স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব শুরু করেছেন দীনেশ ত্রিবেদী। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশের মধ্য দিয়ে তিনি ঢাকা মিশনের এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
দায়িত্ব শুরুর আগে বঙ্গভবনে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী, এ সময় তাঁকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়েছে বলে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
দীনেশ ত্রিবেদীকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিল ভারত
দীনেশ ত্রিবেদীকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছে ভারত সরকার। গত বুধবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (জননিরাপত্তা বিভাগ) এক অফিস স্মারকে জানানো হয়েছে, এই মর্যাদা শুধু আনুষ্ঠানিক বা প্রটোকল-সংশ্লিষ্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদী এর আগে দুইবার ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করেছেন। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের উদ্দেশ্যে গত ১২ জুন তিনি বাংলাদেশে পৌঁছান। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্ব ঘোচানোর লক্ষ্যে এই অভিজ্ঞ রাজনীতিককে রাষ্ট্রদূত হিসেবে বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
দীনেশ ত্রিবেদী বাংলা ভাষায় পারদর্শী এবং দুই বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন। একজন সেতারবাদক হিসেবেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। গুজরাটি দম্পতি হীরালাল ত্রিবেদী ও উর্মিলাবেন ত্রিবেদীর ছোট ছেলে দীনেশ হিমাচল প্রদেশের বোর্ডিং স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করে কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন তিনি।
প্রবীণ এই রাজনীতিক দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। আশির দশকে তিনি কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পরে ১৯৯০ সালে জনতা দলে যোগ দেন এবং ১৯৯০ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় দলটির সদস্য ছিলেন। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করলে তিনি সেই দলে যোগ দেন এবং দলটির প্রথম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০২ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় তৃণমূলের এমপি ছিলেন দীনেশ। ২০০৯ সালে ব্যারাকপুর থেকে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি মনমোহন সিং সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হন। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব ছেড়ে দিলে তিনি সেই মন্ত্রণালয় সামলান। ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপির অর্জুন সিংয়ের কাছে পরাজিত হওয়ার পর তৃণমূল তাঁকে পুনরায় রাজ্যসভায় পাঠায়। তবে ২০২১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করেন এবং ৬ মার্চ বিজেপিতে যোগ দেন।

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব শুরু করেছেন দীনেশ ত্রিবেদী। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশের মধ্য দিয়ে তিনি ঢাকা মিশনের এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
দায়িত্ব শুরুর আগে বঙ্গভবনে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী, এ সময় তাঁকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়েছে বলে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
দীনেশ ত্রিবেদীকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিল ভারত
দীনেশ ত্রিবেদীকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছে ভারত সরকার। গত বুধবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (জননিরাপত্তা বিভাগ) এক অফিস স্মারকে জানানো হয়েছে, এই মর্যাদা শুধু আনুষ্ঠানিক বা প্রটোকল-সংশ্লিষ্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদী এর আগে দুইবার ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করেছেন। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের উদ্দেশ্যে গত ১২ জুন তিনি বাংলাদেশে পৌঁছান। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্ব ঘোচানোর লক্ষ্যে এই অভিজ্ঞ রাজনীতিককে রাষ্ট্রদূত হিসেবে বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
দীনেশ ত্রিবেদী বাংলা ভাষায় পারদর্শী এবং দুই বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন। একজন সেতারবাদক হিসেবেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। গুজরাটি দম্পতি হীরালাল ত্রিবেদী ও উর্মিলাবেন ত্রিবেদীর ছোট ছেলে দীনেশ হিমাচল প্রদেশের বোর্ডিং স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করে কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন তিনি।
প্রবীণ এই রাজনীতিক দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। আশির দশকে তিনি কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পরে ১৯৯০ সালে জনতা দলে যোগ দেন এবং ১৯৯০ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় দলটির সদস্য ছিলেন। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করলে তিনি সেই দলে যোগ দেন এবং দলটির প্রথম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০২ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় তৃণমূলের এমপি ছিলেন দীনেশ। ২০০৯ সালে ব্যারাকপুর থেকে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি মনমোহন সিং সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হন। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব ছেড়ে দিলে তিনি সেই মন্ত্রণালয় সামলান। ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপির অর্জুন সিংয়ের কাছে পরাজিত হওয়ার পর তৃণমূল তাঁকে পুনরায় রাজ্যসভায় পাঠায়। তবে ২০২১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করেন এবং ৬ মার্চ বিজেপিতে যোগ দেন।
.png)

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে মোবাইল ফোন চুরির অপবাদে আটকের পর মারধরে শাহাদাত (২৭) নামে একজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে উপজেলার শ্যামসিদ্ধি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এর আগে বুধবার রাতে মাইকে ঘোষণা দিয়ে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
৪২ মিনিট আগে
বাঘ, সিংহ, চিতার মতো বড় আকারের বন্য বিড়াল (বিগ ক্যাট) বাঁচাতে কাজ করা আন্তর্জাতিক জোট ‘ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্সে’ (আইবিসিএ) আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এই জোটের ২৭তম সদস্য হলো।
১ ঘণ্টা আগে
সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পানি ব্যবস্থাপনায় চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে তিনি প্রশিক্ষণ নিতে বাংলাদেশের পানি বিশেষজ্ঞদের চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান।
১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বেইজিংয়ের গ্রেট হলে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘দিয়াওইউতাই’ থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে গ্রেট হলে এসে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে স্বাগত জানান।
১ ঘণ্টা আগে