সাভারে বিস্ফোরকসহ গ্রেপ্তার আরিফের ৬ দিনের রিমান্ড

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
সাভার (ঢাকা)

সাভারে গ্রেপ্তার জেএমবি সদস্য মোহাম্মদ আরিফকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। সংগৃহীত ছবি

ঢাকার সাভারে বিস্ফোরকসহ গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য মোহাম্মদ আরিফের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে তার ১০ দিনের রিমান্ড আদালতে পাঠায় সাভার মডেল থানা-পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সোহাগ ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে কোর্ট পুলিশের সাভার জিআরও শাখার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবু বকর সিদ্দিক। তিনি বলেন, এদিন আসামি আরিফের পক্ষের কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

এর আগে মোহাম্মদ আরিফের (২৬) বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় আরিফসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা নিষিদ্ধ নব্য জেএমবির সদস্য। নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে বিস্ফোরক দ্রব্যসহ সাভার এলাকায় জড়ো হয়। আরিফ ছাড়া অন্য আসামিরা পলাতক।

এদিকে, গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) উপজেলার হেমায়েতপুর থেকে আরিফকে গ্রেপ্তার করে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) সদস্যরা। এ সময় তার ব্যাগ থেকে ৬টি পাইপ বোমা ও বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক উপাদান উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে সন্ধ্যায় হেমায়েতপুরের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালায় সিটিটিসি। সেখান থেকে ৯টি পাইপ বোমা, গান পাউডারসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে তারা।

পুলিশ জানায়, বাসা খালি (টু-লেট) থাকার বিজ্ঞাপন দেখে চলতি আগস্টের ২ তারিখ বাসা দেখতে যান আব্বাস আলী নাম একজন। নিজেকে ট্রাকচালক পরিচয়ে স্ত্রীসহ থাকবেন জানিয়ে বাসাটি ভাড়া নেন। ৫ আগস্ট বাসায় সিলিং ফ্যান লাগান তিনি। এরপর বাসায় কারা যাতায়াত করেছে বাড়ির মালিক জানাতে পারেননি। তবে অভিযানের পর থেকে আব্বাস আলীকে আর পাওয়া যাচ্ছে না।

সাভার মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল আলম বলেন, গ্রেপ্তার আরিফকে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে বলে নিশ্চিত হয়েছেন।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত