স্ট্রিম সংবাদদাতা

টানা চার দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সড়কে ধস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেলার বিলাইছড়ি, বাঘাইছড়ি ও সদর উপজেলার কিছু এলাকার ঘরবাড়ি ও গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে।
গত মঙ্গলবার রাঙামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ আশ্রয়কেন্দ্রে ১৪টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। তাদের অনেকের ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে গেছে, আবার অনেকে পাহাড়ধসের আশঙ্কা নিয়ে পরিবারসহ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে এসেছেন। বুধবার সকালে সাপছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে কথা হয় মধ্যমপাড়ার বাসিন্দা ৬০ বছর বয়সী আনন্দ মালা চাকমার সঙ্গে। তিনি বলেন, বাড়ির নিচ থেকে পাহাড়ের মাটি সরে যাওয়ায় ভয়ে তারা মঙ্গলবার পরিবারের পাঁচ সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছেন।
তবে শুধু আনন্দ মালা চাকমা নন, একই ইউনিয়নের আরও ১৪টি পরিবার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছেন সাপছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রবীণ চাকমা। ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে প্রায় ৪০টি পরিবারের পানি ও পাহাড়ধসে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছে। বাকিরা তাদের আত্মীয়স্বজনদের ঘরে আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা পরিবারগুলোকে চাল বিতরণ করা হয়েছে।’

এদিকে জেলার বিলাইছড়ি, বাঘাইছড়ি ও জুরাছড়ি উপজেলারও কিছু নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে বাঘাইছড়ি উপজেলায় ১০০টি পরিবার পানিবন্দী, জুরাছড়ির মৈদং ইউনিয়ন ও বিলাইছড়ি উপজেলার চারটি ইউনিয়নে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বাঘাইছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান বলেন, ‘উপজেলায় ৫৬টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। কিছু কিছু আশ্রয়কেন্দ্রে লোকজন উঠেছে, বাকিগুলোতে এখনো লোকজন যায়নি। প্রায় ১০০টির বেশি পরিবার পানিবন্দী রয়েছে।’
বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, বিলাইছড়ি উপজেলার চারটি ইউনিয়নে পানি উঠেছে। পানিবন্দী পরিবারগুলোর তালিকা করা হচ্ছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ২০৪টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে ২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ১৪৬ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা লোকজনের খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পুরো জেলায় প্রায় ১ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা লোকজনকে প্রতিদিন তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পানিবন্দী লোকজনের তালিকা আমাদের কাছে এখনো আসেনি। আসলে সেটি জানানো হবে।’

সড়কের ১৬টি স্থানে ধস
টানা চার দিনের বৃষ্টির কারণে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়ক, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক ও রাঙামাটি-বান্দরবান আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় ১৫-১৬টি স্থানে ছোট-বড় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের একটি অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় গত মঙ্গলবার থেকে রাঙামাটির সঙ্গে খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে বান্দরবানের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা সচল রয়েছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, রাঙামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ছোট-বড় প্রায় ১৫-১৬টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। সড়ক থেকে মাটি অপসারণ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার চন্দ্রঘোনা-রাইখালী ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় বান্দরবান সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকলেও আজ বুধবার সকাল থেকে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। তবে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের একটি অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার থেকে সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি পাঠদান বন্ধ
প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিবেচনায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাঙামাটির সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি পাঠদান বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।
বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কফিল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘চলমান প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন জায়গায় জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের আশঙ্কা থাকায় শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে গমন প্রায় অসম্ভব। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড়ি পথ, খরস্রোতা ছড়া ও ঝিরি পার হয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন উপজেলায় বেশ কিছু বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। কাজেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয় বিবেচনায় বুধবারও শ্রেণি পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছিল। আগামীকাল বৃহস্পতিবারও সব বিদ্যালয়ে শ্রেণি পাঠদান বন্ধ থাকবে।’

টানা চার দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সড়কে ধস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেলার বিলাইছড়ি, বাঘাইছড়ি ও সদর উপজেলার কিছু এলাকার ঘরবাড়ি ও গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে।
গত মঙ্গলবার রাঙামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ আশ্রয়কেন্দ্রে ১৪টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। তাদের অনেকের ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে গেছে, আবার অনেকে পাহাড়ধসের আশঙ্কা নিয়ে পরিবারসহ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে এসেছেন। বুধবার সকালে সাপছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে কথা হয় মধ্যমপাড়ার বাসিন্দা ৬০ বছর বয়সী আনন্দ মালা চাকমার সঙ্গে। তিনি বলেন, বাড়ির নিচ থেকে পাহাড়ের মাটি সরে যাওয়ায় ভয়ে তারা মঙ্গলবার পরিবারের পাঁচ সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছেন।
তবে শুধু আনন্দ মালা চাকমা নন, একই ইউনিয়নের আরও ১৪টি পরিবার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছেন সাপছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রবীণ চাকমা। ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে প্রায় ৪০টি পরিবারের পানি ও পাহাড়ধসে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছে। বাকিরা তাদের আত্মীয়স্বজনদের ঘরে আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা পরিবারগুলোকে চাল বিতরণ করা হয়েছে।’

এদিকে জেলার বিলাইছড়ি, বাঘাইছড়ি ও জুরাছড়ি উপজেলারও কিছু নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে বাঘাইছড়ি উপজেলায় ১০০টি পরিবার পানিবন্দী, জুরাছড়ির মৈদং ইউনিয়ন ও বিলাইছড়ি উপজেলার চারটি ইউনিয়নে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বাঘাইছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান বলেন, ‘উপজেলায় ৫৬টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। কিছু কিছু আশ্রয়কেন্দ্রে লোকজন উঠেছে, বাকিগুলোতে এখনো লোকজন যায়নি। প্রায় ১০০টির বেশি পরিবার পানিবন্দী রয়েছে।’
বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, বিলাইছড়ি উপজেলার চারটি ইউনিয়নে পানি উঠেছে। পানিবন্দী পরিবারগুলোর তালিকা করা হচ্ছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ২০৪টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে ২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ১৪৬ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা লোকজনের খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পুরো জেলায় প্রায় ১ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা লোকজনকে প্রতিদিন তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পানিবন্দী লোকজনের তালিকা আমাদের কাছে এখনো আসেনি। আসলে সেটি জানানো হবে।’

সড়কের ১৬টি স্থানে ধস
টানা চার দিনের বৃষ্টির কারণে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়ক, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক ও রাঙামাটি-বান্দরবান আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় ১৫-১৬টি স্থানে ছোট-বড় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের একটি অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় গত মঙ্গলবার থেকে রাঙামাটির সঙ্গে খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে বান্দরবানের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা সচল রয়েছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, রাঙামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ছোট-বড় প্রায় ১৫-১৬টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। সড়ক থেকে মাটি অপসারণ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার চন্দ্রঘোনা-রাইখালী ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় বান্দরবান সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকলেও আজ বুধবার সকাল থেকে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। তবে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের একটি অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার থেকে সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি পাঠদান বন্ধ
প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিবেচনায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাঙামাটির সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি পাঠদান বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।
বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কফিল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘চলমান প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন জায়গায় জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের আশঙ্কা থাকায় শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে গমন প্রায় অসম্ভব। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড়ি পথ, খরস্রোতা ছড়া ও ঝিরি পার হয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন উপজেলায় বেশ কিছু বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। কাজেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয় বিবেচনায় বুধবারও শ্রেণি পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছিল। আগামীকাল বৃহস্পতিবারও সব বিদ্যালয়ে শ্রেণি পাঠদান বন্ধ থাকবে।’
.png)

টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া, মাতামুহুরী, পেকুয়া ও রামু উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় অন্তত তিন লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
আধা ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতেই রাজধানীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি উপচে পড়ে পানিতে। বাসাবাড়ি আর রাস্তার পাশের দোকানেও ঢুকে যায় পয়োনিষ্কাশন নালার দুর্গন্ধযুক্ত পানি।
৪ ঘণ্টা আগে
উগ্রবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচিত ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেমের (এফসিএস) সক্রিয় সদস্য তাহসীন ইসলামকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে যশোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া দীর্ঘদিন উন্নয়নবঞ্চিত ছিল দাবি করে সেসব ঘাটতি পূরণে মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
৪ ঘণ্টা আগে