নুরাল পাগলার দরবার কাণ্ড
স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার দরবারে হামলা ভাঙচুর, কবর লাশ তুলে পুড়িয়ে ফেলা ও এক ভক্ত নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়িত্ব পালন নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছে স্থানীয় গোয়ালন্দ ঘাট থানা। এর মধ্যে ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলামকে বদলী করা হয়েছে। তাঁকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে রাজবাড়ী পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ের অপরাধ শাখার পুলিশ পরিদর্শক (ক্রাইম) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে বালিয়াকান্দি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি হিসেবে বদলী করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ী পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম এক অফিস আদেশে এই বদলীর আদেশ দেন।
বদলীর বিষয়ে জানতে চাইলে রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. শরীফ আল রাজীব বলেন, ‘দাপ্তরিক কাজের প্রয়োজনেই গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জকে বদলী করা হয়েছে। এটা প্রত্যাহার নয়।’
এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর গোয়ালন্দে করব নিয়ে আপত্তি তুলে ‘ইমান আক্বিদা রক্ষা কমিটি’ ব্যানারে বিক্ষোভ করে নুরাল পাগলার দরবারে হামলা চালানো হয়। এতে সংঘর্ষে তাঁর ভক্ত রাসেল মোল্লা নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হন। এর এক পর্যায়ে নুরাল পাগলার লাশ কবর থেকে উঠিয়ে পদ্মার মোড় নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত লোকজন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে পুলিশের ওপর হামলা, দুটি পিকআপ ও গোয়ালন্দ ইউএনও গাড়ি ভাঙচুর করে তারা।
পরে নুরাল পাগলার ভক্ত রাসেল মোল্লাকে হত্যা, দরবারে অগ্নিসংযোগ, লাশ পোড়ানোর অভিযোগে নিহতের বাবা আমজাদ মোল্লা বাদী হয়ে ৮ সেপ্টেম্বর অজ্ঞাতনামা সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করে গোয়ালন্দ থানায় মামলা করেন। এর আগে ঘটনার দিন পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে রাতেই অজ্ঞাতনামা সাড়ে তিন হাজার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেন গোয়ালন্দ ঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম মোল্লা।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার দরবারে হামলা ভাঙচুর, কবর লাশ তুলে পুড়িয়ে ফেলা ও এক ভক্ত নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়িত্ব পালন নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছে স্থানীয় গোয়ালন্দ ঘাট থানা। এর মধ্যে ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলামকে বদলী করা হয়েছে। তাঁকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে রাজবাড়ী পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ের অপরাধ শাখার পুলিশ পরিদর্শক (ক্রাইম) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে বালিয়াকান্দি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি হিসেবে বদলী করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ী পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম এক অফিস আদেশে এই বদলীর আদেশ দেন।
বদলীর বিষয়ে জানতে চাইলে রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. শরীফ আল রাজীব বলেন, ‘দাপ্তরিক কাজের প্রয়োজনেই গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জকে বদলী করা হয়েছে। এটা প্রত্যাহার নয়।’
এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর গোয়ালন্দে করব নিয়ে আপত্তি তুলে ‘ইমান আক্বিদা রক্ষা কমিটি’ ব্যানারে বিক্ষোভ করে নুরাল পাগলার দরবারে হামলা চালানো হয়। এতে সংঘর্ষে তাঁর ভক্ত রাসেল মোল্লা নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হন। এর এক পর্যায়ে নুরাল পাগলার লাশ কবর থেকে উঠিয়ে পদ্মার মোড় নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত লোকজন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে পুলিশের ওপর হামলা, দুটি পিকআপ ও গোয়ালন্দ ইউএনও গাড়ি ভাঙচুর করে তারা।
পরে নুরাল পাগলার ভক্ত রাসেল মোল্লাকে হত্যা, দরবারে অগ্নিসংযোগ, লাশ পোড়ানোর অভিযোগে নিহতের বাবা আমজাদ মোল্লা বাদী হয়ে ৮ সেপ্টেম্বর অজ্ঞাতনামা সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করে গোয়ালন্দ থানায় মামলা করেন। এর আগে ঘটনার দিন পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে রাতেই অজ্ঞাতনামা সাড়ে তিন হাজার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেন গোয়ালন্দ ঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম মোল্লা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি হওয়া মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ সময় আওয়ামী লীগ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’আখ্যা দেন তিনি।
২ মিনিট আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘পুলিশ হত্যা’র অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ ৪২ জনকে আসামি করে মামলার আবেদন করা হয়।
৩১ মিনিট আগে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সড়ক, রেল ও নৌপথের যাত্রী এবং চালকদের প্রতি নিরাপত্তা দির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সকাল ছিল ঐকতানের। সরকারি-বিরোধী উভয় দলের মুখে হাসি, উষ্ণ শুভেচ্ছা, সব মিলিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক আশাব্যঞ্জক সূচনা। কিন্তু দিন গড়াতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে ফিরে আসে চেনা উত্তাপ, স্লোগান আর ওয়াকআউট।
১ ঘণ্টা আগে