স্ট্রিম প্রতিবেদক

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মূল অঙ্গীকার—সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার গত ৫৫ বছরেও অর্জিত হয়নি বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। সংগঠনটি বলেছে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আবারও সরকার পতনের লড়াই শুরু করা হবে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র থেকে জুলাই সনদ: প্রতারণার ফাঁদে বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ‘১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল সাম্য ও ন্যায়বিচারের যে লিখিত অঙ্গীকার করা হয়েছিল, ১৯৭২ সালের সংবিধানের চতুর ক্ষমতা কাঠামোর মাধ্যমে তা নস্যাৎ করে একটি নিকৃষ্ট স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। বর্তমান সংসদকে জনগণের দেওয়া গণভোটের আদেশ মেনে নিয়ে দ্রুত সংবিধান সংস্কার কার্যকর করতে হবে।’
তিনি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, ‘অভ্যুত্থান শেষ হয়নি। সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই যাত্রা থামবে না। সংস্কারের আদেশ অগ্রাহ্য করলে জনপরিসরে সরকারের গ্রহণযোগ্যতায় ধস নামবে এবং আবারও সরকার পতনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর যে জুলাই সনদ তৈরি হয়েছে, সেটি বাস্তবায়ন করাই এখন সময়ের প্রধান দাবি।’
হাসনাত কাইয়ূম আরও অভিযোগ করেন, জনগণ গণভোটের মাধ্যমে সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও বর্তমান সংসদ সেই আদেশ অগ্রাহ্য করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। তিনি অবাধ নির্বাচন, ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং অর্থ পাচার ও দুর্নীতি রোধে দ্রুত সংবিধান সংস্কারের আহ্বান জানান।
সভায় কবি ও অ্যাক্টিভিস্ট শহীদুল্লাহ ফরায়জী বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবসটি বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন হলেও গত ৫৪ বছরে কোনো সরকার এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করেনি। তিনি দিবসটি জাতীয়ভাবে পালনের দাবি জানান। বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার তাঁর বক্তব্যে বলেন, ৭২-এর সংবিধানের মাধ্যমেই জনগণের মধ্যে বিভাজনের বীজ বপন করা হয়েছিল, যা পরবর্তী শাসকচক্র লুটপাট ও দমনে ব্যবহার করেছে।
সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ ছাড়া বক্তব্য দেন এনপিএ’র কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য বাকী বিল্লাহ, বাসদ (মার্কসবাদী) নেতা জয়দ্বীপ ভট্টাচার্য, জেডিপির সদস্য সচিব এডভোকেট আব্দুল আলীম, অহিংস গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনের মাহবুব আলম চৌধুরী, রাষ্ট্রচিন্তার সেলিম খান ও চারু হক প্রমুখ।

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মূল অঙ্গীকার—সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার গত ৫৫ বছরেও অর্জিত হয়নি বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। সংগঠনটি বলেছে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আবারও সরকার পতনের লড়াই শুরু করা হবে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র থেকে জুলাই সনদ: প্রতারণার ফাঁদে বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ‘১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল সাম্য ও ন্যায়বিচারের যে লিখিত অঙ্গীকার করা হয়েছিল, ১৯৭২ সালের সংবিধানের চতুর ক্ষমতা কাঠামোর মাধ্যমে তা নস্যাৎ করে একটি নিকৃষ্ট স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। বর্তমান সংসদকে জনগণের দেওয়া গণভোটের আদেশ মেনে নিয়ে দ্রুত সংবিধান সংস্কার কার্যকর করতে হবে।’
তিনি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, ‘অভ্যুত্থান শেষ হয়নি। সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই যাত্রা থামবে না। সংস্কারের আদেশ অগ্রাহ্য করলে জনপরিসরে সরকারের গ্রহণযোগ্যতায় ধস নামবে এবং আবারও সরকার পতনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর যে জুলাই সনদ তৈরি হয়েছে, সেটি বাস্তবায়ন করাই এখন সময়ের প্রধান দাবি।’
হাসনাত কাইয়ূম আরও অভিযোগ করেন, জনগণ গণভোটের মাধ্যমে সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও বর্তমান সংসদ সেই আদেশ অগ্রাহ্য করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। তিনি অবাধ নির্বাচন, ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং অর্থ পাচার ও দুর্নীতি রোধে দ্রুত সংবিধান সংস্কারের আহ্বান জানান।
সভায় কবি ও অ্যাক্টিভিস্ট শহীদুল্লাহ ফরায়জী বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবসটি বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন হলেও গত ৫৪ বছরে কোনো সরকার এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করেনি। তিনি দিবসটি জাতীয়ভাবে পালনের দাবি জানান। বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার তাঁর বক্তব্যে বলেন, ৭২-এর সংবিধানের মাধ্যমেই জনগণের মধ্যে বিভাজনের বীজ বপন করা হয়েছিল, যা পরবর্তী শাসকচক্র লুটপাট ও দমনে ব্যবহার করেছে।
সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ ছাড়া বক্তব্য দেন এনপিএ’র কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য বাকী বিল্লাহ, বাসদ (মার্কসবাদী) নেতা জয়দ্বীপ ভট্টাচার্য, জেডিপির সদস্য সচিব এডভোকেট আব্দুল আলীম, অহিংস গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনের মাহবুব আলম চৌধুরী, রাষ্ট্রচিন্তার সেলিম খান ও চারু হক প্রমুখ।

নোয়াখালীর সেনবাগে প্রকাশ্য স্থানে গাঁজা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আরাফাত হোসেন ফাহিম (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বুধবার (১০ জুন) রাতে লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২ ঘণ্টা আগেঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর খাইয়ারা রাস্তার মাথা এলাকায় থেমে থাকা ট্রাকের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছে। স্থানীয়সহ আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যুবদল নেতা মনির খানের (৩৮) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে স্বজনের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে