স্ট্রিম প্রতিবেদক

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (সুপ্রিম কোর্ট বার) ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের দুই দিনব্যাপী নির্বাচনের প্রথম দিনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টায় সুপ্রিম কোর্ট বার মিলনায়তনে এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। মাঝে এক ঘণ্টার (দুপুর ১টা থেকে ২টা) বিরতি দিয়ে চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীদের সংগঠনের এই নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দল ও সারা দেশের জেলা বারের আইনজীবীদের নজর ও উৎসাহ থাকে। এবারের নির্বাচন পরিচালনার জন্য হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে নির্বাচন উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই নির্বাচন নির্দলীয় হলেও কার্যত বিভিন্ন দলপন্থীদের নিয়ে প্যানেলের আদলে নির্বাচন হচ্ছে। এই নির্বাচনে এবারের নির্বাচনে আওয়ামীপন্থিদের (সাদা) প্যানেল না থাকলেও বিএনপিপন্থীদের নীল প্যানেল, জামায়াতপন্থীদের সবুজ প্যানেল ও এনসিপির প্রার্থীদের লাল-সবুজ প্যানেল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।
এরমধ্যে নীল ও সবুজ পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করলেও মাত্র ছয়টি পদে প্রার্থী দিয়েছে লাল-সবুজ প্যানেল। ভোট সুষ্ঠু হলে এই নির্বাচনে জয়ের আশা করেছে সব পক্ষই। সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ১৪টি পদের বিপরীতে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৪০ প্রার্থী। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৯৭ জন।
বিএনপি-সমর্থিত নীল প্যানেলে সভাপতি পদে লড়ছেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আলী। দুটি সহসভাপতি পদে মাগফুর রহমান শেখ ও মো. শাহজাহান; কোষাধ্যক্ষ পদে জিয়াউর রহমান এবং দুটি সহসম্পাদক পদে মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এছাড়া এই প্যানেলের সাতটি সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন- এ কে এম আজাদ হোসেন, এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, মো. কবির হোসেন, মো. টিপু সুলতান, মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া, রিপন কুমার বড়ুয়া এবং ওয়াহিদ আফরোজ চৌধুরী।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে আবদুল বাতেন এবং সম্পাদক পদে এ কে এম রেজাউল করিম খন্দকার লড়ছেন। দুটি সহসভাপতি পদে আব্দুল হক ও মইনুদ্দিন ফারুকী; কোষাধ্যক্ষ পদে এস এম জাহাঙ্গীর আলম এবং দুটি সহসম্পাদক পদে তারিকুল ইসলাম ও যোবায়ের আহমদ ভুইয়া প্রার্থী হয়েছেন।
এই প্যানেলের সাতটি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, ফারজানা খানম, ইসরাত জাহান অনি, মো. ফয়েজউল্লাহ, জুবায়ের টিটু, মাহমুদুল হাসান এবং মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন লিংকন।
এনসিপি সমর্থিত লাল-সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে কোনো প্রার্থী দেওয়া হয়নি। তবে সম্পাদক পদে আজমল হোসেন বাচ্চু এবং একটি সহসম্পাদক পদে মোস্তফা আসগর শরীফী লড়ছেন। তাদের চারজন সদস্য প্রার্থী হলেন- আমিনা আক্তার লাভলী, কাজী আকবর আলী, বনি আমিন ও মাজহারুল ইসলাম।
প্রধান এই প্যানেলগুলোর বাইরে সভাপতি পদে পরিচিত আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্পাদক পদে আলাদাভাবে লড়ছেন ফরহাদ উদ্দিন ভুইয়া, আবু ইয়াহিয়া দুলাল, ওমর ফারুক এবং মোহাম্মদ আশরাফ উজ-জামান খান। এছাড়া সদস্য পদে লড়ছেন জোবায়ের তায়েব ও তপন কুমার দাস।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-সমর্থিত কোনো আইনজীবী প্যানেল এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। অভিযোগ উঠেছে, দলটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকার কারণ দেখিয়ে নির্বাচন কমিশন ৪০ জনের বেশি আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা এই নির্বাচনকে ‘পাতানো’ আখ্যা দিয়ে ভোট বর্জনের ডাক দিয়েছেন।
এর আগে সবশেষ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন হয়েছিল ২০২৪ সালের মার্চে। ওই নির্বাচনে ১৪ পদের মধ্যে সভাপতিসহ চারটিতে বিএনপিপন্থি, সম্পাদকসহ বাকি ১০টি পদে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আইনজীবীরা জয়ী হন। তবে জাল ভোট ও কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোট গ্রহণের পর পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলেন বিএনপি-সমর্থিত প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (সুপ্রিম কোর্ট বার) ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের দুই দিনব্যাপী নির্বাচনের প্রথম দিনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টায় সুপ্রিম কোর্ট বার মিলনায়তনে এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। মাঝে এক ঘণ্টার (দুপুর ১টা থেকে ২টা) বিরতি দিয়ে চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীদের সংগঠনের এই নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দল ও সারা দেশের জেলা বারের আইনজীবীদের নজর ও উৎসাহ থাকে। এবারের নির্বাচন পরিচালনার জন্য হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে নির্বাচন উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই নির্বাচন নির্দলীয় হলেও কার্যত বিভিন্ন দলপন্থীদের নিয়ে প্যানেলের আদলে নির্বাচন হচ্ছে। এই নির্বাচনে এবারের নির্বাচনে আওয়ামীপন্থিদের (সাদা) প্যানেল না থাকলেও বিএনপিপন্থীদের নীল প্যানেল, জামায়াতপন্থীদের সবুজ প্যানেল ও এনসিপির প্রার্থীদের লাল-সবুজ প্যানেল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।
এরমধ্যে নীল ও সবুজ পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করলেও মাত্র ছয়টি পদে প্রার্থী দিয়েছে লাল-সবুজ প্যানেল। ভোট সুষ্ঠু হলে এই নির্বাচনে জয়ের আশা করেছে সব পক্ষই। সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ১৪টি পদের বিপরীতে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৪০ প্রার্থী। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৯৭ জন।
বিএনপি-সমর্থিত নীল প্যানেলে সভাপতি পদে লড়ছেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আলী। দুটি সহসভাপতি পদে মাগফুর রহমান শেখ ও মো. শাহজাহান; কোষাধ্যক্ষ পদে জিয়াউর রহমান এবং দুটি সহসম্পাদক পদে মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এছাড়া এই প্যানেলের সাতটি সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন- এ কে এম আজাদ হোসেন, এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, মো. কবির হোসেন, মো. টিপু সুলতান, মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া, রিপন কুমার বড়ুয়া এবং ওয়াহিদ আফরোজ চৌধুরী।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে আবদুল বাতেন এবং সম্পাদক পদে এ কে এম রেজাউল করিম খন্দকার লড়ছেন। দুটি সহসভাপতি পদে আব্দুল হক ও মইনুদ্দিন ফারুকী; কোষাধ্যক্ষ পদে এস এম জাহাঙ্গীর আলম এবং দুটি সহসম্পাদক পদে তারিকুল ইসলাম ও যোবায়ের আহমদ ভুইয়া প্রার্থী হয়েছেন।
এই প্যানেলের সাতটি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, ফারজানা খানম, ইসরাত জাহান অনি, মো. ফয়েজউল্লাহ, জুবায়ের টিটু, মাহমুদুল হাসান এবং মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন লিংকন।
এনসিপি সমর্থিত লাল-সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে কোনো প্রার্থী দেওয়া হয়নি। তবে সম্পাদক পদে আজমল হোসেন বাচ্চু এবং একটি সহসম্পাদক পদে মোস্তফা আসগর শরীফী লড়ছেন। তাদের চারজন সদস্য প্রার্থী হলেন- আমিনা আক্তার লাভলী, কাজী আকবর আলী, বনি আমিন ও মাজহারুল ইসলাম।
প্রধান এই প্যানেলগুলোর বাইরে সভাপতি পদে পরিচিত আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্পাদক পদে আলাদাভাবে লড়ছেন ফরহাদ উদ্দিন ভুইয়া, আবু ইয়াহিয়া দুলাল, ওমর ফারুক এবং মোহাম্মদ আশরাফ উজ-জামান খান। এছাড়া সদস্য পদে লড়ছেন জোবায়ের তায়েব ও তপন কুমার দাস।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-সমর্থিত কোনো আইনজীবী প্যানেল এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। অভিযোগ উঠেছে, দলটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকার কারণ দেখিয়ে নির্বাচন কমিশন ৪০ জনের বেশি আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা এই নির্বাচনকে ‘পাতানো’ আখ্যা দিয়ে ভোট বর্জনের ডাক দিয়েছেন।
এর আগে সবশেষ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন হয়েছিল ২০২৪ সালের মার্চে। ওই নির্বাচনে ১৪ পদের মধ্যে সভাপতিসহ চারটিতে বিএনপিপন্থি, সম্পাদকসহ বাকি ১০টি পদে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আইনজীবীরা জয়ী হন। তবে জাল ভোট ও কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোট গ্রহণের পর পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলেন বিএনপি-সমর্থিত প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বাংলাদেশের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) জোরদারে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ভায়াল পোলিও টিকা অনুদান দিয়েছে চীনের শীর্ষস্থানীয় টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন।
১ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ শহরের একটি ভাড়াবাসা থেকে খুশি খাতুনের (২২) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৩ মে) সকালে উপজেলার পাগলাকানাই এলাকার সাদাতিয়া সড়কের বাসা লাশ উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১২ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন চারুকলার এক্সটেনশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
নাটোরের সিংড়ায় ব্যাটারিচালিত রিকশা, ভ্যান ও মিশুক চালকদের কাছ থেকে আবার সদস্য ফি, কার্ড নবায়ন ও জরিমানার নামে অর্থ আদায় শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে