স্ট্রিম প্রতিবেদক

শেয়ারবাজারে কারসাজি করে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাবেক এমপি সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় পিছিয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আজ মঙ্গলবার প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত আগামী ২০ মে নতুন তারিখ দেন। আদালতে দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
গত বছরের ১৭ মে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন মামলাটি করেন। পরে ১৬ জুন আদালত আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন। মামলায় সাকিব আল হাসান ছাড়াও সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু), তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজামকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহার বলা হয়, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও (বেনিফিশারি ওনার্স) হিসাবে অসাধু ও অনৈতিক উপায়ে লেনদেন করে বাজারে কারসাজি করতেন। সংঘবদ্ধ চক্রটি নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সেখানে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করত।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, চক্রটি ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছে। কাগজে-কলমে এটিকে অস্বাভাবিক মূলধন লাভ বা ‘ক্যাপিটাল গেইন’ হিসেবে দেখানো হলেও প্রকৃতপক্ষে তা ছিল অপরাধলব্ধ আয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, চক্রের অন্যতম হোতা আবুল খায়ের শেয়ারবাজার থেকে তোলা অর্থ থেকে ২৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহায়তায় বিভিন্ন খাতে স্থানান্তরের মাধ্যমে পাচার করেন। এ ছাড়া আবুল খায়েরের নামে থাকা ১৭টি ব্যাংক হিসাবে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
দুদকের মামলায় সাকিবের ভূমিকা সম্পর্কে বলা হয়েছে, আবুল খায়েরের কারসাজি করা প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স ও সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে বিনিয়োগ করেন সাকিব আল হাসান। এর মাধ্যমে তিনি বাজার কারসাজিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করেন। এই কারসাজির মাধ্যমে তিনি ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের আড়ালে শেয়ারবাজার থেকে তুলে আত্মসাৎ করেন।

শেয়ারবাজারে কারসাজি করে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাবেক এমপি সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় পিছিয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আজ মঙ্গলবার প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত আগামী ২০ মে নতুন তারিখ দেন। আদালতে দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
গত বছরের ১৭ মে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন মামলাটি করেন। পরে ১৬ জুন আদালত আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন। মামলায় সাকিব আল হাসান ছাড়াও সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু), তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজামকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহার বলা হয়, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও (বেনিফিশারি ওনার্স) হিসাবে অসাধু ও অনৈতিক উপায়ে লেনদেন করে বাজারে কারসাজি করতেন। সংঘবদ্ধ চক্রটি নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সেখানে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করত।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, চক্রটি ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছে। কাগজে-কলমে এটিকে অস্বাভাবিক মূলধন লাভ বা ‘ক্যাপিটাল গেইন’ হিসেবে দেখানো হলেও প্রকৃতপক্ষে তা ছিল অপরাধলব্ধ আয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, চক্রের অন্যতম হোতা আবুল খায়ের শেয়ারবাজার থেকে তোলা অর্থ থেকে ২৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহায়তায় বিভিন্ন খাতে স্থানান্তরের মাধ্যমে পাচার করেন। এ ছাড়া আবুল খায়েরের নামে থাকা ১৭টি ব্যাংক হিসাবে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
দুদকের মামলায় সাকিবের ভূমিকা সম্পর্কে বলা হয়েছে, আবুল খায়েরের কারসাজি করা প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স ও সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে বিনিয়োগ করেন সাকিব আল হাসান। এর মাধ্যমে তিনি বাজার কারসাজিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করেন। এই কারসাজির মাধ্যমে তিনি ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের আড়ালে শেয়ারবাজার থেকে তুলে আত্মসাৎ করেন।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ১৩ দফা দাবি জানিয়েছে। ক্যাব ও ঢাকা স্ট্রিমের যৌথ আয়োজনে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট: ক্যাবের ১৩ দফা ও ন প্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এ দাবি উত্থাপন করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘প্রতিটি জেলা এবং উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে একজন ইমাম অথবা একজন খতিব অথবা সেই এলাকার অন্য কোনো ধর্মের ধর্মীয় গুরু—তাদের মধ্য থেকে একজন সদস্য রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’
২ ঘণ্টা আগে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ও ঢাকা স্ট্রিমের যৌথ আয়োজনে গোলটেবিল আলোচনা শুরু হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানী দেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৩ ঘণ্টা আগে