স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশকে নিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বপ্ন, তারেক রহমানের ৩১ দফা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থাণের মূলমন্ত্রকে ধারণ করে ইশতেহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করবে দলটি। ইশতেহারে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে ইনসাফভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছে দলটি।
সূত্র বলছে, দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘ভিশন-২০৩০’, তারেক রহমানের ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’ এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর মূলমন্ত্রকে ধারণ করা হবে এই ইশতেহারে।
জনগণের ভোটের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং একটি টেকসই গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য থাকার কথা রয়েছে ইশতেহারে। এ লক্ষ্যে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কার, ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারী ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি রোধে রাষ্ট্রে জবাবদিহিমূলক ‘জনকল্যাণমূলক সরকার’ গঠনের কথা থাকতে পারে।
পাশাপাশি মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেওয়া এবং তাদের নামে সরকারি স্থাপনার নামকরণের বিষয় থাকার কথা বলছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করবে দলটি। পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ব্যাংক ও আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলা দূর করতে ‘অর্থনৈতিক সংস্কার কমিশন’ গঠন করার বিষয়টি ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এ ছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ বাতিল করা এবং বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনে দলীয়করণমুক্ত ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে (পিএসসি) শক্তিশালী করা হবে।
ইশতেহারে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার রূপকল্প তুলে ধরতে যাচ্ছে বিএনপি। বিনিয়োগ-নির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে ‘সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স’ এবং ব্যবসা সহজীকরণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পুঁজিবাজারের সংস্কারে বিশেষ তদন্ত কমিশন গঠন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে (এসএমই) স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করার বিষয়টিও রয়েছে।
দারিদ্র্য বিমোচনে প্রতিটি পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ প্রবর্তন করবে বিএনপি। ইশতেহারে বেসরকারি খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি কার্যকর পেনশন ফান্ড গঠন করা, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ এবং মৎস্যজীবীদের জন্য ‘জাল যার জলা তার’ নীতি অনুসরণ করার কথা ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলছে দলটি।
দলটি ক্ষমতায় গেলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উভয় খাতেই জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে— এমন আলোচনা থাকবে ইশতেহারে। স্নাতক স্তর পর্যন্ত নারী শিক্ষা অবৈতনিক করা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে দুপুরের খাবার ‘মিড ডে মিল’ চালু এবং মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করা হবে। ‘ই-হেলথ কার্ডের’ মাধ্যমে নাগরিকদের বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান এবং প্রতিটি জেলায় আধুনিক সেকেন্ডারি স্বাস্থ্য ইউনিট স্থাপন করা হবে।
দলের নেতাকর্মীরা বলছেন, কর্মসংস্থান ও তথ্যপ্রযুক্তি আগামী ৫ বছরে এক কোটি মানুষের বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবে দলটি। দেশের গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল স্থানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদান এবং বাংলাদেশকে একটি এআই হাব ও হার্ডওয়্যার উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে। ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিংয়ের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও স্টার্টআপ ফান্ডের ব্যবস্থার কথা উল্লেখ থাকবে বলে জানা গেছে।
ইশতেহারে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে রাজনীতিমুক্ত ও আধুনিক করার লক্ষ্যে একটি ‘জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল’ প্রণয়ণের কথা উল্লেখ থাকবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের জন্য ‘ওয়ান র্যাংক ওয়ান পেনশন’ নীতি চালু করা হবে।
স্থানীয় সরকার ও পরিবেশ ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে স্থানীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির। পরিবেশ রক্ষায় আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির ইশতেহারে ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ নীতি অনুসরণের কথা থাকবে বলে জানা গেছে। ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়ের প্রধানদের জন্য মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনাও তুলে ধরবে দলটি।

বাংলাদেশকে নিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বপ্ন, তারেক রহমানের ৩১ দফা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থাণের মূলমন্ত্রকে ধারণ করে ইশতেহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করবে দলটি। ইশতেহারে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে ইনসাফভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছে দলটি।
সূত্র বলছে, দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘ভিশন-২০৩০’, তারেক রহমানের ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’ এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর মূলমন্ত্রকে ধারণ করা হবে এই ইশতেহারে।
