স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঋণখেলাপির তথ্য গোপনের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। কিন্তু কমিশন বা ইসির দেওয়া সিদ্ধান্তই বহাল রেখে রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ মুন্সীর দায়ের করা রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেন। তবে হাইকোর্টের এই আদেশের পরও মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
আজ আদালতে রিটকারী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ ও অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন। অন্যদিকে প্রতিপক্ষ ও আপিলকারী প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে আইনি যুক্তি তুলে ধরেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা ও অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।
রিট আবেদন ও ইসি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা-৪ আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রাথমিক বাছাইয়ে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন একই আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ ছিল, বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে হলফনামা দাখিল করেছেন, যা নির্বাচনী আইনের লঙ্ঘন।
এই অভিযোগের ওপর গত ১৭ জানুয়ারি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে ইসি হাসনাত আবদুল্লাহর আপিল মঞ্জুর করে এবং মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।
ইসির ১৭ জানুয়ারির ওই সিদ্ধান্ত স্থগিত চেয়ে এবং নিজের প্রার্থিতা ফিরে পেতে গত ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। সেই রিটের ওপর শুনানি শেষে আজ হাইকোর্ট তা খারিজ করে দিলেন।

ঋণখেলাপির তথ্য গোপনের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। কিন্তু কমিশন বা ইসির দেওয়া সিদ্ধান্তই বহাল রেখে রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ মুন্সীর দায়ের করা রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেন। তবে হাইকোর্টের এই আদেশের পরও মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
আজ আদালতে রিটকারী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ ও অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন। অন্যদিকে প্রতিপক্ষ ও আপিলকারী প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে আইনি যুক্তি তুলে ধরেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা ও অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।
রিট আবেদন ও ইসি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা-৪ আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রাথমিক বাছাইয়ে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন একই আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ ছিল, বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে হলফনামা দাখিল করেছেন, যা নির্বাচনী আইনের লঙ্ঘন।
এই অভিযোগের ওপর গত ১৭ জানুয়ারি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে ইসি হাসনাত আবদুল্লাহর আপিল মঞ্জুর করে এবং মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।
ইসির ১৭ জানুয়ারির ওই সিদ্ধান্ত স্থগিত চেয়ে এবং নিজের প্রার্থিতা ফিরে পেতে গত ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। সেই রিটের ওপর শুনানি শেষে আজ হাইকোর্ট তা খারিজ করে দিলেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘পুলিশ হত্যা’র অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ ৪২ জনকে আসামি করে মামলার আবেদন করা হয়।
২৮ মিনিট আগে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সড়ক, রেল ও নৌপথের যাত্রী এবং চালকদের প্রতি নিরাপত্তা দির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সকাল ছিল ঐকতানের। সরকারি-বিরোধী উভয় দলের মুখে হাসি, উষ্ণ শুভেচ্ছা, সব মিলিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক আশাব্যঞ্জক সূচনা। কিন্তু দিন গড়াতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে ফিরে আসে চেনা উত্তাপ, স্লোগান আর ওয়াকআউট।
১ ঘণ্টা আগে
গুম, খুন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তার বিচার প্রচলিত ‘সেনা আইনে’ করার দাবি জানিয়েছে আসামিপক্ষ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইন সংশোধন করে তাদের বিচার শুরু করাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘সেনা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ বলেও আখ্যা দিয়েছে
৩ ঘণ্টা আগে