স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। এই সময়ে গুজব ও অপপ্রচার রোধকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভ্রান্ত ও বিদ্রূপাত্মক তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার সঙ্গে সমন্বয়ের কথা জানিয়েছে কমিশন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি সচিব বলেন, নির্বাচনকালীন অপতথ্য ও তথ্যের অপপ্রচার একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা শুরু থেকেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। পরিস্থিতিকে একটি সম্মানজনক পর্যায়ে নিয়ে যেতে আমরা চেষ্টা করছি। তিনি জানান, ইন্টারনেটের গতি কমানো বা কোনো ধরনের নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থার বিপক্ষে কমিশন অবস্থান নিয়েছে।
সচিব বলেন, “আমরা মেটার সঙ্গে আলোচনা করছি। আমরা চাই না ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেওয়া হোক। বরং আমরা মেটাকে অনুরোধ করেছি—যেসব বিদ্রূপাত্মক, আক্রমণাত্মক বা অপপ্রচারমূলক কনটেন্ট রয়েছে, সেগুলো যেন ডাউন করা হয়।” এ বিষয়ে কমিশনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সেল মেটার সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, সহযোগিতার পরিধি কতটুকু হবে তা আলোচনার ওপর নির্ভর করবে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য মোকাবিলায় মেটা সক্রিয় ভূমিকা রাখবে বলে কমিশন প্রত্যাশা করে।
ইইউ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে ইসি সচিব জানান, প্রতিনিধি দলটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে। তবে তারা কী ধরনের তথ্য নিয়েছে বা কী পর্যবেক্ষণ করেছে—সে বিষয়ে কমিশন কোনো প্রশ্ন করেনি। ইইউ প্রতিনিধিরাও তা প্রকাশ করেননি। প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে পরে ব্রিফিং ও প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বলে তিনি জানান।
এ সময় ইইউ প্রতিনিধি দলের সদস্যদের কেউ অতীতে বাংলাদেশের কোনো নির্বাচন পর্যবেক্ষণে এসেছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব জানান, প্রতিনিধি দলের ছয় সদস্যের কেউই আগে বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসেননি। বৈঠকে নারী অংশগ্রহণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও সাধারণ আলোচনা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ব্যালট পেপার বিতরণ কার্যক্রমের অগ্রগতির কথাও ইসি সচিব জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ব্যালট পেপার পৌঁছে যাবে। ইতোমধ্যেই ১১৬টি সংসদীয় আসনের ব্যালট পেপার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বাকি আসনগুলোর ব্যালট পেপারও ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পৌঁছে যাবে।
ব্যালট পেপার পৌঁছাতে কিছুটা বিলম্ব হওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। আদালত থেকে শেষ মুহূর্তে কয়েকজন প্রার্থী তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় কিছু আসনে নতুন করে ব্যালট ছাপাতে হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব এলাকায় ব্যালট পেপার পৌঁছে যাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
ইইউ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে সচিব আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেলিগেশন প্রধান আমাদের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। তাঁরা মূলত আমাদের নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট নিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। আমাদের দিক থেকে কোনো শঙ্কা আছে কি না, সেটিও তাঁরা জানতে চেয়েছিলেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সচিব জানান, নির্বাচনী মাঠে সাত দিন সেনাবাহিনী, আট দিন আনসার এবং নিয়মিত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকবে। এছাড়া ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন ১৫০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তাঁরা মূলত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবেন। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের তালিকাও দ্রুতই পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।
বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি এবং দেশের ভেতরে যাঁরা ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, তাঁদের বিষয়ে সচিব তথ্য দেন। তিনি জানান, ডাক বিভাগ ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯২৪টি ব্যালট সংগ্রহ করেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে এ পর্যন্ত ব্যালট পৌঁছেছে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৮টি। এছাড়া নির্বাচনে অংশ নিতে ৬ হাজার ৯১ জন কয়েদি ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করেছেন। তাঁদের ভোট গ্রহণ ৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে এবং তা ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
দেশি পর্যবেক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, দেশি পর্যবেক্ষকদের কোনো ক্ষোভের কথা তাঁর দপ্তরে লিখিতভাবে আসেনি। তবে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের মতো তাঁরাও যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারেন, সেদিকে কমিশনের নজর রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। এই সময়ে গুজব ও অপপ্রচার রোধকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভ্রান্ত ও বিদ্রূপাত্মক তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার সঙ্গে সমন্বয়ের কথা জানিয়েছে কমিশন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি সচিব বলেন, নির্বাচনকালীন অপতথ্য ও তথ্যের অপপ্রচার একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা শুরু থেকেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। পরিস্থিতিকে একটি সম্মানজনক পর্যায়ে নিয়ে যেতে আমরা চেষ্টা করছি। তিনি জানান, ইন্টারনেটের গতি কমানো বা কোনো ধরনের নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থার বিপক্ষে কমিশন অবস্থান নিয়েছে।
সচিব বলেন, “আমরা মেটার সঙ্গে আলোচনা করছি। আমরা চাই না ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেওয়া হোক। বরং আমরা মেটাকে অনুরোধ করেছি—যেসব বিদ্রূপাত্মক, আক্রমণাত্মক বা অপপ্রচারমূলক কনটেন্ট রয়েছে, সেগুলো যেন ডাউন করা হয়।” এ বিষয়ে কমিশনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সেল মেটার সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, সহযোগিতার পরিধি কতটুকু হবে তা আলোচনার ওপর নির্ভর করবে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য মোকাবিলায় মেটা সক্রিয় ভূমিকা রাখবে বলে কমিশন প্রত্যাশা করে।
ইইউ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে ইসি সচিব জানান, প্রতিনিধি দলটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে। তবে তারা কী ধরনের তথ্য নিয়েছে বা কী পর্যবেক্ষণ করেছে—সে বিষয়ে কমিশন কোনো প্রশ্ন করেনি। ইইউ প্রতিনিধিরাও তা প্রকাশ করেননি। প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে পরে ব্রিফিং ও প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বলে তিনি জানান।
এ সময় ইইউ প্রতিনিধি দলের সদস্যদের কেউ অতীতে বাংলাদেশের কোনো নির্বাচন পর্যবেক্ষণে এসেছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব জানান, প্রতিনিধি দলের ছয় সদস্যের কেউই আগে বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসেননি। বৈঠকে নারী অংশগ্রহণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও সাধারণ আলোচনা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ব্যালট পেপার বিতরণ কার্যক্রমের অগ্রগতির কথাও ইসি সচিব জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ব্যালট পেপার পৌঁছে যাবে। ইতোমধ্যেই ১১৬টি সংসদীয় আসনের ব্যালট পেপার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বাকি আসনগুলোর ব্যালট পেপারও ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পৌঁছে যাবে।
ব্যালট পেপার পৌঁছাতে কিছুটা বিলম্ব হওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। আদালত থেকে শেষ মুহূর্তে কয়েকজন প্রার্থী তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় কিছু আসনে নতুন করে ব্যালট ছাপাতে হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব এলাকায় ব্যালট পেপার পৌঁছে যাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
ইইউ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে সচিব আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেলিগেশন প্রধান আমাদের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। তাঁরা মূলত আমাদের নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট নিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। আমাদের দিক থেকে কোনো শঙ্কা আছে কি না, সেটিও তাঁরা জানতে চেয়েছিলেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সচিব জানান, নির্বাচনী মাঠে সাত দিন সেনাবাহিনী, আট দিন আনসার এবং নিয়মিত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকবে। এছাড়া ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন ১৫০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তাঁরা মূলত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবেন। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের তালিকাও দ্রুতই পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।
বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি এবং দেশের ভেতরে যাঁরা ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, তাঁদের বিষয়ে সচিব তথ্য দেন। তিনি জানান, ডাক বিভাগ ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯২৪টি ব্যালট সংগ্রহ করেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে এ পর্যন্ত ব্যালট পৌঁছেছে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৮টি। এছাড়া নির্বাচনে অংশ নিতে ৬ হাজার ৯১ জন কয়েদি ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করেছেন। তাঁদের ভোট গ্রহণ ৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে এবং তা ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
দেশি পর্যবেক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, দেশি পর্যবেক্ষকদের কোনো ক্ষোভের কথা তাঁর দপ্তরে লিখিতভাবে আসেনি। তবে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের মতো তাঁরাও যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারেন, সেদিকে কমিশনের নজর রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান ধর্মঘট দুই দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। আগামী শুক্রবার ও শনিবার বন্দরকেন্দ্রিক সব ধরনের কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ কর্মসূচি স্থগিত থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
১৬ মিনিট আগে
প্রতিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাগজের পোস্টার ঘিরে একটি বিশেষ নির্বাচনী আমেজ তৈরি হতো। তবে এবার সেই পরিচিত দৃশ্যপট বদলে গেছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তে কাগজের পোস্টার নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রচারণার জায়গা দখল করেছে কাপড়ের ব্যানার।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা ছাড়া আর্থিক খাতের টেকসই সংস্কার সম্ভব নয়। অবিলম্বে আইনি ও কাঠামোগত সংস্কারের দাবি জানিয়ে এই মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসারস ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল (বিবিওডব্লিউসি)।
১ ঘণ্টা আগে
৫ আগস্ট আশুলিয়ায় যে নৃশংসতা চালানো হয়েছে, তা পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম। হিটলারের গ্যাস চেম্বারে মানুষ হত্যার পরেই এই ঘটনাকে নৃশংসতম বলা যায়। পরিকল্পিতভাবে ছয়জনকে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল।
২ ঘণ্টা আগে