামে একটা কুয়াশাচ্ছন্ন আইন আছে। এই আইনের কোনো বিধিমালা নেই। এই আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে আমরা বুঝতে পেরেছি, কোনো নাগরিক এই মামলাটা করতে পারে না। মামলা করার জন্য প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার একটি লিখিত অভিযোগ লাগে।
অভয়ারণ্য-বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা রুবাইয়া আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, আমরা শুরু থেকেই সরকারকে এটা বোঝাতে চেয়েছি– কুকুর মেরে জলাতঙ্ক রোধ করা যায় না; সংখ্যাও কমে না। এই বিষয়গুলো সায়েন্স, লজিক, নম্বর ও পরিসংখ্যানের। কিন্তু সরকারের কাছে লোভনীয় হলো–কুকুর নিয়ে যেন ফোন না আসে। জলাতঙ্কে মানুষ মারা যাবে না, তার পয়সা খরচ হবে না।
তিনি বলেন, পথের কুকুরকে ভ্যাক্সিনেশন করার কাজ সরকারের। কিন্তু সরকার দেয় না। নিজেরা ফান্ড রেইজ করে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মী, শিক্ষার্থী, অ্যানিমাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন ভ্যাক্সিন দিচ্ছে। কিন্তু সরকার এখন সেই কুকুরও অপসারণ করছে। এটি বন্ধ করতে হবে।
.png)
দেশ থেকে অর্থ পাচারকারী এস আলম ও বেক্সিমকোর মতো বড় প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। রোববার (২৮ জুন) সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
১১ মিনিট আগে
ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের সঙ্গে হামের টিকার লক্ষ্যমাত্রায় ৫৫ লাখ শিশুর ফারাক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১০৩ শতাংশ শিশুকে টিকা দেওয়ার দাবি করলেও বিশেষজ্ঞদের মতে প্রকৃত হার ৭৬ শতাংশ।
২৯ মিনিট আগে
সারাদেশের ২৯ হাজারেরও বেশি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার দুপুরে শেরেবাংলা নগরে এই কর্মসূচির সূচনা হবে।
৪২ মিনিট আগে
সংবাদ প্রকাশের জেরে প্রাণনাশসহ নানা হুমকিধামকির পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে ঢাকা স্ট্রিম কর্তৃপক্ষ। গত শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর কলাবাগান থানায় জিডি করার কথা জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের হেড অব কমিউনিকেশন এস. এম. মিনহাজুর রহমান।
১ ঘণ্টা আগে