# মেট গালা কী
# এবারের থিম কী ছিল
# মেট গালায় মানতে হয় যেসব নিয়ম
ফাবিহা বিনতে হক

মেট গালায় এবারের আমন্ত্রিত অতিথিদের ছবিতে এখন সয়লাব সোশ্যাল মিডিয়া। প্রতিবছর বিশ্বের খ্যাতনামা তারকাদের পরনে অদ্ভুত সব ডিজাইনের জমকালো পোশাক দেখে অনেকেরই চোখ কপালে ওঠে। মনে জাগে হাজারো প্রশ্ন।
গত ৪ মে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মেট্রোপোলিটন মিউজিয়াম অব আর্টে হয়ে গেল মেট গালার এবারের জমকালো আসর। প্রতিবছর মে মাসের প্রথম সোমবার এই আয়োজন করা হয়। ১৯৪৮ সালে মার্কিন ফ্যাশন প্রচারক এলেনর ল্যাম্বার্টের হাত ধরে শুরু হয় মেট গালার যাত্রা।

শুরুতে এই অনুষ্ঠান ছিল ল্যাম্বার্টের বন্ধুবান্ধবদের জন্য মামুলি কস্টিউম পার্টি। মাত্র ৫০ ডলারে যে কেউ প্রবেশ করতে পারতেন সেখানে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মেট গালার চিত্রও পালটে গেছে। এ অনুষ্ঠানে প্রবেশমূল্য এখন ১ লাখ ডলার, বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। অন্য সবকিছুর মতো টিকেটের দামও প্রতিবছর বেড়ে যায়। গত বছর ৭৫ হাজার ডলারে মেট গালার টিকেট পাওয়া যাচ্ছিল।
দ্য মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্টস-এরকস্টিউম ইনস্টিটিউটের জন্য তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠান এই মেট গালা। প্রতিষ্ঠানটি বছরের পর বছর ধরে মেট গালার মাধ্যমে কোটি কোটি ডলার তহবিল সংগ্রহ করে আসছে। যেমন ২০২৫ সালে মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, এই আয়োজনের ৭৭ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রায় ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগৃহীত এই অর্থ জাদুঘরের বিশাল ফ্যাশন কালেকশনের পেছনে ব্যয় করা হয়। সাধারণত মেট গালার আয়োজনে প্রায় ৪৫০ জন অতিথি উপস্থিত থাকেন।
২০২৬ সালের মেট গালার থিম ছিল ‘কস্টিউম আর্ট’। থিমটি জাদুঘরের বসন্তকালীন প্রদর্শনীর সঙ্গে মিল রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের ড্রেস কোড বা পোশাকের নিয়ম ছিল ‘ফ্যাশন ইজ আর্ট’ বা ফ্যাশনই শিল্প। প্রদর্শনীতে বিভিন্ন ধরন অনুযায়ী আলাদা থিম রাখা হয়েছে। এর মধ্যে আছে ‘নেকড বডি’, ‘প্রেগন্যান্ট বডি’ ও ‘এজিং বডি’র মতো বিষয়। এসব থিমের পোশাকের সঙ্গে পুরোনো আমলের শিল্পকর্মের মিল রাখা হয়েছে। কিছু কিছু শিল্পকর্ম প্রায় ৫ হাজার বছরের পুরোনো।

এই ড্রেস কোডের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে, ডিজাইনাররা কীভাবে হিউম্যান বডিকে খালি ক্যানভাস হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এবারের মেট গালায় হোস্টের দায়িত্ব পালন করেছেন বিয়ন্সে, নিকোল কিডম্যান, ভেনাস উইলিয়ামস এবং আনা উইন্টুরের মতো তারকারা।

মেট গালায় যোগ দিতে হলে আপনাকে অবশ্যই আমন্ত্রিত হতে হবে। আর একবার আমন্ত্রিত হলেই যে প্রতি বছর প্রবেশের সুযোগ পাবেন, তারও কোনো গ্যারান্টি নেই! বর্তমান সময়ের নামিদামি তারকা, খেলোয়াড়, ফ্যাশন ব্যক্তিত্ব এবং পরিচিত মুখরা এই আমন্ত্রণ পেয়ে থাকেন। গালার আগের রাত পর্যন্ত এই অতিথিদের তালিকা গোপন রাখা হয়।
মূলত বেশিরভাগ তারকা মেট গালায় ডাক পান বিখ্যাত কোনো ব্র্যান্ডের তরফ থেকে। বড় ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলো মেট গালায় উচ্চমূল্যে টেবিল কিনে নেয়। সেই টেবিলের টিকিট দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয় নামীদামি তারকাদের। এ ছাড়া মেট গালার চেয়ারপারসন অ্যানা উইনটোর নিজে থেকে আমন্ত্রণ কিছু তারকাকে জানান। তাঁদের জন্যও মেট গালার মঞ্চ পুরোপুরি ফ্রি।

মেট গালার প্রায় নিয়মিত অতিথিদের মধ্যে আছেন বিয়ন্সে, কিম কার্দাশিয়ান, ব্লেক লাইভলি, জিজি হাদিদ এবং রিহানা। এ ছাড়া, ফ্যাশন ডিজাইনারদেরও প্রায়শই তাদের মিউজদের (যাদের জন্য তাঁরা পোশাক তৈরি করেন) সঙ্গে রেড কার্পেটে আসার এবং তাঁদের তৈরি নজরকাড়া ডিজাইন প্রদর্শন করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। মার্ক জ্যাকবস, ক্রিশ্চিয়ান সিরিয়ানো, নিকোলাস ঘেসকুইয়ের এবং জ্যাক পোজেনের মতো ডিজাইনাররা এখানকার নিয়মিত মুখ।
মেট গালার আমন্ত্রিতদের বয়স অবশ্যই ১৮ বা তার বেশি হতে হবে। তবে আমন্ত্রণ পাওয়াই শেষ কথা নয়; অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হলে টিকিট কিনতে হবে বা এমন কারো অতিথি হতে হবে যিনি টিকিট কিনেছেন। মেট গালায় শুধু চেয়ার নয়, বিক্রি হয় টেবিলও। এখানে একটি টেবিলের বুকিং শুরু হয় ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার থেকে।

প্রতি বছর আয়োজকরা গালার জন্য একটি নির্দিষ্ট ড্রেস কোড ঘোষণা করেন। তারকারা এবং তাঁদের ডিজাইনাররা সৃজনশীল নজরকাড়া ডিজাইনে থিমটি ফুটিয়ে তোলেন। কেউ থিম সরাসরি ফুটিয়ে তোলেন, কেউ অ্যাভান্ট স্টাইল বেছে নেন। আবার কেউ চাইলে শুধু সুন্দর গাউন বা ‘হোয়াইট টাই’ ফরমাল পোশাকও পরতে পারেন।
তবে এই অনুষ্ঠানের ভেতরে ফোন ব্যবহার করার নিয়ম নেই। ইভেন্টের অন্দরে থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অর্থাৎ ইনস্টাগ্রাম স্ক্রলিং কিংবা স্টোরি পোস্ট করা বা সেলফি তোলা; সবকিছুই মেট গালায় নিষিদ্ধ। তবে ওয়াশরুমে গেলে এই নিয়ম কিছুটা শিথিল করে ফেলেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

এ ছাড়া অতিথিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিউজিয়ামের ভেতর ই-সিগারেটসহ যেকোনো ধরনের ধূমপান নিষিদ্ধ। আরেকটি কারণ জাদুঘরের কোটি টাকার শিল্পকর্ম ও দামি ডিজাইনার পোশাককে সুরক্ষিত রাখা।
সাধারণত এই অনুষ্ঠানের আসন বিন্যাসের দায়িত্ব পালন করেন অভিজ্ঞ পার্টি প্ল্যানার এডি কিয়ারনান। ডিসেম্বরে অতিথিদের নাম চূড়ান্ত হতে শুরু করলে আসন বিন্যাসের খসড়া নিয়ে কাজ শুরু হয়। এরপর গালার প্রায় এক মাস আগে আসল সিটিং চার্ট চূড়ান্ত হয়। এমনভাবে তারকাদের একসঙ্গে আসনবিন্যাস করা হয় যেন তাঁরা সহজে মিশে যেতে পারেন বা কথা বলতে পারেন। এমনকি কেউ যেন তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার মুখোমুখি না পড়ে, সেটিও নিশ্চিত করা হয়।

মেট গালায় এবারের আমন্ত্রিত অতিথিদের ছবিতে এখন সয়লাব সোশ্যাল মিডিয়া। প্রতিবছর বিশ্বের খ্যাতনামা তারকাদের পরনে অদ্ভুত সব ডিজাইনের জমকালো পোশাক দেখে অনেকেরই চোখ কপালে ওঠে। মনে জাগে হাজারো প্রশ্ন।
গত ৪ মে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মেট্রোপোলিটন মিউজিয়াম অব আর্টে হয়ে গেল মেট গালার এবারের জমকালো আসর। প্রতিবছর মে মাসের প্রথম সোমবার এই আয়োজন করা হয়। ১৯৪৮ সালে মার্কিন ফ্যাশন প্রচারক এলেনর ল্যাম্বার্টের হাত ধরে শুরু হয় মেট গালার যাত্রা।

শুরুতে এই অনুষ্ঠান ছিল ল্যাম্বার্টের বন্ধুবান্ধবদের জন্য মামুলি কস্টিউম পার্টি। মাত্র ৫০ ডলারে যে কেউ প্রবেশ করতে পারতেন সেখানে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মেট গালার চিত্রও পালটে গেছে। এ অনুষ্ঠানে প্রবেশমূল্য এখন ১ লাখ ডলার, বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। অন্য সবকিছুর মতো টিকেটের দামও প্রতিবছর বেড়ে যায়। গত বছর ৭৫ হাজার ডলারে মেট গালার টিকেট পাওয়া যাচ্ছিল।
দ্য মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্টস-এরকস্টিউম ইনস্টিটিউটের জন্য তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠান এই মেট গালা। প্রতিষ্ঠানটি বছরের পর বছর ধরে মেট গালার মাধ্যমে কোটি কোটি ডলার তহবিল সংগ্রহ করে আসছে। যেমন ২০২৫ সালে মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, এই আয়োজনের ৭৭ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রায় ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগৃহীত এই অর্থ জাদুঘরের বিশাল ফ্যাশন কালেকশনের পেছনে ব্যয় করা হয়। সাধারণত মেট গালার আয়োজনে প্রায় ৪৫০ জন অতিথি উপস্থিত থাকেন।
২০২৬ সালের মেট গালার থিম ছিল ‘কস্টিউম আর্ট’। থিমটি জাদুঘরের বসন্তকালীন প্রদর্শনীর সঙ্গে মিল রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের ড্রেস কোড বা পোশাকের নিয়ম ছিল ‘ফ্যাশন ইজ আর্ট’ বা ফ্যাশনই শিল্প। প্রদর্শনীতে বিভিন্ন ধরন অনুযায়ী আলাদা থিম রাখা হয়েছে। এর মধ্যে আছে ‘নেকড বডি’, ‘প্রেগন্যান্ট বডি’ ও ‘এজিং বডি’র মতো বিষয়। এসব থিমের পোশাকের সঙ্গে পুরোনো আমলের শিল্পকর্মের মিল রাখা হয়েছে। কিছু কিছু শিল্পকর্ম প্রায় ৫ হাজার বছরের পুরোনো।

এই ড্রেস কোডের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে, ডিজাইনাররা কীভাবে হিউম্যান বডিকে খালি ক্যানভাস হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এবারের মেট গালায় হোস্টের দায়িত্ব পালন করেছেন বিয়ন্সে, নিকোল কিডম্যান, ভেনাস উইলিয়ামস এবং আনা উইন্টুরের মতো তারকারা।

মেট গালায় যোগ দিতে হলে আপনাকে অবশ্যই আমন্ত্রিত হতে হবে। আর একবার আমন্ত্রিত হলেই যে প্রতি বছর প্রবেশের সুযোগ পাবেন, তারও কোনো গ্যারান্টি নেই! বর্তমান সময়ের নামিদামি তারকা, খেলোয়াড়, ফ্যাশন ব্যক্তিত্ব এবং পরিচিত মুখরা এই আমন্ত্রণ পেয়ে থাকেন। গালার আগের রাত পর্যন্ত এই অতিথিদের তালিকা গোপন রাখা হয়।
মূলত বেশিরভাগ তারকা মেট গালায় ডাক পান বিখ্যাত কোনো ব্র্যান্ডের তরফ থেকে। বড় ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলো মেট গালায় উচ্চমূল্যে টেবিল কিনে নেয়। সেই টেবিলের টিকিট দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয় নামীদামি তারকাদের। এ ছাড়া মেট গালার চেয়ারপারসন অ্যানা উইনটোর নিজে থেকে আমন্ত্রণ কিছু তারকাকে জানান। তাঁদের জন্যও মেট গালার মঞ্চ পুরোপুরি ফ্রি।

