সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামি অভিনেতা ডন গ্রেপ্তার

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

আশরাফুল হক ডন। সংগৃহীত ছবি

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামি অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ডন ওই মামলার চার নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।

রোববার (৯ আগস্ট) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ওমরাহ পালন করতে দেশ ছাড়ার কথা ছিল ডনের। তবে বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটকে দেয়। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন খান জানান, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ওমরাহ করতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে আটকে সিআইডিকে খবর দেয়। পরে সিআইডির ঢাকা মেট্রো সাউথের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, ডন রমনা থানায় দায়ের হওয়া চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার ৪ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। বর্তমানে মামলাটি সিআইডির ঢাকা মেট্রো সাউথ শাখা তদন্ত করছে।

২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তাঁর ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলাটি করেন।

মামলার আসামিরা হলেন সালমান শাহের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, চলচ্চিত্র অভিনেতা ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহর সঙ্গে দেখা করতে যান তাঁর মা নীলা চৌধুরী, বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরীসহ পরিবারের সদস্যরা। সেখান থেকে তাঁদের সিলেটে যাওয়ার কথা ছিল। তাঁরা সালমানের বাসায় গিয়ে জানতে পারেন, তিনি ঘুমাচ্ছেন। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খবর পান, সালমানের ‘কিছু একটা হয়েছে’। দ্রুত সেখানে গিয়ে তাঁরা সালমানকে তাঁর শোবার ঘরে পড়ে থাকতে দেখেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সে সময় রুবী নামের এক নারীসহ কয়েকজন সালমানের হাতে-পায়ে তেল মালিশ করছিলেন। সামিরা তখন সালমানের মা-বাবাকে বাসা থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। পরে সালমানকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল ও তারপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পা নীলবর্ণ ছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত