স্ট্রিম প্রতিবেদক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা হত্যা করেছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক ও সাপ্তাহিক ব্লিটজের সম্পাদক সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী। (১,২) একই সঙ্গে তিনি বিক্রমপুরীর বিরুদ্ধে ২১২ তরুণ হিন্দু নারীকে অপহরণ, মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের জিহাদি প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার অভিযোগও করেছেন।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, বিক্রমপুরী নিহত হওয়ার দাবিটি ভুয়া। ‘বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় জয়েন্ট সেক্রেটারি আতাউর রহমান বিক্রমপুরী জীবিত ও সুস্থ আছেন বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে স্ট্রিমকে জানানো হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর খবরকে সম্পূর্ণ গুজব বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।
এ ছাড়া সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর পোস্টে বিক্রমপুরীর বিরুদ্ধে করা আরও কয়েকটি গুরুতর অভিযোগের পক্ষেও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এর আগে একই এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একাধিকবার ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর নজির রয়েছে, যেগুলো বিভিন্ন ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান যাচাই করেছে।
শনিবার সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট @salah_shoaib থেকে বিক্রমপুরীকে নিয়ে অন্তত দুটি পোস্ট করা হয়।
প্রথম পোস্টে তিনি লেখেন, মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম পিগুরুসের শ্রী আইয়ার একটি ভিডিও বক্তব্যে দাবি করেছেন, ২১২ হিন্দু নারীকে অপহরণের অভিযোগ থাকা আতাউর রহমান বিক্রমপুরী ‘অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের’ হাতে নিহত হয়েছেন।
কয়েক ঘণ্টা পর আরেকটি পোস্টে তিনি বিষয়টিকে ‘ব্রেকিং নিউজ’ হিসেবে উপস্থাপন করেন। এবার সরাসরি দাবি করেন, মুফতি জসীম উদ্দীন রাহমানীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী আতাউর রহমান বিক্রমপুরী তাঁর দুই শীর্ষ সহযোগীসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের হাতে নিহত হয়েছেন।
দ্বিতীয় পোস্টে আরও বলা হয়, বিক্রমপুরী ২১২ তরুণ হিন্দু নারীকে অপহরণ করেছেন, ভারতে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে মাদ্রাসাছাত্রদের জিহাদি প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন এবং পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন।
কিন্তু পোস্টটিতে কোথায়, কখন বা কীভাবে বিক্রমপুরী নিহত হয়েছেন, কথিত অন্য দুই নিহত ব্যক্তি কারা, কোন হাসপাতাল বা থানায় ঘটনাটি নথিভুক্ত হয়েছে কিংবা কোন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে, তার কিছুই উল্লেখ করা হয়নি।
পোস্টে ভারতীয় বার্তা সংস্থা IANS এবং PTI News-কে ট্যাগ করা হয়েছে। কিন্তু তাদের কোনো প্রতিবেদনকে সূত্র হিসেবে যুক্ত করা হয়নি। ৮ আগস্ট রাত পর্যন্ত IANS ও PTI-তে বিক্রমপুরীর এমন কোনো হত্যাকাণ্ডের প্রতিবেদনও স্ট্রিমের অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি।
আতাউর রহমান বিক্রমপুরী নিহত হওয়ার দাবিটি যাচাই করতে ‘বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলন’-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে স্ট্রিম। বিক্রমপুরী সংগঠনটির কেন্দ্রীয় জয়েন্ট সেক্রেটারি।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে স্ট্রিমকে বলা হয়, ‘আতাউর রহমান বিক্রমপুরী বাড়িতে আছেন। ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। যারা তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়েছে, তারা ভুয়া খবর ছড়িয়েছে। এটা সম্পূর্ণ গুজব।’
সালাহর পোস্টের আরেকটি গুরুতর অভিযোগ হলো, বিক্রমপুরী ২১২ তরুণ হিন্দু নারীকে অপহরণ করেছেন।
এই দাবি ধরে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করে সংবাদ প্রতিবেদন, পুলিশি তথ্য, আদালতের মামলা এবং প্রকাশ্য নথি খোঁজা হয়েছে। তবে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর বিরুদ্ধে ২১২ হিন্দু নারীকে অপহরণের এমন কোনো মামলা, পুলিশি বিবৃতি, আদালতের নথি বা নির্ভরযোগ্য সংবাদ প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।
প্রথম পোস্টে সালাহ এই সংখ্যাটি শ্রী আইয়ারের একটি ভিডিও বক্তব্যের সূত্রে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ২১২ জনের সংখ্যা কোথা থেকে এসেছে বা এত বড় একটি অপহরণের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মামলা ও ভুক্তভোগীদের তথ্য কী, সে বিষয়ে কোনো নথি দেওয়া হয়নি।
ফলে এই অভিযোগটি বর্তমানে প্রমাণহীন।
আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে নিয়ে তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর আগের তথ্য প্রচারের ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তিনি একটি ভিডিও বাংলাদেশে মুসলমানদের হিন্দু মন্দিরে হামলা ও প্রতিমা ভাঙার দৃশ্য হিসেবে প্রচার করেছিলেন। রিউমর স্ক্যানারের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমানের সুলতানপুরে কালী প্রতিমা বিসর্জনের দৃশ্য।
২০২৫ সালের এপ্রিলে সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী একটি ভিডিও পোস্ট করে দাবি করেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণরেখায় পাকিস্তানের একাধিক পোস্ট ধ্বংস করেছে। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিডিওটি ২০২৩ সালের মে মাসে ইমরান খান গ্রেপ্তারের পর ইসলামাবাদের বিক্ষোভের সময় ধারণ করা।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর সালাহ উদ্দিন একটি ছবিকে ঘটনাস্থলের ছবি বলে পোস্ট করেন। নিউজচেকারের বিশ্লেষণে ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বলে শনাক্ত হয়।
আর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে থাকা এক নারীকে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের মেয়ে অমৃত সিং বলে দাবী করেছিলেন সালাহ উদ্দিন। তেলুগু পোস্টের ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, নারীটি অমৃত সিং নন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা হত্যা করেছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক ও সাপ্তাহিক ব্লিটজের সম্পাদক সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী। (১,২) একই সঙ্গে তিনি বিক্রমপুরীর বিরুদ্ধে ২১২ তরুণ হিন্দু নারীকে অপহরণ, মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের জিহাদি প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার অভিযোগও করেছেন।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, বিক্রমপুরী নিহত হওয়ার দাবিটি ভুয়া। ‘বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় জয়েন্ট সেক্রেটারি আতাউর রহমান বিক্রমপুরী জীবিত ও সুস্থ আছেন বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে স্ট্রিমকে জানানো হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর খবরকে সম্পূর্ণ গুজব বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।
এ ছাড়া সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর পোস্টে বিক্রমপুরীর বিরুদ্ধে করা আরও কয়েকটি গুরুতর অভিযোগের পক্ষেও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এর আগে একই এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একাধিকবার ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর নজির রয়েছে, যেগুলো বিভিন্ন ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান যাচাই করেছে।
শনিবার সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট @salah_shoaib থেকে বিক্রমপুরীকে নিয়ে অন্তত দুটি পোস্ট করা হয়।
প্রথম পোস্টে তিনি লেখেন, মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম পিগুরুসের শ্রী আইয়ার একটি ভিডিও বক্তব্যে দাবি করেছেন, ২১২ হিন্দু নারীকে অপহরণের অভিযোগ থাকা আতাউর রহমান বিক্রমপুরী ‘অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের’ হাতে নিহত হয়েছেন।
কয়েক ঘণ্টা পর আরেকটি পোস্টে তিনি বিষয়টিকে ‘ব্রেকিং নিউজ’ হিসেবে উপস্থাপন করেন। এবার সরাসরি দাবি করেন, মুফতি জসীম উদ্দীন রাহমানীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী আতাউর রহমান বিক্রমপুরী তাঁর দুই শীর্ষ সহযোগীসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের হাতে নিহত হয়েছেন।
দ্বিতীয় পোস্টে আরও বলা হয়, বিক্রমপুরী ২১২ তরুণ হিন্দু নারীকে অপহরণ করেছেন, ভারতে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে মাদ্রাসাছাত্রদের জিহাদি প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন এবং পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন।
কিন্তু পোস্টটিতে কোথায়, কখন বা কীভাবে বিক্রমপুরী নিহত হয়েছেন, কথিত অন্য দুই নিহত ব্যক্তি কারা, কোন হাসপাতাল বা থানায় ঘটনাটি নথিভুক্ত হয়েছে কিংবা কোন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে, তার কিছুই উল্লেখ করা হয়নি।
পোস্টে ভারতীয় বার্তা সংস্থা IANS এবং PTI News-কে ট্যাগ করা হয়েছে। কিন্তু তাদের কোনো প্রতিবেদনকে সূত্র হিসেবে যুক্ত করা হয়নি। ৮ আগস্ট রাত পর্যন্ত IANS ও PTI-তে বিক্রমপুরীর এমন কোনো হত্যাকাণ্ডের প্রতিবেদনও স্ট্রিমের অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি।
আতাউর রহমান বিক্রমপুরী নিহত হওয়ার দাবিটি যাচাই করতে ‘বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলন’-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে স্ট্রিম। বিক্রমপুরী সংগঠনটির কেন্দ্রীয় জয়েন্ট সেক্রেটারি।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে স্ট্রিমকে বলা হয়, ‘আতাউর রহমান বিক্রমপুরী বাড়িতে আছেন। ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। যারা তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়েছে, তারা ভুয়া খবর ছড়িয়েছে। এটা সম্পূর্ণ গুজব।’
সালাহর পোস্টের আরেকটি গুরুতর অভিযোগ হলো, বিক্রমপুরী ২১২ তরুণ হিন্দু নারীকে অপহরণ করেছেন।
এই দাবি ধরে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করে সংবাদ প্রতিবেদন, পুলিশি তথ্য, আদালতের মামলা এবং প্রকাশ্য নথি খোঁজা হয়েছে। তবে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর বিরুদ্ধে ২১২ হিন্দু নারীকে অপহরণের এমন কোনো মামলা, পুলিশি বিবৃতি, আদালতের নথি বা নির্ভরযোগ্য সংবাদ প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।
প্রথম পোস্টে সালাহ এই সংখ্যাটি শ্রী আইয়ারের একটি ভিডিও বক্তব্যের সূত্রে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ২১২ জনের সংখ্যা কোথা থেকে এসেছে বা এত বড় একটি অপহরণের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মামলা ও ভুক্তভোগীদের তথ্য কী, সে বিষয়ে কোনো নথি দেওয়া হয়নি।
ফলে এই অভিযোগটি বর্তমানে প্রমাণহীন।
আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে নিয়ে তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর আগের তথ্য প্রচারের ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তিনি একটি ভিডিও বাংলাদেশে মুসলমানদের হিন্দু মন্দিরে হামলা ও প্রতিমা ভাঙার দৃশ্য হিসেবে প্রচার করেছিলেন। রিউমর স্ক্যানারের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমানের সুলতানপুরে কালী প্রতিমা বিসর্জনের দৃশ্য।
২০২৫ সালের এপ্রিলে সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী একটি ভিডিও পোস্ট করে দাবি করেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণরেখায় পাকিস্তানের একাধিক পোস্ট ধ্বংস করেছে। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিডিওটি ২০২৩ সালের মে মাসে ইমরান খান গ্রেপ্তারের পর ইসলামাবাদের বিক্ষোভের সময় ধারণ করা।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর সালাহ উদ্দিন একটি ছবিকে ঘটনাস্থলের ছবি বলে পোস্ট করেন। নিউজচেকারের বিশ্লেষণে ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বলে শনাক্ত হয়।
আর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে থাকা এক নারীকে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের মেয়ে অমৃত সিং বলে দাবী করেছিলেন সালাহ উদ্দিন। তেলুগু পোস্টের ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, নারীটি অমৃত সিং নন।
.png)

ফেসবুকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, তিনি যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে বাংলাদেশ দেখে গেছেন। ক্যাপশনে আরও বলা হয়, প্রায় দুই বছর পর তাঁকে দেখা গেছে।
০৫ আগস্ট ২০২৬
এক্সে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে হিন্দুদের জমি দখল করতে ইসলামপন্থীরা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলা থেকে নারী ও শিশুরাও রেহাই পায়নি। ক্যাপশনে আরও বলা হয়, হিন্দুরা সংখ্যালঘু হলে এমন ঘটনা ঘটে।
০৪ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় নিষিদ্ধ করেছে সরকার, এমন দাবি করে একটি পোস্ট প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ ইংলিশ।
০৩ আগস্ট ২০২৬
হামলাকে ঘিরে ফেসবুকে সম্পাদিত ছবি, ভুল পরিচয় ও ভিন্ন দেশের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফ্যাক্টচেকে দাবিগুলোর সত্যতা পাওয়া যায়নি।
২৯ জুলাই ২০২৬