স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে একই প্রতিষ্ঠানে পরবর্তী শ্রেণিতে যাওয়ার সময় পুনঃভর্তির নামে বিপুল অঙ্কের অর্থ আদায়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে একই প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায়কে অবৈধ ঘোষণা এবং আদায়কৃত অর্থ ফেরতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে এ রিট আবেদন করে মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ আইন ও অধিকার এইড। রিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ পাঁচজনকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়, সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দেশের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তির নামে অভিভাবকদের কাছ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা আদায় করছে। এ বিষয়ে ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই প্রজ্ঞাপনের ১০ দশমিক ৫ ধারায় বলা হয়েছে, একই প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এক শ্রেণি থেকে পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতিবছর সেশন চার্জ নেওয়া যাবে, তবে পুনঃভর্তির ফি নেওয়া যাবে না।
রিটকারী বাংলাদেশ আইন ও অধিকার এইডের নির্বাহী পরিচালক আলী আসগর ইমন সাংবাদিকদের বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব রেহানা পারভীন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থাকা সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ে এর কোনো বাস্তবায়ন নেই। এটিকে সচিবীয় নির্দেশনার লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রীয় অবহেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।’
রিটকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল হোসেন তপু বলেন, সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে পুনঃভর্তির নামে প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আনুমানিক ১০ হাজার কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভর্তি নীতিমালায় শুধু সেশন ফি নেওয়ার অনুমতি রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে রেজিস্ট্রেশন ফি, রিডমিশন ফি কিংবা নবায়ন ফি নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
রিটে এসব অবৈধ ফি আদায় বন্ধে একটি মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
রিট দায়ের শেষে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আলী আসগর ইমন নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তাঁর সন্তান বর্তমানে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। এ বছর পুনঃভর্তির জন্য তাঁকে ৪৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে, যা গত বছর ছিল ৪২ হাজার টাকা।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষা আজ পণ্যে পরিণত হয়েছে এবং অভিভাবকেরা কার্যত জিম্মি অবস্থায় পড়েছেন। মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ নিজেরা কষ্ট করে সন্তানকে ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াতে চান, যাতে ভবিষ্যতে তারা সমাজের সম্পদ হয়ে ওঠে। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এই আবেগকে পুঁজি করে প্রতিবছর অভিভাবকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছে।‘
রিট আবেদনে তিনটি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এগুলো হলো পুনঃভর্তির নামে যেকোনো ধরনের ফি আদায়কে অবৈধ ঘোষণা করে তা বন্ধের নির্দেশ প্রদান, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে যারা ইতোমধ্যে পুনঃভর্তি বাবদ অর্থ প্রদান করেছেন তাদের টাকা ফেরতের আদেশ এবং শিক্ষা সচিবের সই করা প্রজ্ঞাপনটির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে একটি স্বাধীন মনিটরিং সেল গঠন।

দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে একই প্রতিষ্ঠানে পরবর্তী শ্রেণিতে যাওয়ার সময় পুনঃভর্তির নামে বিপুল অঙ্কের অর্থ আদায়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে একই প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায়কে অবৈধ ঘোষণা এবং আদায়কৃত অর্থ ফেরতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে এ রিট আবেদন করে মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ আইন ও অধিকার এইড। রিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ পাঁচজনকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়, সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দেশের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তির নামে অভিভাবকদের কাছ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা আদায় করছে। এ বিষয়ে ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই প্রজ্ঞাপনের ১০ দশমিক ৫ ধারায় বলা হয়েছে, একই প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এক শ্রেণি থেকে পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতিবছর সেশন চার্জ নেওয়া যাবে, তবে পুনঃভর্তির ফি নেওয়া যাবে না।
রিটকারী বাংলাদেশ আইন ও অধিকার এইডের নির্বাহী পরিচালক আলী আসগর ইমন সাংবাদিকদের বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব রেহানা পারভীন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থাকা সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ে এর কোনো বাস্তবায়ন নেই। এটিকে সচিবীয় নির্দেশনার লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রীয় অবহেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।’
রিটকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল হোসেন তপু বলেন, সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে পুনঃভর্তির নামে প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আনুমানিক ১০ হাজার কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভর্তি নীতিমালায় শুধু সেশন ফি নেওয়ার অনুমতি রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে রেজিস্ট্রেশন ফি, রিডমিশন ফি কিংবা নবায়ন ফি নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
রিটে এসব অবৈধ ফি আদায় বন্ধে একটি মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
রিট দায়ের শেষে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আলী আসগর ইমন নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তাঁর সন্তান বর্তমানে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। এ বছর পুনঃভর্তির জন্য তাঁকে ৪৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে, যা গত বছর ছিল ৪২ হাজার টাকা।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষা আজ পণ্যে পরিণত হয়েছে এবং অভিভাবকেরা কার্যত জিম্মি অবস্থায় পড়েছেন। মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ নিজেরা কষ্ট করে সন্তানকে ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াতে চান, যাতে ভবিষ্যতে তারা সমাজের সম্পদ হয়ে ওঠে। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এই আবেগকে পুঁজি করে প্রতিবছর অভিভাবকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছে।‘
রিট আবেদনে তিনটি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এগুলো হলো পুনঃভর্তির নামে যেকোনো ধরনের ফি আদায়কে অবৈধ ঘোষণা করে তা বন্ধের নির্দেশ প্রদান, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে যারা ইতোমধ্যে পুনঃভর্তি বাবদ অর্থ প্রদান করেছেন তাদের টাকা ফেরতের আদেশ এবং শিক্ষা সচিবের সই করা প্রজ্ঞাপনটির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে একটি স্বাধীন মনিটরিং সেল গঠন।

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুর পর পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা। গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার পোল্লাপুকুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ সময় সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও (ওসি) অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
১ মিনিট আগে
দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালট বিতরণ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনি হেফাজতে থাকা নিবন্ধিত ভোটার– এই তিন শ্রেণির মানুষের হাতে সোমবার থেকে পোস্টাল ব্যালট দেওয়া হচ্ছে।
৩১ মিনিট আগে
গতকাল রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ওই ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠের দক্ষিণ-পূর্ব কোনায় প্রায় ৩০ জন কিশোর-তরুণ সারিতে দাঁড়িয়ে কান ধরে উঠবস করছেন। তাঁদের সামনে একটি লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন সর্বমিত্র চাকমা।
১ ঘণ্টা আগে
ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন (ইডিসি) প্রকল্পের আওতায় দেশের ১০০টি উপজেলায় ‘উপজেলা সেবা ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে