ইমরান হোসাইন

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের আনা অভিযোগকে চক্রান্ত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সুলতান মাহমুদের স্ত্রী হোসনে আরা। তাঁর অভিযোগ, সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম তাঁর বাসায় গিয়ে তাঁকে প্ররোচিত করে ওই অভিযোগ লিখিয়ে নিয়েছিলেন। সুলতান মাহমুদ এ ঘটনাকে চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে তাঁর আনা দুর্নীতির অভিযোগের বিপরীতে প্রতিহিংসামূলক ‘নোংরামি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সুলতান মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রী এসব দাবি করেন।
প্ররোচনা দিয়ে অভিযোগ লিখিয়ে নেওয়ার দাবি
হোসনে আরা এক প্রতিবাদলিপিতে জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। এই ঘটনার পর তাঁর স্বামীর অগোচরে সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর তামিম তাঁদের আজিমপুরের বাসায় যান। হোসনে আরা বলেন, “তাজুল সাহেব নিচতলায় অবস্থান করেন এবং তামিম সাহেব ড্রয়িংরুমে ঢুকে আমাকে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে ও মিডিয়ার সামনে কথা বলতে প্ররোচনা দেন। আমি রাজি না হলে তাঁরা আমাকে বোঝান যে, একটি অভিযোগ লিখে দিলে স্বামী আমাকে সমীহ করে চলবে। তাঁদের শেখানো মতে আমি তখন ওই কাজটি করি।” তিনি আরও জানান, বর্তমানে তাঁদের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে এবং ছয় বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে। স্বামীর ক্যারিয়ার ধ্বংস করতেই এই অভিযোগ এখন সামনে আনা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
দুর্নীতির অভিযোগ তোলায় এই চক্রান্ত: সুলতান মাহমুদ
বি এম সুলতান মাহমুদ স্ট্রিমকে বলেন, “সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে আমি দুর্নীতির অভিযোগ তোলায় তাঁরা এখন এসব বিষয় সামনে আনছেন। অভিযোগ সত্য হলে তৎকালীন আইন উপদেষ্টা বা প্রসিকিউশন অফিস কেন এতদিন ব্যবস্থা নেয়নি?” তথ্য পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, কোন তথ্য সরানো হয়েছে তা তাঁরা সুনির্দিষ্ট করতে পারেননি। গানম্যানদের মারধর বা গুলির নির্দেশের অভিযোগও মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি। নিরাপত্তা প্রহরীর বিষয়ে তিনি জানান, অসদাচরণের কারণে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন ওই প্রহরীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছিল, যার আক্রোশে সে এখন পাল্টা অভিযোগ দিচ্ছে।
যা ছিল তাজুল ইসলামের চিঠিতে
গত সোমবার নতুন সরকার তাজুল ইসলামের নিয়োগ বাতিল করার পর এই বিবাদ প্রকাশ্যে আসে। এর আগে তাজুল ইসলাম গত ১১ জানুয়ারি তৎকালীন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে সুলতান মাহমুদকে অপসারণের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছিল, সুলতান মাহমুদ অনুমতি ছাড়াই ট্রাইব্যুনালের গোপনীয় তথ্য বাইরে সরবরাহ করছেন, যা বিচারপ্রক্রিয়ার জন্য ‘নিরাপত্তা হুমকি’। এছাড়া হাইকোর্টের নিরাপত্তা প্রহরীকে মারধর, গানম্যানদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগও সেখানে আনা হয়েছিল। চিঠির সঙ্গে সুলতান মাহমুদের স্ত্রীর হাতে লেখা অভিযোগের কপিও যুক্ত করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন তাজুল ইসলাম। সম্প্রতি তাঁর পদ বাতিলের পর থেকেই প্রসিকিউশনের অভ্যন্তরে এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের আনা অভিযোগকে চক্রান্ত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সুলতান মাহমুদের স্ত্রী হোসনে আরা। তাঁর অভিযোগ, সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম তাঁর বাসায় গিয়ে তাঁকে প্ররোচিত করে ওই অভিযোগ লিখিয়ে নিয়েছিলেন। সুলতান মাহমুদ এ ঘটনাকে চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে তাঁর আনা দুর্নীতির অভিযোগের বিপরীতে প্রতিহিংসামূলক ‘নোংরামি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সুলতান মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রী এসব দাবি করেন।
প্ররোচনা দিয়ে অভিযোগ লিখিয়ে নেওয়ার দাবি
হোসনে আরা এক প্রতিবাদলিপিতে জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। এই ঘটনার পর তাঁর স্বামীর অগোচরে সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর তামিম তাঁদের আজিমপুরের বাসায় যান। হোসনে আরা বলেন, “তাজুল সাহেব নিচতলায় অবস্থান করেন এবং তামিম সাহেব ড্রয়িংরুমে ঢুকে আমাকে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে ও মিডিয়ার সামনে কথা বলতে প্ররোচনা দেন। আমি রাজি না হলে তাঁরা আমাকে বোঝান যে, একটি অভিযোগ লিখে দিলে স্বামী আমাকে সমীহ করে চলবে। তাঁদের শেখানো মতে আমি তখন ওই কাজটি করি।” তিনি আরও জানান, বর্তমানে তাঁদের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে এবং ছয় বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে। স্বামীর ক্যারিয়ার ধ্বংস করতেই এই অভিযোগ এখন সামনে আনা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
দুর্নীতির অভিযোগ তোলায় এই চক্রান্ত: সুলতান মাহমুদ
বি এম সুলতান মাহমুদ স্ট্রিমকে বলেন, “সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে আমি দুর্নীতির অভিযোগ তোলায় তাঁরা এখন এসব বিষয় সামনে আনছেন। অভিযোগ সত্য হলে তৎকালীন আইন উপদেষ্টা বা প্রসিকিউশন অফিস কেন এতদিন ব্যবস্থা নেয়নি?” তথ্য পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, কোন তথ্য সরানো হয়েছে তা তাঁরা সুনির্দিষ্ট করতে পারেননি। গানম্যানদের মারধর বা গুলির নির্দেশের অভিযোগও মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি। নিরাপত্তা প্রহরীর বিষয়ে তিনি জানান, অসদাচরণের কারণে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন ওই প্রহরীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছিল, যার আক্রোশে সে এখন পাল্টা অভিযোগ দিচ্ছে।
যা ছিল তাজুল ইসলামের চিঠিতে
গত সোমবার নতুন সরকার তাজুল ইসলামের নিয়োগ বাতিল করার পর এই বিবাদ প্রকাশ্যে আসে। এর আগে তাজুল ইসলাম গত ১১ জানুয়ারি তৎকালীন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে সুলতান মাহমুদকে অপসারণের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছিল, সুলতান মাহমুদ অনুমতি ছাড়াই ট্রাইব্যুনালের গোপনীয় তথ্য বাইরে সরবরাহ করছেন, যা বিচারপ্রক্রিয়ার জন্য ‘নিরাপত্তা হুমকি’। এছাড়া হাইকোর্টের নিরাপত্তা প্রহরীকে মারধর, গানম্যানদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগও সেখানে আনা হয়েছিল। চিঠির সঙ্গে সুলতান মাহমুদের স্ত্রীর হাতে লেখা অভিযোগের কপিও যুক্ত করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন তাজুল ইসলাম। সম্প্রতি তাঁর পদ বাতিলের পর থেকেই প্রসিকিউশনের অভ্যন্তরে এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসে।

প্রতিবেশী দেশ মায়ানমারে ৫ দশমিক ১ মাত্রার একটি মাঝারি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বেশ কিছু এলাকায় মৃদু কাঁপুনি অনুভূত হয়েছে।
৫ মিনিট আগে
দুই তরুণীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর তা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রক্টর অফিস।
৮ মিনিট আগে
গত কয়েক দিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। মাদকবিরোধী এসব অভিযানে শিক্ষার্থী, পথচারী এবং বিনোদনপ্রেমীদের জেরা, তল্লাশি এবং লাঠিপেটার ঘটনা ঘটেছে।
১৮ মিনিট আগে
জিলাপিতে নিষিদ্ধ ও বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করার দায়ে মৌলভীবাজারের ‘বেঙ্গল সুইট ফুড’-কে ১৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত। জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
২৩ মিনিট আগে