স্ট্রিম প্রতিবেদক

সংসদ সদস্য থাকার সময়ে নিজের এলাকা (মোহাম্মদপুর) কোনো উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হবে না। একই সঙ্গে দেশের অন্যান্য এলাকার উর্দুভাষীদের ক্যাম্পে উচ্ছেদ আতঙ্ক থামাতে সরকারের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে উর্দুভাষীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং পুনর্বাসন সম্পর্কে আয়োজিত ‘অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড হাই লেভেল সেগমেন্ট অন উর্দু স্পিকিং ক্যাম্প ডিউইলারস ফিউচার অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন ইন বাংলাদেশ’ শিরোনামে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। আলোচনা সভাটির আয়োজন করে উর্দুভাষীরদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন কাউন্সিল অব মাইনোরিটিজ।
প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সংসদ সদস্য থাকার সময়ে তার এলাকায় কোনো উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে না।
ববি হাজ্জাজ বলেন, মোহাম্মদপুরসহ বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকায় অবস্থিত উর্দুভাষীদের ক্যাম্পে যাতে উচ্ছেদ আতঙ্ক না থাকে, সে জন্যে সরকারের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন। সেইসঙ্গে ক্যাম্পগুলোতে সরকারের বিশেষ শিক্ষা কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, ‘উর্দুভাষীদের ক্যাম্পে বসবাসকারী ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের জন্যে ইতিমধ্যে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছি। আমার নির্বাচনী এলাকার ক্যাম্পবাসীদের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনাও করছি।’
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় বলেন, ‘সবাইকে একসঙ্গে হয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের সব নাগরিক সমান। কেউ কারও থেকে আলাদা না। কাউকে পিছিয়ে রাখার সুযোগ নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার মাধ্য আপনারা (উর্দুভাষী) অনেক ধাপ এগিয়েছেন। এখন বাংলাদেশের অন্যান্য নাগরিকের মতো অধিকার আদায়ে সোচ্চার হতে হবে এবং আমরা নাগরিক সমাজ সর্বদা আপনাদের সঙ্গে আছি।’
নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন তার বক্তব্যে পুনর্বাসনের ওপর জোর দাবি জানান। সেইসঙ্গে উর্দুভাষী জনগোষ্ঠীর সমান নাগরিক অধিকার পাওয়ার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা বলেন, ‘সব নাগরিকের মতোই উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের সমান নাগরিক অধিকার আছে। তাঁরা দেশের উন্নয়নে নিজেদের এক বিরাট ভূমিকা রেখে আসছেন গত ৫৪ বছর ধরে।’
আলোচনা সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন কাউন্সিল অব মাইনোরিটিজের নির্বাহী পরিচালক খালিদ হোসেন। বক্তব্যে উর্দুভাষীদের ৫৪ বছরের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন তিনি।
খালিদ হোসেন বলেন, ‘দেশের তিন লাখ উর্দুভাষী ঢাকাসহ দেশের ৯টি জেলায় ১১৬টি ক্যাম্পে বসবাস করছে। যাদের সবাই মৌলিক ও মানবিক সুযোগ সুবিধা থেকে নিয়মিত বঞ্চিত হচ্ছে। স্বাধীনতার এত বছর পরও তাঁদের পুনর্বাসন না করায় তাঁরা ক্যাম্পের ভেতর মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।’
খালিদ হোসেন আরও বলেন, ‘ক্যাম্পের পরিধি না বাড়লেও এখানে বসবাসরত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ। ফলে ছোট একটা রুমের ভেতর কয়েক প্রজন্মকে বাস করতে হচ্ছে। উর্দুভাষীদের জীবন মান উন্নয়নে তাঁদের ক্যাম্প জীবনের অবসান করে পুনর্বাসন ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।’
এ সময় ২০১৩ সালের নীতিমালা অনুযায়ী মোহাজিরদের (উর্দুভাষী) জন্যে বরাদ্দ ৩৪ হাজার একর জমি উদ্ধারের কথাও উল্লেখ করেন খালিদ হোসেন।
ক্যাম্প প্রতিনিধি সাদাকাত খান ফাক্কু বলেন, উর্দুভাষীদের পুনর্বাসনের জন্যে একটা সরকারি ট্রাস্ট গঠন করা হোক।
এ ছাড়া মার্কেট ক্যাম্পের প্রতিনিধি রুমা পারভীন প্রতিমন্ত্রীকে ক্যাম্পের বাচ্চাদের শিক্ষার জন্য আর্থিক সাহায্য ও সার্বিক পরিস্থিতি উন্নয়নে কাজ করার অনুরোধ জানান।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশের উপপরিচালক রুহি নাজ, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল নোমান, অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান, পারসা সানজানা সাজিদ, সাংবাদিক ইয়াসাব ওসামা রহমান প্রমুখ।

সংসদ সদস্য থাকার সময়ে নিজের এলাকা (মোহাম্মদপুর) কোনো উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হবে না। একই সঙ্গে দেশের অন্যান্য এলাকার উর্দুভাষীদের ক্যাম্পে উচ্ছেদ আতঙ্ক থামাতে সরকারের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে উর্দুভাষীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং পুনর্বাসন সম্পর্কে আয়োজিত ‘অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড হাই লেভেল সেগমেন্ট অন উর্দু স্পিকিং ক্যাম্প ডিউইলারস ফিউচার অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন ইন বাংলাদেশ’ শিরোনামে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। আলোচনা সভাটির আয়োজন করে উর্দুভাষীরদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন কাউন্সিল অব মাইনোরিটিজ।
প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সংসদ সদস্য থাকার সময়ে তার এলাকায় কোনো উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে না।
ববি হাজ্জাজ বলেন, মোহাম্মদপুরসহ বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকায় অবস্থিত উর্দুভাষীদের ক্যাম্পে যাতে উচ্ছেদ আতঙ্ক না থাকে, সে জন্যে সরকারের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন। সেইসঙ্গে ক্যাম্পগুলোতে সরকারের বিশেষ শিক্ষা কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, ‘উর্দুভাষীদের ক্যাম্পে বসবাসকারী ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের জন্যে ইতিমধ্যে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছি। আমার নির্বাচনী এলাকার ক্যাম্পবাসীদের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনাও করছি।’
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় বলেন, ‘সবাইকে একসঙ্গে হয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের সব নাগরিক সমান। কেউ কারও থেকে আলাদা না। কাউকে পিছিয়ে রাখার সুযোগ নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার মাধ্য আপনারা (উর্দুভাষী) অনেক ধাপ এগিয়েছেন। এখন বাংলাদেশের অন্যান্য নাগরিকের মতো অধিকার আদায়ে সোচ্চার হতে হবে এবং আমরা নাগরিক সমাজ সর্বদা আপনাদের সঙ্গে আছি।’
নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন তার বক্তব্যে পুনর্বাসনের ওপর জোর দাবি জানান। সেইসঙ্গে উর্দুভাষী জনগোষ্ঠীর সমান নাগরিক অধিকার পাওয়ার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা বলেন, ‘সব নাগরিকের মতোই উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের সমান নাগরিক অধিকার আছে। তাঁরা দেশের উন্নয়নে নিজেদের এক বিরাট ভূমিকা রেখে আসছেন গত ৫৪ বছর ধরে।’
আলোচনা সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন কাউন্সিল অব মাইনোরিটিজের নির্বাহী পরিচালক খালিদ হোসেন। বক্তব্যে উর্দুভাষীদের ৫৪ বছরের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন তিনি।
খালিদ হোসেন বলেন, ‘দেশের তিন লাখ উর্দুভাষী ঢাকাসহ দেশের ৯টি জেলায় ১১৬টি ক্যাম্পে বসবাস করছে। যাদের সবাই মৌলিক ও মানবিক সুযোগ সুবিধা থেকে নিয়মিত বঞ্চিত হচ্ছে। স্বাধীনতার এত বছর পরও তাঁদের পুনর্বাসন না করায় তাঁরা ক্যাম্পের ভেতর মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।’
খালিদ হোসেন আরও বলেন, ‘ক্যাম্পের পরিধি না বাড়লেও এখানে বসবাসরত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ। ফলে ছোট একটা রুমের ভেতর কয়েক প্রজন্মকে বাস করতে হচ্ছে। উর্দুভাষীদের জীবন মান উন্নয়নে তাঁদের ক্যাম্প জীবনের অবসান করে পুনর্বাসন ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।’
এ সময় ২০১৩ সালের নীতিমালা অনুযায়ী মোহাজিরদের (উর্দুভাষী) জন্যে বরাদ্দ ৩৪ হাজার একর জমি উদ্ধারের কথাও উল্লেখ করেন খালিদ হোসেন।
ক্যাম্প প্রতিনিধি সাদাকাত খান ফাক্কু বলেন, উর্দুভাষীদের পুনর্বাসনের জন্যে একটা সরকারি ট্রাস্ট গঠন করা হোক।
এ ছাড়া মার্কেট ক্যাম্পের প্রতিনিধি রুমা পারভীন প্রতিমন্ত্রীকে ক্যাম্পের বাচ্চাদের শিক্ষার জন্য আর্থিক সাহায্য ও সার্বিক পরিস্থিতি উন্নয়নে কাজ করার অনুরোধ জানান।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশের উপপরিচালক রুহি নাজ, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল নোমান, অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান, পারসা সানজানা সাজিদ, সাংবাদিক ইয়াসাব ওসামা রহমান প্রমুখ।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ইনজেকশন ও চেতনানাশক দ্রব্যসহ অজ্ঞান পার্টির সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মতিঝিল বিভাগ।
১ ঘণ্টা আগে
বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই দাম বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি)। এর পাশাপাশি বিদ্যুতের সঞ্চালন মাশুল বা ট্রান্সমিশন চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আগামী ২০ ও ২১ মে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
১ ঘণ্টা আগে
লক্কর-ঝক্কর, ঝুঁকিপূর্ণ ও চলাচলের অনুপযোগী যানবাহনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
১ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে রাতে মসজিদের তালা ভেঙে দানবাক্সের টাকা চুরি করা হয়েছে। এ সময় ইমামের রুমে ছিটকিনি দিয়ে তাঁকে আটকে রাখা হয়।
২ ঘণ্টা আগে