জনগণের ভোটের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং একটি টেকসই গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য থাকার কথা রয়েছে ইশতেহারে। এ লক্ষ্যে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কার, ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারী ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি রোধে রাষ্ট্রে জবাবদিহিমূলক ‘জনকল্যাণমূলক সরকার’ গঠনের কথা থাকতে পারে।
পাশাপাশি মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেওয়া এবং তাদের নামে সরকারি স্থাপনার নামকরণের বিষয় থাকার কথা বলছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করবে দলটি। পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ব্যাংক ও আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলা দূর করতে ‘অর্থনৈতিক সংস্কার কমিশন’ গঠন করার বিষয়টি ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এ ছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ বাতিল করা এবং বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনে দলীয়করণমুক্ত ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে (পিএসসি) শক্তিশালী করা হবে।
ইশতেহারে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার রূপকল্প তুলে ধরতে যাচ্ছে বিএনপি। বিনিয়োগ-নির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে ‘সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স’ এবং ব্যবসা সহজীকরণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পুঁজিবাজারের সংস্কারে বিশেষ তদন্ত কমিশন গঠন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে (এসএমই) স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করার বিষয়টিও রয়েছে।
দারিদ্র্য বিমোচনে প্রতিটি পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ প্রবর্তন করবে বিএনপি। ইশতেহারে বেসরকারি খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি কার্যকর পেনশন ফান্ড গঠন করা, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ এবং মৎস্যজীবীদের জন্য ‘জাল যার জলা তার’ নীতি অনুসরণ করার কথা ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলছে দলটি।
দলটি ক্ষমতায় গেলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উভয় খাতেই জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে— এমন আলোচনা থাকবে ইশতেহারে। স্নাতক স্তর পর্যন্ত নারী শিক্ষা অবৈতনিক করা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে দুপুরের খাবার ‘মিড ডে মিল’ চালু এবং মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করা হবে। ‘ই-হেলথ কার্ডের’ মাধ্যমে নাগরিকদের বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান এবং প্রতিটি জেলায় আধুনিক সেকেন্ডারি স্বাস্থ্য ইউনিট স্থাপন করা হবে।
দলের নেতাকর্মীরা বলছেন, কর্মসংস্থান ও তথ্যপ্রযুক্তি আগামী ৫ বছরে এক কোটি মানুষের বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবে দলটি। দেশের গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল স্থানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদান এবং বাংলাদেশকে একটি এআই হাব ও হার্ডওয়্যার উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে। ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিংয়ের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও স্টার্টআপ ফান্ডের ব্যবস্থার কথা উল্লেখ থাকবে বলে জানা গেছে।
ইশতেহারে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে রাজনীতিমুক্ত ও আধুনিক করার লক্ষ্যে একটি ‘জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল’ প্রণয়ণের কথা উল্লেখ থাকবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের জন্য ‘ওয়ান র্যাংক ওয়ান পেনশন’ নীতি চালু করা হবে।
স্থানীয় সরকার ও পরিবেশ ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে স্থানীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির। পরিবেশ রক্ষায় আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির ইশতেহারে ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ নীতি অনুসরণের কথা থাকবে বলে জানা গেছে। ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়ের প্রধানদের জন্য মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনাও তুলে ধরবে দলটি।

‘ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তার অবস্থান থেকে অনেকটাই সরে এসেছে। নির্বাচনী ইশতেহার অন্তত এটিই বলছে। দলটি এখন ‘মানবিক ও নিরাপদ’ বাংলাদেশ গড়তে চায়।
৩৫ মিনিট আগে
আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনকে প্রাণিবান্ধব মডেল এবং সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নিরাপদ আবাসনস্থল হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজনীতি কি আর গ্ল্যামারের ওপর ভরসা করছে না—এই প্রশ্ন দিয়েই আলোচনার সূচনা। একসময় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনোদন ও ক্রীড়াঙ্গনের তারকাদের সরব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কেউ সরাসরি সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, কেউ দলীয় প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের অধীনে ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতাকে যমুনার প্রবেশমুখগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থানের ডাক দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অবস্থান কর্মসূচিতে অবস্থান নিতে দেখা যায় ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীকে।
৪ ঘণ্টা আগে