মেট গালার প্রায় নিয়মিত অতিথিদের মধ্যে আছেন বিয়ন্সে, কিম কার্দাশিয়ান, ব্লেক লাইভলি, জিজি হাদিদ এবং রিহানা। এ ছাড়া, ফ্যাশন ডিজাইনারদেরও প্রায়শই তাদের মিউজদের (যাদের জন্য তাঁরা পোশাক তৈরি করেন) সঙ্গে রেড কার্পেটে আসার এবং তাঁদের তৈরি নজরকাড়া ডিজাইন প্রদর্শন করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। মার্ক জ্যাকবস, ক্রিশ্চিয়ান সিরিয়ানো, নিকোলাস ঘেসকুইয়ের এবং জ্যাক পোজেনের মতো ডিজাইনাররা এখানকার নিয়মিত মুখ।
মেট গালার আমন্ত্রিতদের বয়স অবশ্যই ১৮ বা তার বেশি হতে হবে। তবে আমন্ত্রণ পাওয়াই শেষ কথা নয়; অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হলে টিকিট কিনতে হবে বা এমন কারো অতিথি হতে হবে যিনি টিকিট কিনেছেন। মেট গালায় শুধু চেয়ার নয়, বিক্রি হয় টেবিলও। এখানে একটি টেবিলের বুকিং শুরু হয় ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার থেকে।

প্রতি বছর আয়োজকরা গালার জন্য একটি নির্দিষ্ট ড্রেস কোড ঘোষণা করেন। তারকারা এবং তাঁদের ডিজাইনাররা সৃজনশীল নজরকাড়া ডিজাইনে থিমটি ফুটিয়ে তোলেন। কেউ থিম সরাসরি ফুটিয়ে তোলেন, কেউ অ্যাভান্ট স্টাইল বেছে নেন। আবার কেউ চাইলে শুধু সুন্দর গাউন বা ‘হোয়াইট টাই’ ফরমাল পোশাকও পরতে পারেন।
তবে এই অনুষ্ঠানের ভেতরে ফোন ব্যবহার করার নিয়ম নেই। ইভেন্টের অন্দরে থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অর্থাৎ ইনস্টাগ্রাম স্ক্রলিং কিংবা স্টোরি পোস্ট করা বা সেলফি তোলা; সবকিছুই মেট গালায় নিষিদ্ধ। তবে ওয়াশরুমে গেলে এই নিয়ম কিছুটা শিথিল করে ফেলেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

এ ছাড়া অতিথিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিউজিয়ামের ভেতর ই-সিগারেটসহ যেকোনো ধরনের ধূমপান নিষিদ্ধ। আরেকটি কারণ জাদুঘরের কোটি টাকার শিল্পকর্ম ও দামি ডিজাইনার পোশাককে সুরক্ষিত রাখা।
সাধারণত এই অনুষ্ঠানের আসন বিন্যাসের দায়িত্ব পালন করেন অভিজ্ঞ পার্টি প্ল্যানার এডি কিয়ারনান। ডিসেম্বরে অতিথিদের নাম চূড়ান্ত হতে শুরু করলে আসন বিন্যাসের খসড়া নিয়ে কাজ শুরু হয়। এরপর গালার প্রায় এক মাস আগে আসল সিটিং চার্ট চূড়ান্ত হয়। এমনভাবে তারকাদের একসঙ্গে আসনবিন্যাস করা হয় যেন তাঁরা সহজে মিশে যেতে পারেন বা কথা বলতে পারেন। এমনকি কেউ যেন তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার মুখোমুখি না পড়ে, সেটিও নিশ্চিত করা হয়।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১০ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১১ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১৪ ঘণ্টা আগে