জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

কর ও ঋণখেলাপ ইস্যুতে শক্ত অবস্থানে ইসি, দুই প্রার্থীর আবেদন নামঞ্জুর

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কর ফাঁকি ও ঋণখেলাপের দায়ে অভিযুক্ত প্রার্থীদের কোনো ছাড় দিচ্ছে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আপিল শুনানির প্রথম দিনেই কঠোর অবস্থান জানান দিয়েছে সংস্থাটি। শনিবার (১০ জানুয়ারি) কর ও ঋণ বকেয়া থাকায় দুই প্রার্থীর আপিল নামঞ্জুর করেছে কমিশন।

দুপুর ২টা থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে এই শুনানি শুরু হয়। এতে অংশ নেন নির্বাচন কমিশনার মো. আবদুর রহমানেল মাসউদ ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

শুনানিতে পাবনা-৩ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. হাসানুল ইসলামের আপিল নামঞ্জুর করা হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তার প্রতিনিধি জানান, সরকারের ৭৩ লাখ ১২ হাজার ৯৮৪ টাকা কর বকেয়া থাকায় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। তিনি কর পরিশোধের কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

প্রার্থী হাসানুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি সব কর পরিশোধ করেছেন। তবে ২০১৪-১৫ ও ২০১৮-১৯ করবর্ষের বকেয়া নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা চলছে। এ সময় কমিশনাররা কর পরিশোধের বা আদালতের স্থগিতাদেশের কাগজ দেখতে চান। কিন্তু প্রার্থী তা দেখাতে ব্যর্থ হন। ফলে তাঁর আপিল টেকেনি।

একই চিত্র দেখা গেছে নরসিংদী-৫ আসনের বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মশিউর রহমানের ক্ষেত্রে। সিআইবি রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে তাঁর ব্যক্তিগত ২ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে। এ কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেছিলেন।

শুনানিতে মশিউর রহমান দাবি করেন, এটি তাঁর ‘গাভি ঋণ’। তবে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাসউদ বলেন, ‘পুরানো তারিখের হিসাব দিলে হবে না। লোনের বিষয়ে আইনের ছাড় না পেলে আমাদের কিছু করার নেই।’ হালনাগাদ কাগজপত্র না থাকায় তাঁর আপিলও নামঞ্জুর করে কমিশন।

ইসি জানিয়েছে, মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীদের আপিল শুনানি চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রথম দিনের শুনানিতে কমিশনের কঠোর বার্তায় ঋণ ও করখেলাপি প্রার্থীদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সম্পর্কিত